চশমা নিয়ে চিলমারীতে জামান বিজয়ী ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধকে জানি’-ডকুমেন্টারি নির্মাণে ভোলা জেলায় ১ম হয়েছে লালমোহন হা-মীম স্কুল ৩ দিন ধরে পানি নেই বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, চরম দুর্ভোগে রোগীসহ হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নার্সের অবহেলায় হাসপাতালে দুই শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ দক্ষিনী সিনেমার সেরা অভিনেতা 'মহেশ বাবু' বরিশাল রেঞ্জ'র শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার মোঃ মারুফ হোসন বরিশাল জেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উদ্যোগে দুস্থ অসহায় মানুষকে আর্থিক সহায়তা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে ফুট ওভারব্রিজ প্রয়োজন সড়ক দূর্ঘটনায় দক্ষিণ আফ্রিকার মেয়র নিহত করোনাভাইরাস : সবচেয়ে কম শনাক্তের দিনে মৃত্যুশূন্য বরিশাল পুলিশ সদস্যদের সার্বিক কল্যাণে যেমনি পাশে আছি, তেমনি তাদের শৃংখলা রক্ষার্থে কঠোর থেকে কঠোরতম অবস্থানে রয়েছি-বিএমপি কমিশনার লক্ষ্মীপুরের মির্জাপুর এলাকার মাওঃনজীর আহমদ আর নেই লক্ষ্মীপুরের মির্জাপুর এলাকার মাওঃনজীর আহমদ আর নেই বরিশালের ঐতিহ্যবাহী দূর্গা সাগর দিঘি ও কালেক্টরেট পুকুরে পাছের পোনা অবমুক্ত বরিশালে বোনের জমি-ফ্লাট দখলে নিতে মাকে বাসা থেকে বের করে দিলো দুই ছেলে ফরিদপুরে কাশফুলের রাজ্য শেরপুরে মুজিব শতবর্ষ জেলা দাবা লীগ শুরু আজ ॥ শ্রীবরদীতে পুলিশের অভিযানে হেরোইনসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরিশালে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা, না খোলা প্রসঙ্গে

সায়েম আহমাদ - এডিটর

প্রকাশের সময়: 15-06-2021 23:35:34

Photo caption :


মো. আশিকুর রহমান: যেকোন জাতির অগ্রগতির পিছনে থাকে তরুণ প্রজন্ম। তাদের উদ্ভাবনী জ্ঞান ও প্রজ্ঞা দিয়ে এগিয়ে যায় সমাজ। তারা স্বপ্ন দেখে বিশ্ব জয়ের। অজনাকে জানার নেশায় মাতোয়ারা থাকে তারা। ভেঙে ফেলে পাহাড় সম দুর্ভেদ্য দেয়াল। কিন্তু সেই তরুণ প্রজন্ম যদি ঘুণে ধরে যায়; সে জাতির অগ্রগতিতে মরীচিকা ধরে।করোনাভাইরাস আমাদের নতুন করে বাস্তবতা উপলদ্ধি করতে শিখেয়েছে। প্রকৃতিপক্ষে মানুষের কোন মহত্ব নেই, ক্ষমতা নেই! বিশ্ববাসী সেটি হাড়ে হড়ে টের পাচ্ছে। এক মহামারিতে পুরো বিশ্ব নাস্তানাবুদ হয়ে পড়েছে। মানুষ বড্ড অসহায়, দিকভ্রান্ত! মহামারি থেকে বেঁচে থাকার জন্য নেয়া হয়েছে নানাবিধ উদ্যোগ। তারই ধারাবাহিকতায় গত বছরের মার্চ থেকেই এদেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। এটা বোধহয় একটি জাতির জন্য সবচেয়ে বড় অপূরণীয় ক্ষতি। জীবনের চেয়ে পড়াশোনা কোনদিন বড় হতে পারে না। এজন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া। তবে নীতিনির্ধারকরা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মধ্যে রাখার জন্য হাতে নিয়েছে বিভিন্ন উদ্যোগ। শুরু হলো অনলাইনে পাঠদান। সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের নিকট পৌঁছাতে না পারলেও এটা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না।


