ঢাকা যাওয়ার পথে সীতাকুণ্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল লোহাগাড়ার যুবকের, কমলগঞ্জে ‘অঞ্জলি-২’ এর প্রকাশনা উৎসব কলমের শক্তিতে জনতার পাশে অনন্য অবদান' এর স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা পেলো শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব এইচআর ক্লাব পবিপ্রবির উদ্যোগে মৌসুমি ফল উৎসব অনুষ্ঠিত প্রত্যয় সংগঠনের ১০১ সদস্য বিশিষ্ট স্বদেশ কমিটি ঘোষণা আশাশুনির বড়দলে ঘরের দরজা ভেঙে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার মালামাল চুরি রংপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ সফল করতে পীরগাছায় জামায়াতের স্বাগত মিছিল বড়লেখায় ৭ বছরেও বিতরণ হয়নি হাজারো পরিবার পরিকল্পনা কার্ড, বারান্দায় পড়ে থাকতে দেখে ক্ষোভ কুষ্টিয়ার লাহিনী ২১ নম্বর ওয়ার্ডে লিজেন্ড বনাম ইয়াংস্টারদের জমজমাট ফুটবল ম্যাচ রিনিঝিনি বৃষ্টির দিনে: আলসেমি, আনন্দ আর কিছু রূপালি গল্প রাজনীতি ভোগের জন্য নয়, এটি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের মাধ্যম : তথ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ১০ পদক্ষেপ হাতিয়ায় জোয়ারের পানি-ভারী বর্ষণে উপকূল বিপর্যস্ত মধুপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল যুবকের পাটকেলঘাটার প্রায় দুই যুগ পার হলেও দূর্বাডাঙ্গা গাছা সড়ক সংস্কার হয়নি চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ তালায় দুস্থ-অসহায়দের মাঝে চেক বিতরণ করলেন মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ, এমপি শুভসন্ধ্যা সমুদ্র সৈকতে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার লালপুরের বিলমাড়ীয়ায় চার গ্রামীণ সড়ক এইচবিবি করণে স্থানীয় বাসিন্দারা খুশি শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের নাম ব্যবহার ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণার অভিযোগে লিগ্যাল নোটিশ" নওগাঁ বদলগাছীর আধায়পুরে রেবা বেগম এক নারীকে ছুরিকাঘাতে, গুরুতর আহত অবস্থায় নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি

চিনি নিয়ে ফের ছিনিমিনি, সরকারের ঘোষণায়ও কমছে না দাম

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 19-04-2023 01:01:51 pm

গত ৬ এপ্রিল চিনির দাম কেজিতে তিন টাকা কমানোর ঘোষণা দেয় সরকার। সেই ঘোষণা অনুযায়ী প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০৪ টাকা ও প্যাকেটজাত চিনি ১০৯ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা। কিন্তু কোনো বাজারেই কমেনি চিনির দাম। ক্রেতাদের ঠিকই গুনতে হচ্ছে আগের মতো ১১৫ থেকে ১২০ টাকা। চিনির দাম কমালেও বাজারে না কমার এ ধারা নতুন নয়। স্বয়ং বাণিজ্যমন্ত্রীও দাম না কমে বাড়ার বিষয়টি স্বীকার করে দায়সারা বক্তব্য দিয়েছেন।


বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি রোববার (১৬ এপ্রিল) বলেন, আমরা সম্প্রতি লক্ষ্য করেছি চিনির দাম একটু ঊর্ধ্বমুখী। আমরা বলেছিলাম চিনির দাম পাঁচ টাকা কমানো হোক। পরবর্তীকালে হিসাব-নিকাশ করে দেখা যায় তিন টাকা ৫০ পয়সা কমানো যায়। যখনই এটা আলোচনা চলছিল তখনই চিনির দাম আবার বাড়ানো হয়। রমজানের শেষ দিকে ঈদ ঘিরে চিনির চাহিদা বেড়েছে। যে কারণে দামও বেড়েছে। দাম যে বেড়েছে এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।


চিনি নিয়ে দীর্ঘদিনের ছিনিমিনি খেলা চলছেই। ঈদের বাড়তি চাহিদাও কোম্পানিগুলোর বাড়তি মুনাফার একটি কৌশল। জানতে চাইলে ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন পক্ষ একে অপরকে দায়ী করছেন। মিলমালিকদের দাবি, তারা সরকার নির্ধারিত দামে মিলগেটে চিনি বিক্রি করছেন, সেটা বাজারে নিয়ে বাড়তি দামে বিক্রি করছেন পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা।


বিক্রেতারা বলছেন, মিল থেকে ইনভয়েসে সরকার নির্ধারিত দাম নেওয়া হলেও আন্ডার ইনভয়েস বাড়তি দাম নেওয়া হচ্ছে। বেশি দামে কেনা বলেই তারা বাধ্য হয়ে বাজারে বেশি দামে বিক্রি করছেন।


সব মিলে দেশের চিনির বাজার এখনো অস্থিতিশীল। শুধু দাম কমানো নয়, ২৬ ফেব্রুয়ারি চিনি আমদানিতে যে শুল্ক প্রত্যাহার হয়, তারও কোনো সুফল মিলছে না। ওই সময় আমদানি করা অপরিশোধিত চিনির ওপর থেকে কেজিপ্রতি সাত টাকা এবং পরিশোধিত চিনি থেকে ১০ টাকা শুল্ক প্রত্যাহার হয়।


বাজারের পণ্যমূল্যের হিসাব সংরক্ষণ করা সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বলছে, গত এক বছরের ব্যবধানে চিনির দাম বেড়েছে ৪৯ শতাংশ। গত বছর (২০২২) এই সময়ে দেশে প্রতি কেজি চিনি ৭৮-৮০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত।


সামনে ঈদুল ফিতর। রমজানের মতো এসময়ও চিনির চাহিদা বেড়ে যায়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, রোজার মাস ও ঈদে চিনির চাহিদা বেড়ে দাঁড়ায় তিন লাখ টন। আর এই সুযোগটা লুফে নেন দেশের ব্যবসায়ীরা। ফলে এখন রমজানকে কেন্দ্র করে অধিক মুনাফাপ্রত্যাশী ব্যবসায়ীরা চিনির বাজারে বাড়তি সুবিধা নিচ্ছেন।


এদিকে শুরুতে দাম নিয়ন্ত্রণে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কিছু তৎপরতা দেখা গেলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা শিথিল হয়ে যায়। ফলে চলতি রমজানে স্বাভাবিক দরে চিনি খেতে পারেনি সাধারণ মানুষ, ঈদেও গুনতে হবে বাড়তি দাম।


চিনির দামের বিষয়ে খোঁজ নিতে রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ ও খিলগাঁও তালতলা বাজারে গেলে দেখা যায়, সেখানে প্রতি কেজি খোলা চিনি বিক্রি হয়েছে ১১৫-১২০ টাকায়। আর প্যাকেটজাত চিনি ব্র্যান্ডভেদে ১২০-১৪০ টাকা এবং দেশি মিলগুলোর আখের চিনি ১৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে।


এর মধ্যে আবার খুচরা বাজারে প্রায়ই দেখা যায় চিনির সংকট। ফলে দাম বাড়িয়ে বিক্রেতারা যে যার মতো বিক্রি করেন। বেশি দামে চিনি বিক্রি করতে যেন খুচরা বিক্রেতাদের সমস্যা না হয়, সেজন্য কিছু কোম্পানি তাদের প্যাকেটের গায়ে লেখা সর্বোচ্চ বিক্রয়মূল্য মুছে দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।


দেশে মূলত সিটি গ্রুপ তীর ব্র্যান্ডে, মেঘনা গ্রুপ ফ্রেশ ব্র্যান্ডে, আব্দুল মোনেম গ্রুপ ইগলু ব্র্যান্ডে বাজারজাত করে চিনি। এছাড়া টিকে গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ, দেশবন্ধু গ্রুপ চিনির বড় ব্যবসায়ী।


চিনির দামের বিষয়ে দেশবন্ধু গ্রুপের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা বলেন, চিনির শুল্ক প্রত্যাহার হলেও বিশ্ববাজারে দাম স্থিতিশীল নয়। তারপরও মিল থেকে চিনি সরকার নির্ধারিত দামে সরবরাহ করা হচ্ছে।


গোলাম মোস্তফা বলেন, মার্কেটিংয়ের সমস্যায় সেই সুফল ভোক্তারা পান না। ট্রেডারদের নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। তারা মিল থেকে নিয়ে মার্কেটে বেশি দামে বিক্রি করছে।


এদিকে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে তারা চিনি কিনতে পারছেন না। এ বিষয়ে পাইকারি চিনি ব্যবসায়ী ও মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা বলেন, ভ্যাট কমানোর পর মিল থেকে চিনির দাম কমেনি, উল্টো বেড়েছে। এখন সরকার নির্ধারিত দামে ডিও দিলেও আন্ডার ইনভয়েসে বাড়তি দাম নিচ্ছে।


তিনি বলেন, আমরা এ অভিযোগ সরকারের বিভিন্ন মহলে করেছি। কিন্তু কোনো প্রতিকার হয়নি। দাম বাড়ার জন্য কয়েকটি চিনিমিলের সিন্ডিকেট দায়ী।


বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব বলছে, দেশে বছরে চিনির চাহিদা ১৮-২০ লাখ টন। রোজায় এ চাহিদা আরও বেড়ে যায়। অথচ দেশে সব মিলিয়ে উৎপাদিত হয় মাত্র ৩০-৩৫ হাজার টন। শুধু রোজার মাসে চিনির চাহিদা বেড়ে দাঁড়ায় আড়াই থেকে তিন লাখ টন। দেশে উৎপাদন না থাকায় চাহিদার বড় অংশই জোগান দেওয়া হয় আমদানির মাধ্যমে।

আরও খবর
6a4bbd8883928-060726083656.webp
নবম পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন পরিকল্পনা

৪ দিন ১৩ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে