বয়স বাড়লে আমরা অনেক কিছুই ভুলে যেতে থাকি। কিন্তু এই ভুলে যাওয়া যখন গুরুতর আকার ধারণ করে এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে নানান রকম কৌশল ও চর্চার কথা বলা হয়। তবে শুধু অনুশীলনের মাধ্যমেই নয়, বিভিন্ন খাবারের উপাদানও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
শারীরিকভাবে সুস্থতার পাশাপাশি মানসিকভাবে সুস্থ থাকাও বেশ জরুরী। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কিছুটা সংযোজন বা বিয়োজন করলে, আপনার বুদ্ধি খুলবে এবং স্মৃতিশক্তিও আগের চেয়ে বাড়বে।
◾বাদাম : গবেষণা থেকে জানা যায় ভিটামিন ই স্মৃতিশক্তি হ্রাস ঠেকাতে সাহায্য করে, বিশেষ করে বৃদ্ধ বয়সে। বাদাম যেমন- কাঠবাদাম ও আখরোট ভিটামিন ‘ই’ এর ভালো উৎস। তাই বিকালের নাস্তার একটি অংশ হিসেবে বাদামকে বেছে নিতে পারেন।
◾ব্রকলি : ভিটামিন ই এর পাশাপাশি ভিটামিন কে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ব্রকলিতে ভিটামিন কে ভরপুর। এছাড়াও ব্রকলিতে রয়েছে গ্লুকোসিনোলেটস যা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে সঠিক কার্যকারিতা পরিচালনা করতে ও স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ণ রাখতে সাহায্য করে।
◾ডিম : শর্ট টাইম মেমরি অর্থাৎ স্বল্প সময়ে স্মৃতি উন্নয়নে ডিম ভীষণ উপকারী। ডিমের কুসুমে ‘কোলিন’ নামক পুষ্টি উপাদান থাকে যা কোষে সংকেত পৌঁছাতে সাহায্য করে।
◾পালং শাক : পালং শাকও ভিটামিন ই–এর ভাণ্ডার। রান্না করা আধ কাপ পালং শাকে দৈনিক চাহিদার ২৫% ভিটামিন ই থাকে যা আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
◾কুমড়ার বীজ : কুমড়ার বীজে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা শরীরের ফ্রি দ্রুত ক্ষয় থেকে রক্ষা করে। এ ছাড়া কুমড়ার বীজে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, জিংক, কপার যা স্নায়ু সংকেত ও স্মৃতিশক্তির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
◾সামুদ্রিক মাছ : মানব শরীরে অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিড উৎপন্ন হতে পারে না। তাই খাবারের মাধ্যমে তা গ্রহণ করতে হয়। তৈলাক্ত মাছ যেমন- স্যামন, সারডিন-সহ মিঠাপানি ও সামুদ্রিক মাছ থেকে অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিড গ্রহণ করতে পারেন। এ ছাড়াও গবেষণায় দেখা গেছে যে, যারা নিয়মিত মাছ খায় তাদের স্মৃতিশক্তি হ্রাসের গতি বয়সের তুলনায় অনেক কম। এরা ইপিএ এবং ডিএইচএ নামক ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ।
◾টমেটো : কয়েকটি গবেষণায় প্রমাণ পাওয়া গেছে, টমেটোতে লাইকোপেন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায় যা কোষের রেডিকল ক্ষয়ের বিরুদ্ধে কাজ করে। ফলে স্মৃতিভ্রংশ বা স্মৃতির অবক্ষয় হ্রাস পায়। তাই প্রতিদিন সালাদে টমেটো খান।
◾শস্যজাত খাবার : মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে গোটা-শস্য যেমন- ‘বাদামি’ শস্যদানা, রুটি, ভাত ও পাস্তা যা রক্তে ধীরে গ্লুকোজ সরবরাহ করে। ফলে সারাদিন আপনাকে মানসিকভাবে তীক্ষ্ণ ও দক্ষ রাখতে সহায়তা করে।
◾গ্রিন টি : গ্রিন টি শুধুমাত্র ওজন কমাতে সাহায্যই করে না বরং স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মস্তিষ্কে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে।
◾ডার্ক চকলেট : এই চকলেটে ৭০ শতাংশ কোকোয়া থাকে। এটা ধমনির কার্যকারিতা উন্নত করে মস্তিষ্ক ও স্মৃতিশক্তির কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। এ ছাড়া চকলেট মন মেজাজ ভালো রাখে, দুঃখ ভোলাতে সাহায্য করে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর।
১২ দিন ১৮ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
১৬ দিন ৭ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে
১৯ দিন ৬ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
২২ দিন ৭ ঘন্টা ২৭ মিনিট আগে
৩৪ দিন ১৯ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে
৪৪ দিন ১০ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
৪৮ দিন ২২ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
৬০ দিন ১৫ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে