ব্যবহারকারীদের দেওয়া কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণের জন্য টুইটারকে চাপ দিচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। এমনকি অ্যাপ স্টোর থেকে টুইটারকে ব্লক করে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে কোম্পানিটি। এরই মধ্যে টুইটারে কোম্পানিটি বিজ্ঞাপন দেখানো বন্ধ করে দিয়েছে।
বেশ কয়েকটি সিরিজ টুইটবার্তায় এমনটাই জানিয়েছেন টুইটার ইনকরপোরেটেডের প্রধান নির্বাহী, বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক।
তবে অ্যাপ স্টোর থেকে টুইটারের অ্যাপ্লিকেশনকে তুলে দেওয়ার হুমকি দিলেও ঠিক কী কারণে কোম্পানিটি এই হুমকি দিয়েছে, তা জানানো হয়নি বলে দাবি করেছেন মাস্ক।
এক টুইটবার্তায় ইলন মাস্ক অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুককে ট্যাগ করে জানতে চেয়েছেন, 'এখানে কী হচ্ছে?' তবে টিম কুক তাৎক্ষণিকভাবে তার প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি।
মাস্ক বলেন, ‘অ্যাপল বেশিরভাগ টুইটারের বিজ্ঞাপন বন্ধ করে দিয়েছে। তারা কি যুক্তরাষ্ট্রের বাকস্বাধীনতাকে ঘৃণা করে?’
এই বিষয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স অ্যাপলকে মন্তব্য করার অনুরোধ করলেও সাড়া দেয়নি প্রতিষ্ঠানটি।
এদিকে মাস্ক আরও দাবি করেছেন, অ্যাপ স্টোর থেকে কোনো কিছু কিনলেই ৩০ শতাংশ চার্জ রাখে অ্যাপল। তিনি একটি মিম পোস্ট করেছিলেন যে, কমিশন প্রদানের পরিবর্তে তিনি অ্যাপলের সঙ্গে যুদ্ধে যেতে ইচ্ছুক।
তিনি এও দাবি করেন, অ্যাপল চাইছে ব্যবহারকারীর কনটেন্ট যেন নিয়ন্ত্রণ করে টুইটার। শুরু থেকেই মাস্ক বলে আসছেন, তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটিকে বাকস্বাধীনতার দুর্গ বানাতে চান।
পাশাপাশি টুইটার বস ইলন মাস্ক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির অনির্দিষ্ট সংখ্যক সাসপেন্ডেড অ্যাকাউন্ট সচল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
তিনি এক টুইট বার্তায় বলেছেন, ‘মানুষ কথা বলেছে, পরের সপ্তাহে সাধারণ ক্ষমা (সাসপেন্ডেট অ্যাকাউন্ট সচল) ঘোষণা হবে।’
এই টুইটে তিনি ‘ভক্স পপুলি, ভক্স দেই’ ল্যাটিন শব্দ যোগ করে দেন। যার অর্থ হলো, ‘মানুষের কণ্ঠ, ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর।’
ইলন মাস্ক একটি টুইটার পোল (ভোটাভুটি) শুরু করেছিলেন, যেখানে তিনি তার টুইটার অনুসারীদের জিজ্ঞাসা করেন, ‘সাসপেন্ড করা অ্যাকাউন্টগুলোকে সাধারণ ক্ষমার প্রস্তাব দেওয়া উচিত, যদি তারা আইন ভঙ্গ না করে থাকে বা গুরুতর স্প্যামে জড়িত না থাকে?’
এই পোলে মোট ৩১ লাখ টুইটার ব্যবহারকারী অংশ নেন এবং ৭২.৪ শতাংশ সাসপেন্ডেড অ্যাকাউন্ট সচল করার পক্ষে ভোট দেন এবং ২৭.৬ শতাংশ সাসপেন্ড বহাল রাখার পক্ষে ভোট দেন।
ইলন মাস্ক টুইটার কিনে ফেলার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটিকে পুরোপুরি বদলে ফেলছেন। যদিও শুরু থেকেই তিনি বলছেন, তার টুইটার কেনার উদ্দেশ্য বাকস্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা। তিনি এমন একটি প্ল্যাটফরম প্রতিষ্ঠা করতে চান, যেখানে তারও সমালোচনা করা যাবে।
৫ দিন ১৪ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
৮ দিন ২৩ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
১১ দিন ৭ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
১৩ দিন ১৩ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
৩৩ দিন ১৮ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
৪৩ দিন ১৬ ঘন্টা ৪৩ মিনিট আগে
৪৮ দিন ১৪ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
৫৯ দিন ২২ ঘন্টা ২ মিনিট আগে