মোঃ মনোয়ার হোসেন
জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি
উত্তরবঙ্গের সিমান্তবর্তী জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানায় ২০২২ সালের ২৫ ফ্রেবুয়ারী যোগদানের পর থেকে চোর ডাকতের আতঙ্কের আরেক নাম এএসআই সোহেল রানা। দায়িত্ব পালন করতে কখনো পিছু হেটেননি নিজের জীবনকে বাজি রেখে ডাকাতদের ধরতে গিয়ে আহত হয়েছেন তিনি।
আমাদের দৈনিন্দন জীবনে গুরুত্বপূর্ণ মোবাইল ফোন। সেই মোবাইল ফোনে থাকতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস ও তথ্যাদি আর যদি সেই মোবাইলটি আপনার হারিয়ে যায় বা চুরি হয়।তাহলে দৌড়াতে হয় নিকটস্থ থানায় জিডি করার জন্য,ভবিষ্যতে যেনো কেউ চুরি ও হারিয়ে যাওয়া মোবাইল দ্বারা কোন অপরাধ করলে আপনার উপর সেই দায় ভার না আসে।
সেই জিডিমূলে জয়পুরহাট পুলিশ সুপার আবদুল ওহাবের দিক নির্দেশনায় পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ কাওসার আলীর সার্বিক সহযোগিতায় ও নেতৃত্বে এএসআই সোহেল রানা মানুষের সেবা হিসাবে বেছে নিয়ে গত ২ বছরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ও নিজের বুদ্ধিমত্তা কে কাজে লাগিয়ে ৭শ'র অধিক চুরি ও হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করে আসল মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেন।
আবার কখনো বোরকা পড়ে ছদ্মবেশে কাচি হাতে, কখনও কোদাল ঘাড়ে নিয়ে প্রায় ৮০ জন জুয়ারীকেও আটক করেছেন। ও আন্তঃজেলা ডাকাত সদস্যের প্রায় ৪০ জনকে বিভিন্ন কৌশলে গ্রেফতারপূর্বক আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন।
পুলিশ ফোর্সের একজন সাহসী অফিসার এএসআই সোহেল রানা মানুষের সেবা করার প্রত্যাশা নিয়ে ২০১১ সালে যোগদান করেন পুলিশ ফোর্সে নিজের সততা দিয়ে ভালো কাজ ও সাহসীকতার পুরুষ্কার হিসেবে পেয়েছেন ২০১৮ সালে পদন্নোতি ও ২০১৯ সালে IGP, Exemplary Good Services Badge (আইজিপি ব্যাচ) পুরুষ্কার।
গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত আব্দুল আজিজ মুন্সীর একমাত্র ছেলে সোহেল রানা।
বর্তমানে এএসআই সোহেল রানা উপজেলার আওলাই ইউনিয়নের বিট অফিসারের দায়িত্বে আছেন পাঁচবিবি থানা থেকে প্রায় ১৫-১৮ কিলোমিটার দুরে কুসুম্বা,মোহাম্মদপুর ও আওলাই ইউনিয়ন।
মোহাম্মদপুর ও আওলাই দুই ইউনিয়নের এলাকাবাসী বলেন যেখানে প্রতিনিয়ত আমাদের এলাকায় ঘটতো চুরি ডাকাতি সহ নানা ধরনের অপরাধ কিন্তু বর্তমানে এএসআই সোহেল রানা চোর ডাকতের কাছে এক আতঙ্কের নাম,চোর ডাকাতের কাছে যেমন আতঙ্কের নাম সোহেল রানা তেমনি আবার গরিব অসহায় মানুষদের কাছে তিনি মানবতার ফেরিওয়ালা নিজের অর্থ দিয়ে গরীব অসহায়দের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ এবং নিজের রেশন সামগ্রী বিতরণ করে গরীব অসহায় মানুষের ভালোবাসায় সিগ্ধ হয়েছেন এএসআই সোহেল রানা।
আওলাই ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রাজু আহমেদ বলেন আমাদের ইউনিয়ন থানা থেকে অনেক দূরে তাই এই এলাকা প্রতিদিন চুরি ডাকাতি হতো এএসআই সোহেল রানা আমাদের এখানে প্রথমে ফাঁড়িতে বর্তমানে আওলাই ইউনিয়নের দায়িত্বে আসার পর চোর ডাকতের প্রভাব কমে গেছে এবং পুলিশের প্রতি এই এলাকার মানুষের আস্থা ফিরে এসেছে।
এএসআই সোহেল রানা বলেন, বর্তমানে আমাদের দৈনন্দিন জীবন মোবাইল ফোন খুব গুরুত্বপূর্ণ।মোবাইল ফোনে থাকেতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস ও তথ্য। চুরি ও হারিয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ মোবাইলটি ফোনটি উদ্ধার করে আসল মালিকের কাছে দিতে পারলে ভালো লাগে। পুলিশের প্রতি মানুষের সকল ভুল ধারনা ভেঙে মানুষের আস্থা উর্জনে নিঃসার্থে কাজ করে যাচ্ছি আমি মানুষের সেবা করে বাংলাদেশ পুলিশের সুনাম অর্জন এবং পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা তৈরীতে নির্লস ভাবে কাজ করতে চাই,জনগণ পুলিশকে ভালোবাসবে এইটা আমার প্রত্যাশা।
এবিষয়ে পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ কাওসার আলী বলেন,এএসআই সোহেল রানা একজন চৌকস ও কর্মঠ্য অফিসার তার বিষয়ে আমি অনেক সুনাম শুনি,এবং সে সব সময় নিজের দায়িত্ব ও কাজকে গুরুত্ব দেয়।আমি তার ভবিষ্যতে আরো সফলতা কামনা করি
৪ দিন ১৬ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে
১০ দিন ৮ মিনিট আগে
২০ দিন ৩ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
২১ দিন ২০ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
২৩ দিন ১৯ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে
২৫ দিন ১ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
২৮ দিন ২৩ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে