অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যের ক্রয়কৃত জমি অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী ও বিএনপি নেতাদের দিয়ে দখল নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা মোতালেব হোসেনকে ভাড়া করে তার জমি দখলে নেন বলে জানান ভূক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য জয়নাল আবেদীন। দখল করে নেওয়া জমি টিনের প্রাচীর নির্মাণ করেও দেন তারা। ঘটনাটি ঘটেছে রংপুরের পীরগাছায় পাওটানাহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন তাজতালুক গ্রামে।
জানা যায়, পুলিশ সদস্য জয়নাল আবেদীন ওই গ্রামে ত্রিশ শতক জমি ক্রয় করেন ৩০বছর আগে। আর সেনাসদস্য মোন্নাফ মিয়া ১৫বছর আগে একই সীমানায় পরবর্তীতে জমি ক্রয় করেন। তিনি জমি ক্রয় করার পর থেকে অনৈতিকভাবে পুলিশ সদস্য জয়নাল আবেদীনের দুইশতক জমি পান বলে দীর্ঘদিন হতে দাবি করে আসছেন। ওই মর্মে তিনি আদালতে দুইটি মামলাও করেছেন। মামলা দুটি বর্তমানে চলমান। এর জের ধরে মঙ্গলবার (৪ মার্চ) পুলিশ সদস্য জয়নাল আবেদীন বাড়িতে না থাকার সুযোগে স্থানীয় ছাওলা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোতালেব হোসেনকে ভাড়া করে জোরপূর্বক জমি দখল নিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে নেন সেনাসদস্য মোন্নাফ মিয়া।
বিএনপি নেতা মোতালেব হোসেন বলেন, আপাতত জমিটি দখল করে রাখা হয়েছে। থানায় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর যে জমি পাবে তাকেই জমি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
সেনাসদস্য মোন্নাফ মিয়ার সাথে যোগাযোগ করেও তার সঙ্গে এবিষয়ে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
ভূক্তভোগী জয়নাল আবেদীন বলেন, আমার স্ত্রীকে নিয়ে রংপুরে ডাক্তার দেখানোর জন্য গিয়েছি। এ সুযোগে সেনাসদস্য মোন্নাফ মিয়া তার পেশিশক্তি দিয়ে জোরপূর্বক বিএনপি নেতা মোতালেবকে দিয়ে আমার জমি দখলে নিয়েছেন। এর সুষ্ঠু বিচার চাই। তার পেশিশক্তির কাছে আমি অসহায়। এই জমি নিয়ে আমার নামে দুটি মামলাও দিয়েছেন মোন্নাফ।
ছাওলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরে আলম সিদ্দিকী জানান, জমি দখলের বিষয়টি আমি শুনেছি। জমিটি নিয়ে যেহেতু আদালতে বিচারাধীন। সেহেতু দখলে নেওয়া ঠিক হয়নি। আমি মোতালেবকে ডেকে নিয়ে তার সাথে এবিষয়ে কথা বলেছি।