প্রতিদিন বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাধ্যমে সম্প্রচার করা হলো ক্লাস। কিন্তু কতজন শিক্ষার্থীদের টেলিভিশন আছে! আছে উচ্চ ইন্টারনেট স্প্রিড বা স্মার্টফোন! শহরের অবস্থা কিছুটা সুখময় হলেও গ্রামের চিত্র একদম ভিন্ন। আমার পরিচিত অনেককে দেখেছি অনলাইন ক্লাসের সময় ঘর থেকে বের হয়ে ফাঁকা মাঠে কিংবা ছাদে গিয়ে ক্লাসে যুক্ত হতে। তারপরও ক্লাস থেকে বারবার ডিসকানেক্ট হয়ে যায়। অনেকে তো যুক্ত হতেই পারে না। তাছাড়া সারাজীবন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে ক্লাস করতে অভ্যস্ত শিক্ষার্থীরা অনলাইন ক্লাসে মনযোগ ধরে রাখতে ব্যর্থ হবে এটাই স্বাভাবিক। আবার এ্যাসাইনমেন্টের নামে স্কুলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে করা হলো প্রহসন। এমন কোন শিক্ষার্থী হয়তো পাওয়া যাবে না, যারা বড়দের বা অনলাইনের সহযোগিতা ছাড়া এগুলোর উত্তর করেছে! অনেকে তো বড়দের দিয়ে লিখে পর্যন্ত নিয়েছে। আবার স্কুলে গুনতে হয়েছে টাকা। যেমনই হোক, শুরুর দিকে শিক্ষার্থীদের এগুলোর প্রতি আগ্রহ ও কৌতুহল থাকলেও ধীরে ধীরে তা কমতে থাকে। করোনার জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষ চাকরিচ্যুত হয়েছে। দিনমজুর, রিকশাচালকসহ সমাজের খেটে খাওয়া মানুষ পড়েছে বিপাকে। দীর্ঘদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা হারিয়েছে টিউশনি। জীবন সংগ্রামে টিকে থাকায় যাদের কঠিন হয়ে পড়েছে, তাদের কাছে চড়া দামের ডেটা কেনা তো রীতিমতো বিলাসিতা। অনেক ছাত্র পড়ার টেবিল ছেড়ে হাল ধরেছে বাবার ফসলি জমিতে। কেউবা আবার অন্যের জমি চাষ করছে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেধাবী ছাত্ররা যোগ দিয়েছে দিনমজুরির কাজে। অসংখ্য সম্ভাবনাময় ছাত্রীদের নিরুপায় হয়ে বিয়ে দিচ্ছে পরিবার থেকে। তাদের স্বপ্নগুলো অধরাই থেকে যাচ্ছে। উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মেয়েরা বাল্যবিবাহের কবলে পড়ছে। এমনিতেই বাল্যবিবাহের ঘটনায় বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। অল্পের জন্য স্বপ্নের চাকরিতে আবেদন করতে না পারার কষ্টটা দু-একটা সেমিস্টার পরিক্ষা আটকে থাকা অর্নাস পড়ুয়া শিক্ষার্থীটাই জানে।


চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেখে গোপনে কাঁদা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। এই সভ্য সমাজের কাছে আজ বোঝা তারা! করোনার এই সময়ে অনেক উদোক্তা বের হচ্ছে। যাদের বেশিরভাগই কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া। অনলাইনে চলছে প্রচরণার কাজ। অর্ডার পেলেই কুরিয়ার করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করা হচ্ছে নানারকম পণ্য। তবে এটা যে খুব একটা লাভজনক ও স্বস্তিদায়ক ব্যবসা তেমনটা ভাবার অবকাশ নেই। মূলত সংসারের হাল ধরতেই সকল প্রতিকূল পরিস্থিতিকে মানিয়ে নিচ্ছে তারা। এগুলোর পিছনে থাকে বুক ফাটা আর্তনাদ! কে শুনবে সেটা! বেশিরভাগ শিক্ষার্থীরা এখন বিষণ্নতায় ভুগছে। চার দেয়ালের মধ্যে থেকে তারা বের হতে চাই। ইদানিং আত্মহত্যার ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। সেই সাথে বেড়েছে হৃদরোগে মৃত্যুর সংখ্যা। অনেকে আবার ‘না মরে বেঁচে আছে’। মনে কষ্ট মুখে হাসি, এইতো বেশ আছি! এই সময়ে শিক্ষার্থীরা আসক্ত হচ্ছে ফ্রি-ফায়ার, পাবজিসহ বিভিন্ন বিধ্বংসী গেমস খেলায়। অনেকে স্বাভাবিক অবস্থার মধ্যেও নেই। খাওয়া-ঘুম সব একাকার হয়ে গেছে। বেড়েছে কিশোর গ্যাং তৎপরতা। রাজধানীসহ দেশের সকল জায়গার নিরপত্তাব্যবস্থা এখন হুমকির মুখে। হত্যা, গুম , ধর্ষণসহ বেড়েছে সকল রকমের সন্ত্রাসী কার্যক্রম। সমাজে বেড়েছে অশ্লিলতা ও বেহায়াপনা। বিগত যেকোনো সময়ের চেয়ে পর্নোগ্রাফির চাহিদা এখন অনেক বেশি।


দিনে দিনে এসব অন্ধকার জগতে বুঁদ হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। অনেকে পড়ছে মাদকের ভয়াল থাবায়। সমাজেও এখন সর্বস্তরে মাদকে ছেয়ে গেছে। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র হাফিজুর রহমানের মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে এলএসডি নামক (লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইথ্যালাইড) মাদকের সন্ধান পেয়েছে ডিবি। এই মাদক সেবন করার পরে হাফিজ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এক ডাব বিক্রেতার ভ্যানে রাখা দা দিয়ে নিজের গলায় কোপ মারে। এটা আসলে সমাজের গভীরে যে পঁচন ধরেছে তার বহিঃপ্রকাশ। কিভাবে এই মাদক দেশে আসলো! প্রতিটা মানুষের কাছে কে বা কারা এগুলো পৌঁছে দিচ্ছে! কেনো তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে না? স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এগুলো দমনে আরও বেশি সোচ্চার হতে হবে। না হলে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম নিশ্চিত হুমকির মুখে থাকবে। 


পৃথিবী থেকে করোনাভাইরাস হয়তো সহজে যাবে না। এর সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে, সচেতন থেকেই জীবনযুদ্ধে এগিয়ে যেতে হবে। বিগত সময়ের চেয়ে করোনা সংক্রমণ কিছুটা কমেছে। লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খেলা করা চলে না। তাদেরকে ফিরতে হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। দেখতে হবে নতুন করে স্বপ্ন। এদেশের গণপরিবহন, গার্মেন্টস, শপিংমল থেকে শুরু করে জনবহুল রাজনৈতিক সমাবেশ; সব চলছে আপন গতিতে। যেখানে স্বাস্থ্যবিধির বালাই পর্যন্ত নেই। বাজারঘাটের অবস্থা কতটা ভয়াবহ! বিনোদনকেন্দ্র এবং সিনেমা হলও খুলে দেয়া হয়েছে। সমস্যা শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে! আচ্ছা, আমরা বাড়িতে কী নিরাপদ? বাজারঘাট, শপিংমল, খেলার মাঠ, কোনখানে যায় না আমরা! অথচ সাধারণ মানুষের তুলনায় শিক্ষার্থীরা বেশি স্বাস্থ্য সচেতন। আবার যুবকদের সংক্রমণের ঝুঁকিও কম। বলাই বাহুল্য বৃদ্ধ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যাদের কম, তারা বেশি ঝুঁকিতে থাকে। অথচ শিক্ষার্থীদের বিষয়েই উদাসীন আমরা। সারা দেশব্যাপী শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে। তাদের দাবী একটাই- ‘অবিলম্বে হল-ক্যাম্পাস খোলা চাই’। তাদের সঙ্গে অনেক শিক্ষকরাও সম্মতি দিচ্ছে। অভিভাবকদের বৃহৎ একটা অংশও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পক্ষে। ওপর মহলে অনেক সময় সঠিক তথ্যটি যায় না। বাস্তবতা বোঝার জন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলার প্রয়োজন। নীতিনির্ধারকরা কোন সিদ্ধান্ত নিলে, তার বিরুদ্ধে যাওয়ার সাহস অনেকের নেই। সকল বিষয়েই ‘সহমত’ তারা। এদের থেকে বেরিয়ে আসুন।  



অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা অলস সময় পার করাই তাদের শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অনেকে স্মার্টফোনে আসক্ত হয়ে পড়েছে। ঘন্টার পর ঘন্টা নষ্ট করছে মূল্যবান সময়। জাতি গড়তে জাতির কর্ণধরদের সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হয়। এভাবে আর কত শিক্ষার্থী ঝরে পড়বে! ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’- এর গবেষণায় বলা হয়েছে, বিশ্বে প্রায় এক কোটি শিশু স্কুলে ফিরবে না। এদেশেও এর প্রভাব অত্যন্ত স্পষ্ট। স্কুলের জন্য উপযুক্ত বিপুলসংখ্যক শিশুরা তাদের নাম তালিকাভুক্ত করেনি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে করোনা হবে এমনটা ভাবার উপায় নেই। এমনিতেই অনেকটা সময় চলে গেছে। বৃদ্ধ বাবার কাঁধ থেকে সংসারের দায়িত্ব কাঁধে নিতে চাই। চাই স্বপ্নের একটা ক্যারিয়ার। এভাবে বসে থাকা যায় না। হতাশা আর বিষণ্নতা ভর করছে অধিকাংশের। এমনিতেই শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন পড়াশোনার বাইরে। সেশনজট ও বেকারত্বের চিন্তায় অনেকে পড়াশোনার আগ্রহ হারাবে। তাদের অভ্যাসেও একটা আকাশচুম্বী পরিবর্তন এসেছে। তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা বেশ কঠিন হবে। শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন শ্রেণিকক্ষের বাইরে থাকায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী পড়াশোনা ভুলে যাচ্ছে। অটোপ্রমোশনের মাধ্যমে জ্ঞানের বড় ঘাটতি নিয়ে উপরের ক্লাসে উঠছে। পরীক্ষা নিতে না পারায় শেখার দক্ষতা যাচাই করাও সম্ভব হচ্ছে না।


সরকার সকল শিক্ষার্থীকে ভ্যাক্সিনের আওতায় নিয়ে আসতে চাই। এই সিদ্ধান্তকে অবশ্যই সাধুবাদ জানাই। তবে সেটি বেশ সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। আবার ভ্যাক্সিন নিলেও যে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকবে না, তেমনটা নয়। করোনার বিভিন্ন ধরণ রয়েছে। ইতোমধ্যে ভ্যাক্সিনের কার্যকারিতা নিয়ে অনেক স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞ প্রশ্ন তুলেছে। তাছাড়া ভ্যাক্সিন গ্রহণের পরেও মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। চলতে হবে নিরাপদে। তাহলে শিক্ষার্থীদের এভাবে বসিয়ে রেখে লাভ কী! এভাবেই কী তারা তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে! শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে অবিলম্বে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে হবে। সেই সাথে সেশনজট নিরসনে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রণয়নসহ দ্রুত সেমিস্টার সম্পন্ন করতে হবে। আসছে বাজেটে শিক্ষাখাতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, যে জাতি যত জ্ঞানচর্চা করে, সে জাতি তত উন্নত।


চলতি অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে করতে হবে মাস্টারপ্ল্যান। শিক্ষা মন্ত্রণলায়কে আরও বেগবান হতে হবে। প্রতিটা শিক্ষক ও অভিভাবকদের আরও আন্তরিক হতে হবে। প্রয়োজনে শিক্ষা প্রণদনা বাড়াতে হবে। অনেক শিক্ষার্থী বেতন-পরীক্ষার ফি পরিশোধ করতে অপারগ হবে। তাদের জন্য আলাদা একটা খাত তৈরি করতে হবে। সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসতে হবে। শিক্ষার্থীদেরও সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে। মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। শিক্ষাখাতে করোনার ধাক্কাটা ব্যাপক। তাই সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এগিয়ে যেতে হবে।


মো. আশিকুর রহমান

শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।

Tag
আরও খবর

আগামীর দিন শুধুই সম্ভাবনার

১০ দিন ৩ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে



পরিবেশ দূষণ মানব ধ্বংসের প্রধান কারণ

১৯ দিন ১৫ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে