মানুষ মাত্রই ভুল করতে পারেন। কিন্তু আমাদের উচিত ভুল প্রকাশ পাওয়ামাত্রই আন্তরিকভাবে ক্ষমা চেয়ে দুঃখ প্রকাশ করা। এটাই ইসলামের শিক্ষা। ভুল করার পর সেই ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা বুদ্ধিমানের কাজ, জ্ঞানীর স্বভাব। ঠিক তেমনি একটি উত্তম ও প্রশংসনীয় স্বভাব ও অভ্যাস হলো, কোনো উপকারীর প্রতি বিনম্রচিত্তে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। বলা হয়, যে মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ নয়, সে আল্লাহর প্রতিও কৃতজ্ঞ নয়।
কৃতজ্ঞতার বিষয়ে অনেক সুন্দর শিক্ষা হাদিস শরিফে আছে। যেখানে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) উম্মতকে এ বিষয়ে শিক্ষা দিয়েছেন। ইরশাদ হচ্ছে, উসামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, তোমার প্রতি যদি কেউ কৃতজ্ঞতার আচরণ করে তখন যদি তুমি তাকে ‘জাযাকাল্লাহু খাইরান’ বলো, তাহলে তুমি তার যথাযোগ্য প্রশংসা করলে।
অন্য আরেক হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কেউ যদি তোমাদের সঙ্গে কৃতজ্ঞতার আচরণ করে তাহলে তোমরাও তার সঙ্গে কৃতজ্ঞতার আচরণ করো (তাকে কিছু উপহার দাও), যদি কিছু দিতে না পারো, অন্তত তার জন্য দোয়া করো। যাতে সে বুঝতে পারে যে, তুমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ। (আবু দাউদ)
হাদিসে বর্ণিত ‘জাযাকাল্লাহু খায়রান’ শব্দের অর্থ হলো, আল্লাহ আপনাকে উত্তম বিনিময় দান করুন। এই শব্দের কাছাকাছি আরেকটি শব্দ হলো ‘শুকরান’। এর অর্থ আপনার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। ধন্যবাদ বাংলা শব্দ। এটা প্রশংসাবাদ, সাধুবাদ বা কৃতজ্ঞতাজ্ঞাপক উক্তি। আর ‘থ্যাংক ইউ’ ইংরেজি শব্দ। এর অর্থ আপনাকে ধন্যবাদ, আপনার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
উল্লিখিত শব্দগুলোর মধ্যে কোনটা আরবি, বাংলা বা ইংরেজি, সেদিকে না তাকিয়ে শুধু এ শব্দগুলোর অর্থের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, ‘জাযাকাল্লাহু খায়রান’ বাক্যটি সবচেয়ে সারগর্ভ। কারণ এতে শুধু কৃতজ্ঞতা প্রকাশ নয়, বরং উপকারীর জন্য কল্যাণের প্রার্থনাও আছে।
আর যদি বলা হয়, ‘জাযাকাল্লাহু খায়রান ফিদ্দারাইন’ তথা আল্লাহ দুনিয়া ও আখেরাতে আপনাকে উত্তম বিনিময় দান করুন। তাহলে তো সোনায় সোহাগা। কেউ ‘জাযাকাল্লাহু’ বললে উত্তরে ‘ওয়া ইয়্যাকা’ বা ‘ওয়া ইয়্যাকুম’ বলা যায়। অর্থাৎ আল্লাহ আপনাকেও দান করুন।
৫ দিন ১২ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে
৬ দিন ৫ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
৬ দিন ৭ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
৬ দিন ১৭ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে
৭ দিন ১৪ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৮ দিন ৫ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে
৯ দিন ৩ ঘন্টা ১৩ মিনিট আগে
১৪ দিন ৩ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে