নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মিছিলে গুলিতে নিহত শিবির কর্মী মতিউর রহমান (সজীব)-এর লাশ উত্তোলন করা হয়।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) বসুরহাট পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নয়ন হাজী বাড়ির পারিবারিক কবরস্থান থেকে দীর্ঘ ১১ বছর পর আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ উত্তোলন করা হয়।
লাশ উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন , কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. হাবেল উদ্দিন, কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গাজি মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম এবং স্থানীয় প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা। প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।
নিহত সজীবের পরিবারের সদস্যরা জানান, “১১ বছর ধরে আমরা ন্যায়বিচারের জন্য অপেক্ষা করছি। আজকের এই উদ্যোগ আমাদের সেই ন্যায়বিচারের আশাকে নতুন করে জাগিয়ে তুলেছে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, মতিউর রহমান (সজীব) ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর আওয়ামী সন্ত্রাসী ও পুলিশের অতর্কিত গুলিতে প্রাণ হারানো ৭ জনের একজন। শান্তিপূর্ণ মিছিলে এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দার ঝড় উঠলেও গত ১১ বছরে কোনো বিচার হয়নি। আজকের লাশ উত্তোলন এবং ময়নাতদন্তের কার্যক্রমকে ন্যায়বিচারের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এলাকাবাসী দাবি করেছেন, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।