বিশ্বে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মানুষ, বাড়ছে শিল্প কল-কারখানা। একদিকে যেমন বাড়তি মানুষের জন্য আবাসন সৃষ্টি হচ্ছে তেমনি আবাসনের বিপরীতে উজাড় হচ্ছে গাছ। এতে করে বায়ুমন্ডলে বৃদ্ধি পাচ্ছে কার্বন ডাই অক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড সহ বিভিন্ন ক্ষতিকর গ্যাস। এতে করে ক্রমশ পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানব জাতির আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত পৃথিবী নামক গ্রহ আজ বৈশ্বিক উষ্ণায়ন (Global warming) এর ভয়ংকর থাবার সম্মুখিন।
আমাদের অনেকের ই জানা নেই এই বিষয় সম্পর্কে। চলুন জেনে নেই গ্লোবাল ওয়ার্মিং সম্পর্কে কিছু তথ্য-
গ্লোবাল ওয়ার্মিং আজ পৃথিবীর জন্য এক ব্যাধি। প্রতিদিন ই বাড়ছে মানুষ। এই মানুষের জন্য নতুন নতুন ঘর বাড়ি উঠছে। এদিকে কমছে কৃষি জমি। নিধন হচ্ছে উপকারী বিভিন্ন জাতের বৃক্ষ। বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান করতে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন শিল্প কারখানা। বিভিন্ন প্রকার ক্ষতিকর গ্যাস বায়ুমন্ডলে জমা হচ্ছে। সুর্য থেকে আসা রশ্মি বিকিরিত হয়ে বায়ুমন্ডলে জমা হচ্ছে। এতে করে বায়ুমন্ডলে তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়ছে। একেই আমরা বলি 'গ্লোবাল ওয়ার্মিং'।
এটি কি হুমকি?
আপনি যদি এই সমস্যার ভয়াবহতা জানেন তাহলে চিন্তায় ঘুম হারাম হয়ে যাবে! হাস্যকর মনে হলেও ব্যাপারটি সত্য। বিগত কয়েক দশক ধরে বিশ্বের তাপমাত্রা বেড়েছে ১-২ ডিগ্রি। বিজ্ঞানীরা ধারনা করছেন যদি এভাবে গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর প্রকটতা বজায় থাকে তাহলে আগামী ২০৫০ সাল নাগাদ তাপমাত্রা আরো কয়েক ডিগ্রি বাড়বে। এতে করে হিমালয়ের জমা বরফ ও এন্টার্কটিক মহাদেশের জমা বরফ গলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে বাংলাদেশের মতো নিচু সমুদ্র নিকটবর্তী দেশের এক-তৃতীয়াংশ পানির নিচে তলিয়ে যাবে। গৃহহীন হবে মানুষ। পরিবেশে সৃষ্টি হবে ভারসাম্যহীনতা। ইকোসিস্টেমে পড়বে ক্ষতিকর প্রভাব।
৫ দিন ৩ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে
৮ দিন ১২ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
১০ দিন ২০ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
১৩ দিন ২ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৩৩ দিন ৭ ঘন্টা ৮ মিনিট আগে
৪৩ দিন ৫ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
৪৮ দিন ৩ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
৫৯ দিন ১০ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে