◾ স্পোর্টস ডেস্ক
টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন বাংলার মেয়েরা। চার ম্যাচ থেকে আদায় করে নিয়েছিল ২০ গোল। পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন শক্তিশালী ভারতকেও গ্রুপ পর্বে হারিয়েছিলেন সাবিনারা। তখন থেকেই বাংলার ফুটবলপ্রেমীরা স্বপ্ন দেখছিল সাফের মুকুট উঠছে বাংলার মেয়েদের মাথায়। হয়েছেও তাই। স্বাগতিক নেপালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ।
কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে মেয়েদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল সোয়া ৫টায় স্বাগতিক নেপালের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। ২-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় সাবিনারা। দ্বিতীয়ার্ধে নেমে লিডে ফেরার প্রাণান্তকর চেষ্টা করে নেপাল। তবে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা মিলছিল না। ৫১ মিনিটে রাশমি কুমারি ঘিসিং সহজ সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি। বাম কর্নার থেকে আসা বলে মাথা ছোঁয়ালেও বল গোলপোস্টের দেখা পায়নি।
এরপর ৫৫ মিনিটে সুযোগ পায় বাংলাদেশ। কিন্তু কাজে লাগেনি।
পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলা রূপনা চাকমা আজও দারুণ খেলেছেন। নেপালের কয়েকটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দেন তিনি। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে ব্যথা পাওয়ার পরও যেভাবে দৃঢ়তার সঙ্গে গোলবার সামলেছেন তা আলাদা করে প্রশংসার দাবি রাখে।
ম্যাচজুড়ে গোলপোস্ট সামলে রাখলেও ৬৯ মিনিটে তার হাত ফাঁকি দিয়ে বাংলাদেশের জালে বল জড়ায় নেপাল। অবশ্য এর কয়েক মিনিট পরেই নিজের দ্বিতীয় গোল করেন কৃষ্ণা রানী সরকার। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ৩-১ গোলে। এই ফল নিয়েই শেষ হয় ম্যাচ।
ম্যাচের শুরুতে মাত্র ১৩ মিনিটে শামসুন্নাহারের দুর্দান্ত গোলে লিড নেয় বাংলাদেশ। এরপর লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করে নেপাল। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ হলেও এগিয়ে ছিল বাংলাদেশের মেয়েরাই। তবে ম্যাচের ২৫ মিনিটের পর নেপাল চাপে ফেলে টাইগ্রেসদের। কিন্তু সুবিধা করতে পারেনি তারা। ম্যাচের ৪১ মিনিটে শ্রীমতী কৃষ্ণা রানী সরকার করেন দলের দ্বিতীয় গোল।
সাবিনারা প্রথমার্ধের খেলা শেষ করেন ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে।
অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড সিরাত জাহান স্বপ্নাকে নামানো হবে কি না তা নিয়ে শঙ্কা ছিল। শঙ্কা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত তাকে নামানো হয় প্রথম একাদশে। কিন্তু কাদায় পড়ে ১০ মিনিটের মাথায় আবার ব্যথা পান। এরপর তাকে তুলে নেওয়া হয়। মাঠে নামানো হয় শামসুন্নাহার জুনিয়রকে। দলের প্রথম সাফল্য আসে তার পা থেকেই।
নারী ফুটবল দলের প্রধান কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন সেমিফাইনালের একাদশ অপরিবর্তিত রেখেই ফাইনালের দল সাজান।
যথারীতি গোলপোস্টে রূপনা চাকমা। তার সামনে চার ডিফেন্ডার আঁখি খাতুন, শিউলি আজিম, শামসুন্নাহার ও মাসুরা পারভীন। মাঝমাঠে মনিকা চাকমা ও মারিয়া মান্ডা। আক্রমণভাগে সাবিনা খাতুন, সানজিদা আক্তার, কৃষ্ণা রানী সরকার ও সিরাত জাহান স্বপ্না।
টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ফর্মে ছিল বাংলার মেয়েরা। চার ম্যাচ থেকে আদায় করে নিয়েছে ২০ গোল। বিপরীতে কোনো গোলই হজম করেনি সাবিনা, স্বপ্না, ঋতুপর্ণারা।
সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথমবারের মতো নতুন চ্যাম্পিয়ন পেল টুর্নামেন্টটি। চলতি আসর নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো মাঠে গড়ায় এ টুর্নামেন্ট। আগের পাঁচবার শিরোপার মালা গলায় পরেছিল ভারতের নারীরা।
৪ দিন ৯ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
৫ দিন ৯ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
৯ দিন ৬ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
১০ দিন ৬ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে
১০ দিন ৬ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে
১৪ দিন ১১ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
২১ দিন ২৩ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
২৪ দিন ১০ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে