টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ-সাবরাং সড়কে পুলিশ অভিযান চালিয়ে লবণ বোঝাই ট্রাক হতে ৩২হাজার ইয়াবাসহ চালক ও হেলপারকে গ্রেফতার করেছে। কথিত লবণের মালিক ও মাদক কারবারীকে পলাতক আসামী করা হয়েছে।
সুত্র জানায়,২৪অক্টোবর দুপুর সাড়ে ১২টারদিকে টেকনাফ মডেল থানার একদল পুলিশ সাবরাং ইউপির ডেগিল্যার বিলের শাহপরীরদ্বীপ-টেকনাফগামী রাস্তা দিয়ে লবণ ভর্তি একটি ট্রাকে করে ইয়াবা বহনের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের আভিযানিক টিম নিয়ে ডেগিল্যার বিল এলাকায় অবস্থান করে। পরে শাহপরীরদ্বীপ থেকে টেকনাফ অভিমূখে লবণ ভর্তি ১টি ট্রাক আসতে দেখে তা তল্লাশী করার জন্য সিগন্যাল দেওয়া হয়। সিগন্যাল অমান্য করিয়া চলে যাওয়ার চেষ্টাকালে পুলিশের আভিযানিক টিমটি ব্যারিকেড দিয়ে গাড়িটিকে ডেগিল্যার বিলের শাহপরীরদ্বীপ -টেকনাফ গামী রাস্তার পূর্ব পাশে ইসমাইল টাওয়ার-২ এর দক্ষিণ পার্শ্বে জনৈক ডাক্তার এনামুল হকের ফাঁকা জায়গার উপর থামানো হয়। পরে উক্ত ট্রাকে থাকা চালক বর্তমানে উখিয়ার রাজাপালং ইউপির হাজী পাড়ার কালা মিয়া সওদাগরের বাড়িতে থাকা চট্টগ্রাম সিটির ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ কেএম আব্দুল হাকিম রোডের মাফজ সওদাগরের বাড়ির মৃত কালা মিয়ার পুত্র দিলদার মিয়া (৪৫) এবং চট্টগ্রাম পটিয়া থানার মৌলভীর হাটের বড়লিয়া আকামা শামসু জামালের বাড়ির বদিউল আলম ওরফে বদি ড্রাইভারের পুত্র মোঃ তৌহিদুল আলম (২৩) কে আটক করতে সক্ষম হয়। পরে ট্রাক চালক ও হেলপারদ্বয়কে পালিয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে তারা সদুত্তর না দিয়ে এলোমেলো কথাবার্তা বলতে থাকে। পরে পুলিশের আভিযানিক টিমের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তারা স্বীকার করে যে, ট্রাকে রাখা লবণের বস্তার নিচে সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভিতরে ইয়াবা রয়েছে। আটককৃতদের দেওয়া তথ্যমতে ট্রাকে রাখা লবণের বস্তার নিচে বিশেষ কায়দায় লুকায়িত অবস্থায় বস্তার ভিতর হতে তাদের নিজ হাতে বের করে দেওয়া ১শ ৬০টি নীল রংয়ের জিপার পলিপ্যাক হতে প্রতি পলিপ্যাকে ২শ পিস করে মোট ৩২হাজার পিস ইয়াবা ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে উদ্ধার পূর্বক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করেন।
পরে চালক ও হেলপারদ্বয় আরো ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধারকৃত ইয়াবা এই লবনের মালিক ডেগিল্যার বিলের কালু মিয়া ওরফে দুবাই হোছন আহমদ (৩৫) বলে স্বীকার করে। তার নির্দেশে এই মাদকের চালান কৌশলে চট্টগ্রামের মাদক কারবারীদের বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ লবণ ভর্তি ট্রাকে করে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঐ ব্যক্তির মাদকের চালান পাচার করে আসছে।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন জানান, এই বিষয়ে আটককৃত ব্যক্তি ও পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। ধৃত আসামীদ্বয়কে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। ###
১২ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
১১ দিন ১৪ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে
৩১ দিন ৭ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
৪৪ দিন ১১ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
৭০ দিন ১৭ ঘন্টা ১ মিনিট আগে
৮৮ দিন ১৭ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে
৮৮ দিন ১৭ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
৯০ দিন ১৬ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে