সিংড়ায় স্বামীর থাপ্পড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ সিংড়ায় স্বামীর থাপ্পড়ে স্ত্রীর মৃত্যুর অভিযোগ জয়পুরহাটে হত্যা মামলার ২৩ বছর পর মোজাম নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড শ্যামনগরে দলিত জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে মতবিনিময় সভা মারকাজুত তাহফিজ মাদ্রাসার ১৮ সংবর্ধিত হাফেজকে নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণের ঘোষণা, এক বছরে হিফজ সম্পন্নকারীদের চট্টগ্রাম-কক্সবাজার বিমানে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ঝিনাইগাতীর সীডস প্রকল্পের সিবিও নেতৃবৃন্দের দেওয়ানগঞ্জে সিএসএ কার্যক্রম পরিদর্শন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় জাবিপ্রবির সার্বিক উন্নয়নে রাষ্ট্রপতির সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস আশাশুনির গুনাকরকাটিতে বিয়ের ধোঁকায় পড়ে স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা সবজি আনতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্টে নারীর মৃত্যু, মেয়ে আহত শেরপুরের সীডস কর্মসূচির আয়োজনে জামালপুরের উন্নয়ন সংঘে সফর ও মতবিনিময় সভা শ্রীবরদী কারিতাস সিডস প্রজেক্টের উদ্যোগে উন্নয়ন সংঘ, দেওয়ানগঞ্জ সিবিও ভিত্তিক ক্রস লার্নিং ভিজিট অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে ধান ক্ষেত থেকে নিখোঁজ ব্যাক্তির মরদেহ উদ্ধার বাগআঁচড়ায় আরডিআর এসের নতুন শাখা উদ্বোধন ও ঋণ বিতরণ দৌলতদিয়ার পুরাভিটায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের উদ্যোগ, জমি পরিমাপ শুরু বহুলী ইউনিয়নকে আধুনিক ও জনবান্ধব সেবাকেন্দ্রে রূপান্তরের অঙ্গীকার—এস এম রঞ্জু সুন্দরবনের বাঘের আতঙ্কে নির্ঘুম তিন গ্রামের মানুষ বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম ইসলামপুরের পাথর্শী ইউনিয়ন বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত ঝটিকা মিছিল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

গ্রাম বাংলার অন্যতম ঐতিহ্য- টং চা এর দোকান


 আমরা আমাদের আশেপাশে তাকালেই অনেক টঙের দোকান দেখতে পাই। মূলত এই দোকানগুলোতে জায়গা কম থাকায় ছোট্ট একটি ঘর করে এই দোকানটি বানানো হয়। এই দোকান ঘরে খুব বেশি হলে দুই থেকে তিনজন মানুষ অবস্থান করতে পারে । আর দোকানের সামনের অংশে ক্রেতাদের বসার জন্য বেঞ্চ ফেলে রাখা হয়। অতি অল্প জায়গায় বসানো হয়ে থাকে এই দোকান ঘরগুলো। অতি অল্প পুঁজি নিয়ে টঙের দোকানের মালিকেরা ব্যবসা শুরু করে থাকে। টং এর দোকানের লোকদের সাথে কথা বলে এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় যে তারা খুব কম পুঁজি নিয়ে এই ব্যবসায় নেমেছে। টংয়ের দোকানের মালিকের পুঁজি যেমন কম তেমনি দৈনিক আয়- রোজগারও তুলনামূলক কম।টঙের দোকানে যে জিনিসটি মূল টার্গেট নিয়ে বিক্রি করা হয় সেটি হল চা। তবে দোকানে বিভিন্ন রকমের চাওয়া পাওয়া গিয়ে থাকে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো দুধ চা, লাল চা,কালোজিরা চা, মালাই চা, তেতুল চা, মরিচ চা সহ আরো বিভিন্ন ধরনের চা।সাধারণত আমি কোনো টঙের দোকানে গেলে সেখানে আদা দিয়ে লাল চা বেশী পান করে থাকি। তবে মাঝে মাঝে পছন্দ করি দুধ চা। এই বিভিন্ন ধরনের চায়ের দামেও ভিন্নতা রয়েছে। যেমন বর্তমান বাজার মূল্য হিসেবে দুধ চায়ের মূল্য ১০ টাকা করে, লাল চা ৫ টাকা করে, মালাই চা ১৫ টাকা করে। সন্ধ্যার পর এই টঙের দোকানে ভীড় হয় সবচেয়ে বেশি। নানা পেশা, বয়স এবং ধর্মের মানুষ গিয়ে সেখানে একত্রিত হয়ে চা পান করে। এই টঙের দোকান তখন হয়ে যায় একটি রমরমা গল্পের আসর। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এখানে কথা বলা হয় সন্ধ্যার পর। রাজনৈতিক বিষয় থেকে শুরু করে দেশের সার্বিক অবস্থা এই দোকান ঘরের সামনে বসেই চা পান করতে করতে আলোচনা করা হয়।টঙের দোকানে চা ছাড়াও আরো বিভিন্ন পন্য কিনতে পাওয়া যায়। তবে সকল পণ্যই খাদ্য জাতীয় হয়ে থাকে। চায়ের পাশাপাশি ধূমপানের জন্য সিগারেটও বিক্রি হয়ে থাকে এই দোকানে। তাছাড়া এই দোকানে থাকে বিভিন্ন ধরনের বিস্কিট, রুটি এবং কেক। অনেকেই চায়ের সাথে কেক বা রুটি খেয়ে সকালের নাস্তা কিংবা রাতের খাবারের চাহিদা পূরণ করে নেয়। আবার পাওয়া যায় কলা। অনেকেই কলা রুটি খেয়ে তারপর এক কাপ চা পান করে বাসায় ফিরেন।


Tag
আরও খবর