চিলমারীতে "বিশ্ব শিক্ষক দিবস" পালিত ফুলের বদলে গাছের চারা দিয়ে এমপিকে সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা শিক্ষক দিবসে ছয়সূতী ইউনিয়ন হাই স্কুল এণ্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের আবেগঘন বার্তা অভয়নগরে ৪২০ টন সরকারি সার গায়েব: ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা শিক্ষার্থীকে মাদকে জড়ানোর অভিযোগ এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা তবুও অবহেলিত শ্যামনগরে স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্স অনুষ্ঠিত বিশ্ব শিক্ষক দিবসে নাঙ্গলকোটে র‍্যালি ও আলোচনা সভা শ্যামনগরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ শরীয়তপুরে মুদি দোকানে ২০ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ নোয়াখালীতে দুই হত্যাসহ ১১ মামলার আসামি ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা রঞ্জুর বাড়িতে ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস: স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও গভীর সমবেদনা সৌদিতে থেকেও মিছিলের মামলায় আসামি ইলিয়াস চৌদ্দগ্রামে মাইক্রোবাসে মাদকের চালান: ৮৯ কেজি গাঁজা, ৬০ বোতল মদ জব্দ নিয়ামতপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত পীরগাছায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুটবল বিতরণ করলেন ইউপি সদস্য পদপ্রার্থী জুয়েল রানা সরকারি জায়গায় বালু ফেলে দখল চেষ্টার অভিযোগ বিএনপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে পীরগাছায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন শিক্ষক ও শিক্ষায় প্রয়োজন সর্বোচ্চ বিনিয়োগ বাঘায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ ঐতিহ্য মাছ ধরার "পলো

মোঃ ফরমান উল্লাহ ( Contributor )

প্রকাশের সময়: 17-11-2023 04:30:44 am




মোঃ ফরমান উল্লাহ, বিশেষ প্রতিনিধি
হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামীণ ঐতিহ্য মাছ ধরার"পলো"।প্রাচীণকালে মানুষ মাছ ধরতো পলো, জাল, কুঁচ,চায় ও আইড়া দিয়ে। এখন আর এগুলো দেখা যায় না। বর্তমানে মাছ ধরার জন্য কারেন্ট জাল, চায়না বাইর আবিস্কার হয়েছে।
কারেন্ট জাল ও চায়না বাইর এর ভেড়াজালে বিলুপ্তি হয়ে যাচ্ছ গ্রামের মাছ ধরার প্রধান মাধ্যম "পলো"। ৭০-৮০ দশকের দিকে শীত শুরু হওয়ার পূর্ব মুহুর্তে খাল-বিলের পানি কমে আসলে এলাকার মানুষ দল বেঁধে খাল-বিলে পলো দিয়ে মাছ ধরতো। গ্রামে এভাবে পলো দিয়ে মাছ ধরাকে পলো বাউয়া বা পলো বাইচ বলা হতো। এখন আর এগুলো চোখে পড়ে না।
কোন দিন কোন খাল বা বিলে পলো বাইচ হবে তা হাটের দিন বাজারে ঢোল পিঠিয়ে জানিয়ে দেওয়া হতো। ফলে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ দল বেঁধে পলো নিয়ে চলে আসতো ভোর বেলায়। কেউ কেউ আবার জাল নিয়েও নেমে পড়তো মাছ ধরার জন্য। কোন একজন বড় আকারের মাছ ধরতে পারলে সকলে মিলে সমসূরে চিৎকার দিতো। এই সমসূরে চিৎকারকে গ্রামের ভাষায় ডাক ভাঙ্গা বলা হত।
বর্তমানে কারেন্ট জাল এবং বিভিন্ন প্রকার আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে মাছ ধরার ফলে কমে গেছে প্রাকৃতিক মাছ। এখন খালে-বিলে আগের মত দেশীয় মাছ পাওয়া যায় না। আর দল বেঁধে পলো বাইচও হয় না। আমরা ছোট সময় দেখছি গ্রামের প্রতিটি ঘরে মাছ ধরার পলো,জাল, ছায়, কুঁচ আইড়া ইত্যাদি যন্ত্র পাতি থাকতো। এখন আর এগুলো দেখা যায় না।
গত কয়েক দিন আগে দল বেঁধে পলো দিয়ে মাছ ধরতে যাওয়ার দৃশ্য দেখা যায় নেত্রকোণা জেলার বারহাট্টা উপজেলার তেঘরিয়া বাজার সংলগ্ন বিলে।  হাজার হাজার মানুষ ভোরে পলো, জাল নিয়ে তেঘরিয়া বিলে মাছ ধরতে আসছে। হঠাৎ দেখলে মনে হবে মানুষ কোন যুদ্ধে যাচ্ছে। লাঠির আগায় পলো ঝুলিয়ে কাঁধে করে নিয়ে চলছে কার আগে কে যাবে। এ যেন কোন যুদ্ধ জয়ের লড়াই।
Tag
আরও খবর