চোরাই কাপড় যুবদল নেতার গোডাউনে মজুদ, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা গ্রেপ্তার আগামী ৫ দিন যেমন থাকবে আবহাওয়া বাঘায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মজির উদ্দীন এর দাফন সম্পন্ন সুন্দরবনে পর্যটকদের ওপর হামলা ও ডাকাতির চেষ্টা, আটক ২ নোয়াখালীতে পকেটে চিপস, ভেতরে ১ হাজার ইয়াবা পদত্যাগ না করার ঘোষণা মমতার শ্যামনগরে সুন্দরবন সচেতনতায় আর্থস্কাউট স্কুল ক্যাম্পেইন মে নবেসুমি শহীদ সাগর গণহত্যা দিবসলালপুরে শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি পুনর্ব্যক্ত বড়লেখায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৬ জুনে চীন বা ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে বজ্রবৃষ্টির আভাস দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন সবুজ পাতার ফাঁকে লালে লাল: সুবাস ছড়াচ্ছে মধুমাসের লিচু ইসলামপুরে জমিসংক্রান্ত বিরোধে ২ এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ ৫ জনকে পিটিয়ে আহত শ্যামনগরে অপহৃত পশু চিকিৎসক উদ্ধার, যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ তারাগঞ্জে বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত বিনিয়োগ বাড়াতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নোয়াখালীতে বজ্রপাতে গৃহবধূর মৃত্যু আদমদীঘিতে গাঁজাসহ দুই মাদক বিক্রেতা গ্রেপ্তার চৌমুহনীতে প্রশিক্ষার্থীকে বলৎকারের অভিযোগে গ্রাফিক্স ডিজাইনার শিক্ষক গ্রেফতার

পোষ্য কোটার প্রতীকী দাফন করল রাবি শিক্ষার্থীরা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পোষ্য কোটার বিরুদ্ধে উন্মুক্ত বিতর্কের প্রতিযোগিতায় কোটার পক্ষে কেউ অংশগ্রহণ করেননি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী। বিতর্কের নির্ধারিত সময়ের পর পোষ্য কোটার প্রতীকী দাফন সম্পন্ন করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের উত্তর পাশে প্যারিস রোডে পোষ্য কোটার একটি প্রতীকী দাফন এবং মোনাজাত করা হয়।

এর আগে ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী মাইকিং করে ঘোষিত সময়ে বিতর্কের আয়োজন করা হলেও পোষ্য কোটার পক্ষে যুক্তি প্রদর্শনের জন্য আহ্বান করেন শিক্ষার্থীরা। বিকেল ৪ টায় দিকে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক মোরশেদুল ইসলাম পিটার, রাজশাহীর স্থানীয় একজন রিকশাচালক এবং ক্যাম্পাসের একজন ব্যবসায়ী।

পোষ্য কোটার প্রতীকী দাফন করে সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী আজাদ বলেন, ১৯৭৭ সালে পোষ্য কোটা চালু হয়েছিল। যার আমরা একটি প্রতীকীর মাধ্যমে আজ কবর রচনা করলাম। আমরা বিশ্বাস করি এ কবর রচনার মধ্যে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী যারা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী নয় তাদের সুবুদ্ধির উদয় হবে।

এসময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, পোষ্য কোটা আমাদের যৌক্তিক একটি দাবি ছিল। এ আন্দোলনে কোনো রাজনৈতিক কিছু নেই। কিন্তু এ কোটার পক্ষে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াতপন্থী শিক্ষক তারা সবাই এক। যাদের কাঁধে হাত রেখে আমরা জুলাই আন্দোলন করেছিলাম। তারা এখন এ পোষ্য কোটা আন্দোলনে নেই। এটিকে খুবই হতাশ করেছে। জুলাই বিল্পবে আমাদের মূল মেনডেট ছিল কোটা বিপক্ষে আমরা একবারও মুক্তিযোদ্ধা কোটা বিরুদ্ধে বলিনি। পোষ্য কোটা এখনো রাষ্ট্র সংস্কারের একটি অংশ।

উল্লেখ্য, গতকাল রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার মুক্তমঞ্চে শিক্ষকদের উদ্দেশে পোষ্য কোটার যৌক্তিকতা নিয়ে ‘উন্মুক্ত বিতর্ক’র আহ্বান জানান শিক্ষার্থীরা।


ডিডিসি/এম/এসএইচ

আরও খবর