উখিয়ার কোট বাজার আরব সিটি সেন্টারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও জামায়াত কর্মীর ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার(২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে আরব সিটি সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।
এসময় আরব সিটি সেন্টারের ব্যবসায়ী ও জামায়াতে ইসলামী রাজাপালং ৭ নং ওয়ার্ডের কর্মী হাফেজ শেখ আহমেদ গুরুত্বর আহত হয়।
আহত অবস্থায় মার্কেটের ব্যবসায়ীরা উদ্বার করে তাকে উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন।
সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, বিগত দুই বছর আগে শেখ আহমেদের দোকান থেকে মোবাইল নিয়ে এখনো পর্যন্ত টাকা দেয়নি চৌধুরী পাড়ার সুপারি ব্যবসায়ী শাকের আহমেদ। পরে ওই টাকা খোঁজাকে কেন্দ্র করেই ব্যবসায়ী ও জামায়াত কর্মী শেখ আহমেদের ওপর হামলা করে শাকের ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা।
আহত শেখ আহমেদ বলেন, দীর্ঘ দুই বছর ধরে আমার দোকান থেকে মোবাইল নিয়ে টাকা দেয়নি শাকের। আজকে সে আমার দোকানে বিকাশের টাকা উত্তোলন করতে আসলে মোবাইলের টাকা নিয়ে কথা হয়। আমি বিকাশের টাকা গুলো মোবাইলের টাকা বাবদ রেখে বাকী টাকা পরে দিয়ে দেয়ার কথা বলি। সাথে সাথে সে সহ আরও ১০-১২ জন আমার ওপর হামলা করে। পরে আমি দোকান থেকে বের হয়ে আত্মরক্ষার জন্য এন আলম মার্কেটের ওদিকে গেলে সেখানে দ্বিতীয় দফায় আমাকে হামলা করেন শাকের বাহিনী।
এব্যাপারে জানতে এন আলম শপিং কমপ্লেক্সের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আবছার উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, শেখ আহমেদকে প্রথমে আরব সিটিতে তার দোকানে হামলা করা হলে সে আত্মরক্ষার জন্য পালিয়ে এন আলম শপিং কমপ্লেক্সে চলে আসে। সেখানেও হামলাকারীরা তাকে ২য় দফায় আবারও হামলা করেন। পরে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এছাড়া এহেন ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন আবছার।
কোর্টবাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম বাবুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন বলে জানান। দুপক্ষের সাথে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে জানান বাবুল।
বাংলাদেশ জামায়তে ইসলামীর রাজাপালং ইউনিয়ন সেক্রেটারি মোহাম্মদ ইউনুছ জানান, পাওনা টাকা চাওয়ার কারণে তাকে অন্যায় ভাবে অতর্কিত হামলা করা হয়েছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আহত শেখ আহমেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রয়েছে।
এছাড়া হামলাকারীদের আইনের আওতায় আনতে উখিয়া থানায় এজাহার দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।
১ দিন ৭ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
৫ দিন ৫ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
৬ দিন ১৩ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
১০ দিন ৮ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
১২ দিন ৫ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
১৩ দিন ৩ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
১৭ দিন ২৩ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
২০ দিন ৮ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে