◾মুনীরুল ইসলাম
বই মানুষের কথা বলার উত্তম বন্ধু। জ্ঞানার্জনের মাধ্যম। বই মানুষের মনের খোরাক জোগায়। বই পড়া ছাড়া মানুষ সত্যিকারার্থে সফল হতে পারে না। বই পড়লে মস্তিষ্ক চিন্তা করার খোরাক পায়, সৃজনশীলতা বাড়ে এবং জ্ঞানের ভান্ডার সমৃদ্ধ হয়। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ৬ হাজারের অধিক আয়াত নাজিল করেছেন। এর মধ্যে প্রথম নাজিলকৃত পাঁচ আয়াত হচ্ছে পড়া বা জ্ঞানার্জন সম্পর্কে। সুরা আলাকের সেই আয়াতগুলোর অর্থ হচ্ছে, ‘পড়ো তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন। তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন জমাট রক্ত থেকে। আর তোমার প্রভু অনেক সম্মানিত ও দানশীল। তিনি মানুষকে কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি মানুষকে এমন সব বিষয় শিক্ষা দিয়েছেন, যা সে জানত না।
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনের অন্তত ৯২ জায়গায় জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার প্রসঙ্গ এনেছেন। ‘আল-কোরআন’ শব্দটির একটি অর্থও ‘অধিক পঠিত’। পড়ার উৎসাহ দিয়ে আল্লাহ তাআলা কোরআনের আরেক জায়গায় বলেন, ‘যারা জানে আর যারা জানে না, তারা কি সমান হতে পারে?’ রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলমান নারী-পুরুষের জন্য ফরজ।’ (ইবনে মাজাহ)
পবিত্র কোরআনের প্রথম বাণী যেহেতু পড়ো, তাই প্রথমে পবিত্র কোরআন পাঠ করাই মুমিনের প্রধান কর্তব্য। আর মহানবী (সা.)-এর নির্দেশনা জানার জন্য পড়তে হবে হাদিসের বইগুলো। আর ইসলামের অন্যান্য জ্ঞান সম্পর্কে ধারণা পেতেও বই পড়ার বিকল্প নেই। এ ছাড়া মানবকল্যাণে জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখায় পাঠকদের বিচরণ করা উচিত।
লেখক: ইসলামবিষয়ক গবেষক
৪ দিন ৫ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
৪ দিন ২২ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
৫ দিন ৫৬ মিনিট আগে
৫ দিন ১০ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
৬ দিন ৮ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
৬ দিন ২২ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
৭ দিন ২০ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
১২ দিন ২০ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে