সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটার কুমিরা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে আয়া পদে নিয়োগে ১০ লক্ষ টাকা ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে সংক্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।যদি অভিযোগ অস্বীকার করে কর্তৃপক্ষের দাবী স্বচ্ছতার মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।তবে স্থানীয়দের দাবী ১০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে অদক্ষ এক নারীকে নিয়োগ প্রদান করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চলতি বছরের ৩০ মার্চ দৈনিক পূর্বাঞ্চল ও দৈনিক সংবাদে কুমিরা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেনীর "আয়া " শূন্যপদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয় কর্তৃপক্ষ।চলতি মাসের ১৩ মে শনিবার সকালে পাটকেলঘাটা আদর্শ বহুমুখী বিদ্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।ওই সময় সংবাদ কর্মীরা তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে এক পর্যায়ে চড়াও হয় বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও আলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম। এ পর্যায়ে বিদ্যালয়ের গেট বন্ধ রেখে
একই উপজেলার ইসলামকাটি এলাকার জৈনেক ইউসুপের স্ত্রী ফারাজানা আক্তার কে আয়াপদে চুড়ান্ত বলে ঘোষনা করা হয়। নাম না জানানোর শর্তে ইসলামকাটি এলাকার এক দলীল লেখক জানায়, তার পার্শবর্তী ইউসুপ বেকার হয়ে পড়ার কারনে সংসারে অশান্তি চলছিল। চলতি বছরে ওই বিদ্যালয়ের নিয়োগ দেওয়ার পরে তাদের সাথে যোগাযোগ হয় আ"লীগ নেতা রফিকুলের। পরে ওই নারী তার বাপের বাড়ির জমি বিক্রি করে ১০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে চাকুরি নেয় রফিকুলের মাধ্যমে। এবিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গৌতম দাশ বলেন, কয়েকমাস আগে আয়া পদে নিয়োজিত কর্মী চাকুরি ছেড়ে চলে যায়। পরে আবার শুন্যপদ ঘোষনা করে পেপারে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়ে। চলতি মাসের ১৩তারিখে তালা মাধ্যমিক শিক্ষাকর্মকর্তার উপস্থিতে স্বচ্ছতার মাধ্যমে নিয়োগ সম্পন্ন হয় বলে তিনি দাবী করেন। অভিযোগ অস্বীকার করে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কুমিরা ইউনিয়ন আ"লীগের সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন নিয়োগে কোন প্রকার টাকা পয়সা লেনদেন হয়নি।স্বচ্ছতার মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। তালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষাকর্মকর্তা শেখ ফিরোজ আহম্মেদ জানান,নিয়োগ হয়েছে এটা সত্য কেউ আর্থিক কোন লেনদেন করেছে কিনা সেটা তার জানা নেই। তবে তার সামনে স্বচ্ছ পরিবেশে নিয়োগ হয়েছে বলে জানান তিনি।