চিলমারীতে "বিশ্ব শিক্ষক দিবস" পালিত ফুলের বদলে গাছের চারা দিয়ে এমপিকে সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা শিক্ষক দিবসে ছয়সূতী ইউনিয়ন হাই স্কুল এণ্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের আবেগঘন বার্তা অভয়নগরে ৪২০ টন সরকারি সার গায়েব: ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা শিক্ষার্থীকে মাদকে জড়ানোর অভিযোগ এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা তবুও অবহেলিত শ্যামনগরে স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্স অনুষ্ঠিত বিশ্ব শিক্ষক দিবসে নাঙ্গলকোটে র‍্যালি ও আলোচনা সভা শ্যামনগরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ শরীয়তপুরে মুদি দোকানে ২০ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ নোয়াখালীতে দুই হত্যাসহ ১১ মামলার আসামি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা রঞ্জুর বাড়িতে ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস: স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও গভীর সমবেদনা সৌদিতে থেকেও মিছিলের মামলায় আসামি ইলিয়াস চৌদ্দগ্রামে মাইক্রোবাসে মাদকের চালান: ৮৯ কেজি গাঁজা, ৬০ বোতল মদ জব্দ নিয়ামতপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত পীরগাছায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুটবল বিতরণ করলেন ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী জুয়েল রানা সরকারি জায়গায় বালু ফেলে দখল চেষ্টার অভিযোগ বিএনপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে পীরগাছায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন শিক্ষক ও শিক্ষায় প্রয়োজন সর্বোচ্চ বিনিয়োগ বাঘায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আব্দুল হামিদ (ভাসানী)এর সখ রেডিও শোনা

মোঃ ফরমান উল্লাহ ( Contributor )

প্রকাশের সময়: 20-05-2023 09:07:52 pm



◾মোঃ ফরমান উল্লাহ, ভ্রাম্যমান সংবাদদাতা: আমার কর্ম দায়িত্ব পালন করতে বিভিন্ন এলাকায় যেতে হয়। এসব এলাকায় গিয়ে বিভিন্ন রুচি বা সখের মানুষের সাথ পরিচয় হয়। তাদের সখ বা রুচি ভিন্ন ধরনের।


গত পরশু দিন গিয়েছিলাম সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর সাবেক ধর্মপাশা উপজেলার দক্ষিণ বংশী কুন্ডা ইউনিয়নের হামিদপুর চৌরাস্তা এলাকায়। প্রচন্ড রোদ, মাত্রাতিরক্ত গরম এবং রাস্তার বেহাল দশায় মোটরসাইলের ঝাকুনিতে শরীরে একটু ক্লান্তিভাব চলে আসে।


বিশ্রামের জন্য সাটার বন্ধ থাকা একটি দোকানের সামনে দাঁড়ালাম। দাঁড়াতেই হাতে রেডিও নিয়ে খালী গায়ে ৭০ উর্ধ্ব এক জন এসে জিজ্ঞাস করলেন বাপু আপনার বাড়ি কোথায়। আমি আমার পরিচয় দিলাম। তিনি দোকানের সাটার খুলে বসতে দিলেন। তাঁর নাম আব্দুল হামিদ(ভাসানী)। এলাকার লোকজন তাঁকে ভাসানী বলেই ডাকেন।


পেশায় তিনি কাঠমিস্ত্রী। নিজেই তিনি কাঠের ফার্নিচার তৈরী করে বিক্রি করেন। দোকানের নামকরণ করেছেন স্মার্ট ফার্নিচার। আমি জিজ্ঞাস করলাম তথ্য প্রযুক্তির আধুনিকতায় আপনি এখনও রেডিও শোনেন। তিনি বললেন ১৯৬৫ সাল থেকে তিনি নিয়মিত রেডিও শোনেন। রেডিও শোনতে তাঁর ভালো লাগে এবং এটার শখও বটে। 


কথায় কথা তিনি জানালেন মাঝে মাঝে লেখালেখি ও করেন। তাঁর বাড়িতে একটি মিনি লাইব্রেরী ও আছে। সেখানে তাঁর লেখা বিভিন্ন পান্ডলিপি সংরক্ষিত আছে। আমাকে তাঁর মিনি লাইব্রেরীটি দেখার দাওয়াত দিলেন। সময়ের স্বল্পতার জন্য মিনি লাইব্রেরীটি আমার দেখা হলো না। মিনি লাইব্রেরীটি না দেখার আক্ষেপ আমার রয়েই গেলো।


তিনি জানালেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারতে ক্যাম্পে গিয়ে ছিলেন ট্রেনিং নিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে। বয়স কম হওয়া ভারতীয় সেনা বাহিনির লোকজন তাকে ঘর মে চলে যা বলে বাড়িতে পাঠিয়ে দিলেন। যুদ্ধে আর অংশ গ্রহণ করা হলো না আব্দুল হামিদের। স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করতে না পারা যে কতটা আক্ষেপের তা আব্দুল হামিদের কথায় বুঝা গেল।


আমি ছবি তুলতে ইচ্ছা পোষণ করলে তিনি কোন প্রকার দ্বিধাদ্বন্ধ না করে রেডিওটি হাতে নিয়ে স্বাছন্দেই রাজি হয়ে গেলেন। আমিও একটি ছবি তুলে নিলাম।

আরও খবর