জানা গেছে, যৌতুকের দাবীতে ২সন্তানের জননী সুমাইয়াকে নির্যাতনের পরে হত্যা চেষ্টা চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় ইউপি সদস্য জামাল হোসেন ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিয়ে পুলিশের সহায়তায় ওই গৃহবধুকে উদ্ধার করে মুমুর্ষ অবস্থায় পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। কর্তব্যরত ডাক্তার জানান, বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত তার জ্ঞান ফেরেনি। নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত ঝড়ছে। ব্লাড নিয়ন্ত্রনের জন্য ওয়াস চলছে। তবে তার অবস্থা আশংকা জনক।
উল্লেখ্য, উপজেলার সকিনা এলাকার সেন্টু মিয়া (২৬) ২০১৭ সালে পার্শবর্তী মহিপুর থানার সুধিরপুর গ্রামের নুরসায়েদ খানের মেয়ে সুমাইয়াকে বিবাহ করেন। বিবাহের পর ২বছর যেতে না যেতেই মোটা অংকের যৌতুকের জন্য সুমাইয়াকে বিভিন্ন ভাবে শারিরিক নির্যাতন করে আসছে। নির্যাতনের এক পর্যায় স্বামী সেন্টু সুমাইয়ার শরীরের বিভিন্ন অংগে খুন্তি ছ্যাক্যা দেয়। স্বামীর এ অমানুষিক নির্যাতন সইতে না পেরে তখন সুমাইয়া পটুয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় সেন্টু প্রায় ৯ মাস পালিয়ে থাকার পর গত ২০ আগস্ট-২২ আদালতে বনসই দিয়ে সুমাইয়াকে বাড়ী আনে।
তালতলী থানার ওসি কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, গৃহবধু সুমাইয়াকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এসময় স্বামী সেন্টুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। তবে এখনও কেহ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।