লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃক আয়োজিত বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও পিঠা উৎসব কলেজ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়।
লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নূর-উদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন।প্রধান অতিথি অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন এমপি বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে উন্নত জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে দেশের তরুণ প্রজন্ম ছাত্র-ছাত্রীদের কে এগিয়ে আসতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জেনে দেশের উন্নয়নে তাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, উন্নত বাংলাদেশ গড়তে হলে তরুণ প্রজন্মের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে। বাংলাদেশ উন্নয়নের আদর্শ উদাহরণ। আমি পিঠা উৎসবের সফলতা কামনা করছি।’প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্টের কো- চেয়ারম্যান ডা. কাজী মো. নুর-উল ফেরদৌস এর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মু. নুরুল আমিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্টের জেনারেল সেক্রেটারি সায়মা বিনতে ফারুকী, মিজানুর রহমান ভূঁইয়া ভাইস-চেয়ারম্যান প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্ট, অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ রায়পুর লক্ষ্মীপুর। অঞ্জন দাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রায়পুর, লক্ষীপুর, শিপন বড়ুয়া অফিসার ইনচার্জ, রায়পুর থানা লক্ষ্মীপুর। এডভোকেট ইউসুফ জালাল (কিসমত) চেয়ারম্যান ৪ নং সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদ, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর।
প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্টের কো-চেয়ারম্যান ডা. কাজী মো. নুর-উল ফেরদৌস সভাপতির বক্তব্যে সাংস্কৃতিক চর্চা করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই মানুষ তার ভেতরের বিশুদ্ধ রূপ ও প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে পারে। সাহিত্য সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। জ্ঞান পিপাসু মন নিয়ে কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে পড়াশোনা করার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রিন্সিপাল কাজী ফারুক স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ নুরুল আমিন বলেন, গ্রাম বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্য উপলক্ষে মাঘের শেষে এই পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছি আমরা। এই উৎসব সকলের জন্য উন্মুক্ত।’পিঠা উৎসবের জন্য বেলুন, প্ল্যাকার্ড আর ফেস্টুনে সাজানো হয়েছিল বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। শিক্ষার্থীরা নানা নামের বাহারি নকশার মুখরোচক পিঠা নিয়ে হাজির হন উৎসবে। পিঠা উৎসবে পাটিসাপটা , পুডিং, খিরপুলি, নারকেলপুলি মাছপিঠা জামাইপিঠা ভাপা পিঠা, পুলি পিঠা, দুধ পিঠা, চিতই পিঠা, দুধ চিতই, পাটিসাপটা, ক্ষীর পিঠা, তালের পিঠা, খেজুরি পিঠা, সন্দেশ, চুঙ্গা পিঠাসহ প্রায় তিন শতাধিক পিঠা প্রদর্শিত হয়। পিঠা স্টল গুলি প্রদর্শন করেন অতিথিবৃন্দ, অভিভাবক ও দর্শনার্থীরা ।
প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজের নবম মানবিক বিভাগের উদ্যোগে করা প্রথম নকশী পিঠা ঘরে ছিল ব্যতিক্রমী আয়োজন। বিক্রেতা সবার হাতে ছিল গ্লাভস। সুন্দর নাম দিয়ে ব্যানার লাগিয়ে স্টলে পুষ্টিকর সব পিঠা সাজানো হয়।বাঙালির ঐতিহ্য বৃষ্টি ও গ্রামীণ সংস্কৃতির ধারক এবং বাহক এ পিঠা উৎসবে শীতের সকাল থেকে লোকে-লোকারণ্য ছিল।মেলায় মোট ২৩টি স্টলে বাহারি পিঠার পসরা বসানো হয়।অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেনরাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ,গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সংবাদকর্মী প্রমুখ ।
৪ দিন ৬ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
৬ দিন ১৮ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৬ দিন ১৯ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
৭ দিন ১০ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে
৮ দিন ৮ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
১৬ দিন ১৩ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে
৩০ দিন ৭ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
৩০ দিন ১২ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে