মারুফ মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে আন্তঃশ্রেণি বিতর্ক প্রতিযোগিতা ধর্ষণ-হত্যার শিকার রামিসার জন্য ন্যায়বিচার দাবিতে গোয়ালন্দে মানববন্ধন মধুপুর পীরগাছা ডাকঘর এখন ভুতুড়ে বাড়ি-দীর্ঘদিন যাবৎ ধরে বন্ধ: আধুনিক যুগেও অন্ধকারে কয়েক হাজার মানুষ বরিশাল ২৫ নং ওয়ার্ডে একাধিক নেতা কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ পীরগাছা সদর ইউনিয়নের ৬ ওয়ার্ডের জামায়াত মনোনীত ইউপি সদস্যদের নাম ঘোষণা বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী চরবংশী জয়নালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ফারুক আহমদ পিরোজপুরে শহীদ জিয়ার আগমন দিবস উপলক্ষে জেলা পরিষদের মতবিনিময় ও দোয়া সভা ফেনী ইউনিভার্সিটিতে পুরকৌশল বিভাগের থিসিস ডিফেন্স সম্পন্ন চৌদ্দগ্রাম পরোয়ানাভুক্ত আসামী যুবলীগ নেতা কাজী এমদাদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ রাজবাড়ীতে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে ইজিবাইক ছিনতাইয়ের চেষ্টা ব্যর্থ, সাহসিকতায় চালককে পুরস্কৃত করলেন এসপি বকশীগঞ্জে বরাদ্দের অর্ধেক ভিজিএফ কার্ড বিএনপি নেতাদের কব্জায় নাগেশ্বরীতে কচাকাটা কলেজ গভর্নিং বডির নতুন সভাপতি ডা. ইউনুছ আলী ভুমিসেবা সপ্তাহে সাতক্ষীরায় জনসেবার নতুন দিগন্ত লাখাইয়ের বাজারে কেমিক্যালযুক্ত গ্রীষ্মকালীন ফল, রয়েছে স্বাস্থ্যঝুকি। আশাশুনিতে প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারে আকস্মিক বন্যা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, ক্ষতিপূরণ প্রদানসহ বিভিন্ন দাবিতে হাওর রক্ষা আন্দোলনের মানববন্ধন ও কৃষক প্রতিবাদ সমাবেশ বাজার ইজারা না পেয়ে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ নোবিপ্রবিতে হলের দেয়ালে আপত্তিকর চিত্র, অতঃপর

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এশিয়া: জাতিসংঘ

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 24-04-2024 10:41:06 am

আবহাওয়া, জলবায়ু ও পানিজনিত ঝুঁকির কারণে ২০২৩ সালে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চল হয়ে উঠেছে এশিয়া। সম্প্রতি এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশ ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়ার প্রেক্ষাপটে এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।


মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) জাতিসংঘের বৈশ্বিক আবহাওয়া ও জলবায়ু নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা ওয়ার্ল্ড মেটেরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএমও) নতুন এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।


প্রতিবেদনে ডব্লিউএমও জানিয়েছে, ২০২৩ সালে এশিয়ায় প্রাণহানি ও অর্থনৈতিক ক্ষতির প্রধান কারণ ছিল বন্যা ও ঝড়। অন্যদিকে তাপপ্রবাহের প্রভাব আরও তীব্র হয়েছে।


ডব্লিউএমও’র মতে, অন্যান্য মহাদেশের চেয়ে এশিয়ায় বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব পড়েছে বেশি। এ কারণে এই মহাদেশের তাপমাত্রাও বাড়ছে। ১৯৯১ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে এশিয়ার গড় তাপমাত্রা বেড়েছে ১ দশমিক ৮৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এমনকি ২০২০ সালের তুলনায় গত বছর এশিয়ার গড় তাপমাত্রা ছিল দশমিক ৯১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি।


গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে টানা ও দীর্ঘ তাপপ্রবাহে এক দিকে এশিয়ার পার্বত্য অঞ্চলের হিমবাহগুলো গলে যাচ্ছে, অন্য দিকে জলাশয়গুলো শুকিয়ে যাচ্ছে- যা অদূর ভবিষ্যতে এই অঞ্চলের পানির নিরাপত্তা ক্ষেত্রে ব্যাপক সংকট সৃষ্টি করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ডব্লিউএমও’র প্রতিবেদনে।


মঙ্গলবার প্রতিবেদন প্রকাশের পর এক বিবৃতিতে ডব্লিউএমওর শীর্ষ নির্বাহী কেলেস্টে সাউলো বলেন, এশিয়ার অধিকাংশ দেশের ইতিহাসে ২০২৩ সাল ছিল উষ্ণতম বছর। বিশ্বে খরা, তাপপ্রবাহ, ঝড়, বন্যার মতো যত বিপর্যয় ঘটেছে, সেসবের অধিকাংশই ঘটেছে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে। জলবায়ু পরিবর্তনের গভীর প্রভাব ইতোমধ্যে জনজীবন ও পরিবেশের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সমাজ ব্যবস্থা, অর্থনীতিতেও পরিলক্ষিত হচ্ছে। যদি তাপমাত্রা বৃদ্ধি, হিমবাহ গলে যাওয়া এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে এই প্রভাব আরও ব্যাপক হবে।


ডব্লিউেএমও’র তথ্য অনুয়ায়ী, তাপমাত্রা বাড়ছে সাইবেরিয়া থেকে মধ্য এশিয়া, পূর্ব চীন থেকে জাপান পর্যন্ত। জাপানের ইতিহাসে উষ্ণতম বছর ছিল ২০২৩ সাল। একই সঙ্গে এ সময় প্রশান্ত মহাসাগরের উত্তর পশ্চিমাঞ্চল অর্থাৎ এশীয় অংশের তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ।


গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির জেরে এশিয়ার হিমালয় পবর্তমালা এবং এই পর্বতমালার হিন্দুকুশ ও তিব্বত রেঞ্জের ২২টি হিমবাহের মধ্যে অন্তত ২০টির বরফের মজুত ২০২৩ সালে ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।


তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি জলসৃষ্ট দুর্যোগও মোকাবিলা করতে হচ্ছে এশিয়াকে। ২০২৩ সালে এশিয়ায় বড় আকারের ঝড়, বন্যা ও তুমুল বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে অন্তত ৭৯টি। এতে প্রাণ হারিয়েছেন ২ হাজারেরও বেশি মানুষ এবং সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অন্তত ৯০ লাখ।


জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় এশিয়ার দেশগুলোর আবহাওয়া কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ এবং গ্রীন হাউস গ্যাসের নির্গমণ হ্রাসে জোর দেওয়া হয়েছে ডব্লিউএমওর প্রতিবেদনে।


এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, আবহাওয়া কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি কমাতে খানিকটা হলেও সহায়তা করবে। তবে গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমণ কমানোর কোনো বিকল্প নেই। এই মুহূর্তে গ্রিন হাউস গ্যাসের নির্গমণ হ্রাস কেবল একটি বিকল্প নয়, বরং জরুরি কর্তব্য।


সূত্র: এএফপি

আরও খবর