‎মোংলা-রামপাল (বাগেরহাট-৩)বেসরকারি ভাবে লায়ন ফরিদ নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনে বিজয়ী ড. আবদুল মঈন খান রাজশাহী ৬ (বাঘা চারঘাট) আসনে বিএনপি প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদ বিজয়ী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর ৬টি আসনে পাঁচটিতেই জামায়াত ও একটি আসনে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী কচুয়ায় ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বেসরকারি ভাবে বিজয়ী চট্টগ্রাম-৭ আসনে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হুমাম কাদের চৌধুরী চট্টগ্রাম ১৫ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী জয়ী। গণনার শেষ মুহূর্তে চমক, প্রবাসী ভোটেই বদলে গেল মাদারীপুর-১ এর ফল জয়পুরহাট ১ আসনে জামায়াত, অপরটিতে বিএনপির বিজয়ী যশোর-২ আসনে বড় জয় ডা. মুসলেহ উদ্দিনের, পরাজিত সাবিরা মুন্নি বাঘারপাড়া-অভয়নগর-বসুন্দিয়ায় ধানের শীষকে পেছনে ফেলে 'দাঁড়িপাল্লার' জয়জয়কার শার্শায় ধানের শীষকে হারিয়ে জয়ী ‘দাঁড়িপাল্লা’: ২৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে আজিজুর রহমান বিজয়ী কেশবপুরে ‘দাঁড়িপাল্লার’ জয়জয়কার: ধানের শীষকে পেছনে ফেলে বিজয়ী অধ্যাপক মুক্তার আলী যশোর-৩ আসনে অনিন্দ্য অমিতের জয়: নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আব্দুল কাদেরের সাথে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই খাগড়াছড়িতে বেসরকারিভাবে ওয়াদুদ ভূইয়া বিজয়ী মণিরামপুরের রায়: ধানের শীষ-স্বতন্ত্রকে পেছনে ফেলে বিজয়ী গাজী এনামুল হক নোয়াখালীতে ৩জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারকে অব্যাহতি ধামরাইয়ে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৬ হাজার ৬৩৯, ভোট কেন্দ্র ১৪৭ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্বাচনে নোয়াখালীর হাতিয়াতে হামলায় সাংবাদিকসহ আহত ৩০

চার পণ্যে শুল্ক ছাড় দিয়ে এনবিআরের প্রজ্ঞাপন

স্টাফ রিপোর্টার - প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 08-02-2024 08:01:06 am

আসন্ন পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষ্যে চাল, তেল, চিনি ও খেজুরের ওপর শুল্ক-কর ছাড় দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।


বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম সই করা পৃথক চারটি আদেশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।


এনবিআর চেয়ারম্যানের সই করা আদেশে বলা হয়, পরিশোধিত সয়াবিন তেল, অপরিশোধিত সয়াবিন তেল, অপরিশোধিত পাম তেল ও পরিশোধিত পাম তেলে আমদানি পর্যায়ে আরোপিত মূল্য সংযোজন কর ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।


এর আগে ২৯ জানুয়ারি রমজান মাসে বাজার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ভোজ্যতেল, চিনি, খেজুর ও চাল আমদানিতে শুল্কহার কমানোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


ভোজ্যতেল, চিনি ও খেজুরের ওপর শুল্ক-কর কমাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। রবিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে নিত্যপণ্যের সরবরাহ, মজুত ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা সভায় এসব পণ্যে শুল্ক-কর কমানোর সিদ্ধান্ত হয়।


বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া চিঠিতে ভোজ্যতেলে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) কমানো এবং চিনিতে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (আরডি) প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া শুল্ক-কর কমানোর অনুরোধ করা হয়েছে খেজুরের ওপর।


চিনি আমদানিতে বর্তমানে পাঁচ ধরনের শুল্ক-কর রয়েছে। প্রতি টন অপরিশোধিত চিনিতে আগে আমদানি শুল্ক ছিল নির্ধারিত ৩ হাজার টাকা। গত নভেম্বরে তা কমিয়ে অর্ধেক, অর্থাৎ ১ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়। এর বাইরে অপরিশোধিত চিনি আমদানিতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট, ২ শতাংশ অগ্রিম আয়কর (এআইটি), ৩ শতাংশ অগ্রিম কর (এটি) এবং ৩০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক (আরডি) রয়েছে।


পরিশোধিত চিনিতে বর্তমানে আমদানি শুল্ক নির্ধারিত ৩ হাজার টাকা, ভ্যাট ১৫ শতাংশ, এআইটি ৫ শতাংশ, এটি ৫ শতাংশ এবং আরডি রয়েছে ৩০ শতাংশ। দুই ধরনের চিনিতে এ শুল্ক–কর কাঠামো ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর রয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এই দুই ধরনের চিনি আমদানিতেই ৩০ শতাংশ আরডি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছে এনবিআরকে।


বর্তমানে বছরে ২০ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে ২ লাখ টন স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয়। বাকি ১৮ লাখ টন আমদানি করতে হয়। ভোজ্যতেল আমদানির ওপর বর্তমানে ভ্যাট রয়েছে ১৫ শতাংশ। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এনবিআরকে এই ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার অনুরোধ করেছে।


ভোজ্যতেলের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সয়াবিন ও পাম তেলের ওপর ২০২২ ও ২০২৩ সালজুড়ে কয়েক দফায় ভ্যাট ছাড় দিয়েছে সরকার। সর্বশেষ ভ্যাট–ছাড় সুবিধা ছিল গত বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। আমদানি পর্যায়ে শুধু ৫ শতাংশ ভ্যাট ছিল। এরপর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ছাড়–সুবিধা বহাল রাখার অনুরোধ জানালেও এনবিআর আর তা মানেনি। এর ফলে বর্তমানে ভ্যাট ১৫ শতাংশই রয়েছে।


চলতি অর্থবছরে খেজুরের ওপর বেশি শুল্ক-কর আরোপ করা হয় বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে আসছিলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবার তা কিছুটা আমলে নিচ্ছে। বছরে প্রায় ৫০ হাজার টন খেজুরের চাহিদা রয়েছে, যার পুরোটা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে আমদানি করা হয়। খেজুরের মানও বিভিন্ন ধরনের। বর্তমানে খেজুরে আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ। এ ছাড়া ১৫ শতাংশ ভ্যাট, ৫ শতাংশ এআইটি, ৫ শতাংশ এটি এবং ৩ শতাংশ আরডি রয়েছে।


বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এনবিআরকে জানিয়েছে, তুলনামূলক কম দামের খেজুরে যেন শুল্ক ছাড় দেওয়া হয়।

আরও খবর