কচুয়ায় ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ ০৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আশাশুনিতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা উদ্বোধন লাখাইয়ে তীব্র লোডশেডিংয়ে নষ্ট হচ্ছে ফ্রিজের মাছ-মাংস,অকেজো হচ্ছে ইলেকট্রিক পণ্য। ‎সুন্দরবনে ঢুকতে বনজীবিদের সংশয় ঝিনাইগাতীতে গুরু-শিষ্য প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ ও কর্মসংস্থানের উপকরণ বিতরণ ঝড়ে পড়া শিশু হবে শূণ্য কোটায়-- ্শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বাঘায় নজরুল বর্ষের উদ্বোধন, শিক্ষার্থীদের নজরুল বিষয়ক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা শুরু চন্দনাইশে ডাকাতি করে লুট প্রায় ৬০ লাখ টাকার মালামাল পটিয়ায় সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৭টি ধারায় মামলা, তদন্ত চলছে তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসায় আলিম ১ম বর্ষে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ঈশ্বরগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে শ্রবণ উপকরণ বিতরণ তৃতীয় টার্মিনাল চালু করতে ৯০২ কোটি টাকা প্রয়োজন: সংসদে বিমানমন্ত্রী স্থানীয় ভোট: আজ চুড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি বগুড়ার আদমদীঘিতে বিধবা নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ হোসেনপুরে বরের গাড়ী থেকে নববধু ছিনতাই যশোরে ২৭ হাজার ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক নোয়াখালীর সেনবাগের গোরকাটা বহুমুখী সমবায় সমিতি মার্কেট ভবনের উদ্বোধন সেনবাগের ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষার্থী-অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত শিক্ষার পরিবেশ ও গুণগত মান উন্নয়নে বাতাকান্দিতে মতবিনিময় সন্ত্রাস বিরোধী মামলায় কচুয়ার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিন গ্রেফতার

অভয়নগরে খেজুরের গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন গাছিরা।

ঐতিহ্যবাহী যশোরে জেলার বিভিন্ন এলাকার মতো অভয়নগরেও ধুম পড়েছে খেজুর পরিচর্যার।

 বছর ঘুরে শরৎ ঋতুকে বিদায় দিয়ে হেমন্তকে বরণ করেছে প্রকৃতি। এখন রাতের শেষে কুয়াশা জানান দিচ্ছে শীতের আগমন বার্তা। খেজুরের গুড়ের জন্য প্রসিদ্ধ ঐতিহ্যবাহী যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার প্রতিটি গ্রামে গ্রামে খেজুরের রস সংগ্রের জন্য গাছিরা খেজুর গাছ কাটার কাজে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। কাক ডাকা ভোরে রস সংগ্রহ ও সন্ধায় চলছে গাছ পরিচর্যার কার্যক্রম। আর মাত্র কয়েক দিন পর রস সংগ্রহ করে রস থেকে নালি গুড় তৈরির পর্ব শুরু হয়ে চলবে প্রায় মাঘ মাস পর্যন্ত। খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রের প্রস্তুতি উপজেলার প্রতিটি গ্রামে চোখে পড়ছে।

 তা আবার চাহিদা তুলনায় অত্যন্ত কম। তার পরও যে রস ,গুড় ও পাটারী তৈরি হয় তা দিয়ে শীত মৌসুমে রীতিমত কাড়াকাড়ি শুরু হয়। সময়ের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম বাংলার প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী খেজুরের গুড়। কিছুদিন আগেও বিভিন্ন এলাকার ক্ষেতের আইলে, রাস্তার দুই ধারে ও ঝোপ-ঝাড়ে ছিল অসংখ্য খেজুর গাছ। কোন পরিচর্যা ছাড়াই অনেকটা প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে উঠতো এসব খেজুর গাছ। প্রতিটি পরিবারের চাহিদা পূরণ করে অতিরিক্ত রস দিয়ে তৈরি করা হতো সুস্বাদু খেজুর গুড়।

কিন্তুু মানুষের সচেতনতা ও রক্ষনা-বেক্ষনের অভাবে পরিবেশ বান্ধব খেজুর গাছ আর তেমন চোখে পড়ে না। অপরদিকে ইট ভাটার রাহু গ্রাসে জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার বেশি হওয়ার কারনে যে পরিমান গাছ চোখে পড়ে তা নির্বিচারে নিধন করায় দিনদিন খেজুর গাছ কমছেই। এখনও শীতকালে শহর থেকে মানুষ দলে দলে ছুটে আসে গ্রাম বাংলার গেজুর রস খেতে।

এক সময় সন্ধ্যাকালীন সময়ে গ্রামীন পরিবেশটা খেজুর রসে মধুর হয়ে উঠতো। রস আহরনকারী গাছিদের প্রাণাঞ্চল্য লক্ষ্য করা যেত সে সময়। রস জ্বালিয়ে পাতলা ঝোল,দানা গুড় ও পাটালী তৈরিকরতেন। যার সাদ ও ঘ্রাণ ছিল সম্পূর্ন ভিন্ন। এখন অবশ্যই সে কথা নতুন প্রজন্মের কাছে রুপ কথা মনে হলেও বাস্তব। যত বেশি শীত পরড়ে ততবেশি মিষ্টি রস দেবে খেজুর গাছ। 

উপজেলার পুড়াখালী গ্রামের আব্দুস সালাম গাছি বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করে শীতের কষ্ট সহ্যকরে খেজুরের সুস্বাদু -সুমিষ্ট রস এবং গুড় তৈরি করে মানুষের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত থাকি,অথচ আমাদের জন্য তেমন কোন সরকারি ব্যবস্থা নেই। তিনি বলেন শুনেছ আমাদের জন্য গাছিদা বরাদ্দ হয়, কিন্তু পাই নাই।  নিজে খরচ করে দা দড়ি কিনে এই পেশায় থাকা খুবই কষ্ট।


আরও খবর