ধর্মপাশা বজ্রপাতে দুইজন নিহত লাখাই রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতির ইচ্ছামত পরিচালনায় সদস্যগনের গন পদত্যাগ। লাখাইয়ে হাম নিয়ে জনসচেনতা ও সতর্কতামূলক প্রচারাভিযানে পথশিশু নিকেতন ফাউন্ডেশন। নাগেশ্বরীতে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রকে বলাৎকার : শিক্ষক ওমর ফারুক পলাতক শহরের বেজপাড়ায় ডিবি’র হানা: ৮০ পিস ইয়াবাসহ ‘ববি’ গ্রেপ্তার হেফাজতে নিয়ে মধ্যযুগীয় নির্যাতনের অভিযোগ, ডিবির ওসি আরিফসহ দুই কনস্টেবলকে প্রত্যাহার সাতক্ষীরায় আইন সচেতনতা কর্মশালা ৪০৯ বোতল ফেন্সিডিল পাচারকালে দুইজন আটক ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বাতিলের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর বাড়ির আঙিনায় সবুজ সাফল্য: জাতীয় ফল কাঠালে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে শিবচর দীর্ঘ নজরদারির পর গ্রেপ্তার মাদক ব্যবসায়ী গলাচিপায় ছিঁড়ে পড়া বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হয়ে গ্রামীণ ব্যাংক কর্মকর্তার মৃত্যু জীবন সংগ্রামে জিততে চায় জুয়েল শিবচরে কবিদের মিলনমেলা, নতুন প্রজন্মে সংস্কৃতির বার্তা নাগরিক সমস্যায় দ্রুত পদক্ষেপ চায় কমিটি ঝিনাইগাতীতে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আদমদীঘিতে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসুচীর উদ্বোধন রায়পুরে ৩৫০ লিটার জ্বালানি তেল জব্দ যশোরে ট্রাকের বডিতে ঝালাইয়ের সময় প্রাণ গেল মিস্ত্রির অসুস্থতা সইতে না পেরে বৃদ্ধের বিষপান, হাসপাতালে মৃত্যু

একটি ভোটও পাননি আওয়ামী লীগ নেতা হানিফ উদ্দিন

জামালপুর জেলা পরিষদের সদস্য পদে নির্বাচনে অংশ নেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মো. হানিফ উদ্দিন। নির্বাচনে তার প্রতীক ছিল তালা। সোমবার (১৭ অক্টোবর) জেলার ইসলামপুরে ফরিদুল হক খান দুলাল অডিটোরিয়ামের পৃথক দুইটি বুথে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। ১৬৯ ভোটারে মধ্যে মাত্র ২জন ভোটার ছাড়া সবাই ভোট প্রদান করেছেন।  তবে, ভোট গণনার পর ঘোষিত ফলে দেখা যায়, একটি ভোটও পাননি হানিফ উদ্দিন।  এ নিয়ে চলছে আলোচনার ঝড়। সবার প্রশ্ন, তবে কি ইউনিয়নের হানিফ উদ্দিনের নিজের ওয়ার্ডের মেম্বারও ভোট দেননি তাঁকে। তবে ভোট পুনরায় গণনার দাবি, প্রার্থী হানিফ উদ্দিনের।

হানিফ উদ্দিনসহ জেলা পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ইসলামপুর উপজেলায় সদস্য পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৭ প্রার্থী। 

হানিফ উদ্দিন ইসলামপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি এর আগে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে দুইবার পরাজিত বরণ করেন।

হানিফ উদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মজিবুর রহমান শাজাহন অটোরিকশা প্রতীকে ৬৩ ভোট পেয়ে বিজয় হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. আব্দুর রাজ্জাক সরদার টিউবওয়েল প্রতীকে ৪৮ ভোট 

ওয়ারেজ আলী বৈদ্যুতিক পাকা প্রতীকে ৩৩ ভোট, জিয়াউল উটপাখি প্রতীকে ১ ভোট, আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল হাতি প্রতীকে ২৩ ভোট এবং ফারুক ইকবাল হিরু ক্রিকেট ব্যাট প্রতীকে ১ ভোট পান। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতীক পাওয়ার পর বিজয়ী হতে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে প্রচারণাও চালান হানিফ উদ্দিন। অন্য প্রার্থীদের মতো দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে প্রতীক ও প্রার্থীর প্রচারণা। পোস্টার লাগানো হয় ওয়ার্ডের সর্বত্রই। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন তিনি। সোমবার ভোট গণনা করে দেখা যায়, হানিফ উদ্দিন একটি ভোটও পাননি।

তাহলে তিনি, তাঁর আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, কর্মী-সমর্থক কেউই কি তাকে ভোট দেয়নি। এ নিয়ে বিস্তর আলোচনার সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে- প্রার্থীর নিজ ইউপির ওয়ার্ডে মেম্বারের ভোটটি গেলো কোথায়?

প্রার্থী হানিফ উদ্দিন বলেন, 'একটি ভোটও না পাওয়ায় আমি মর্মাহত। অপ্রত্যাশিত এ ফলাফল শোনার পর আমি মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে গেছি। লজ্জায় বাইরে যেতে মন চায় না। নিজেকে বুঝাতে পারছি না।'

তিনি আরও বলেন, যদি কর্মী-সমর্থকরা আমাকে ধোঁকা দেয় তার পরও আমাকে আত্মীয়-স্বজনরা ভোট দিলে কমপক্ষে ২৫-২০টি ভোট পাওয়ার কথা। সেখানে শূন্য ভোট হয় কীভাবে। আমি এটা মেনে নিতে পাছি না। আমি ভোট পুনর্গণনার দাবি করেছি।'

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুক্তার হোসেন জানান, 'আমরা ভোট পুনর্গণনার বিষয়ে কোনো আবেদন পায়নি।'

আরও খবর