চন্দনাইশ থানার ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন নোয়াখালীতে তুচ্ছ ঘটনায় বসতঘর পুড়িয়ে ছাই করল একদল যুবক লাখাইয়ে জুলাই শহীদ দিবসে আলোচনা সভা। কুলিয়ারচরের দক্ষিণ সালুয়ায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় না থাকায় শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে শিশুরা জয়পুরহাটে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত জিপে লুকিয়ে ৮০ হাজার ইয়াবা পাচার ঝিনাইগাতীতে বন্য হাতি প্রতিরোধে টাস্ক ফোর্সের সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত রায়পুর উপজেলার টেকসই উন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মধুপুরে ১৬ জুলাই শহীদ দিবস পলিত দৌলতদিয়া কৃষক দলের কমিটি বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন সিলেট অঞ্চলের আঞ্চলিক গবেষণা সম্প্রসারণ পর্যালোচনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত মধুপুরের শালবনে হারিয়ে যাচ্ছে দুর্লভ চাম্বল ফল কুলাউড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় শিশুসহ ছয় বাংলাদেশি আটক রাজবাড়ীতে জুলাই শহীদ দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের প্রত্যয় মৌলভীবাজারে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহিদ দিবস' উদযাপন আদমদীঘিতে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত গোয়ালন্দে কৃষক কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা রাজবাড়ীতে মাছের ঘেরে বিদ্যুতের লাইন মেরামতের সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু, মরদেহ ময়নাতদন্তে কারিতাস শ্রীবরদীর উদ্যোগে ঝিনাইগাতীতে সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে সিবিও নেতৃবৃন্দের শিক্ষা সফর অনুষ্ঠিত রায়পুরায় গণপিটুনি’ দিয়ে যুবককে হত্যার অভিযোগ

রাজবাড়ীতে গরুর ফার্ম কিনে বেকায়দায় নারী। হামলার ভয়ে দখলে যেতে না পারার অভিযোগ!

রাজবাড়ীতে গরুর ফার্ম কিনে বেকায়দায় নারী। হামলার ভয়ে দখলে যেতে না পারার অভিযোগ! রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ৮ লক্ষ টাকা দিয়ে ১১ শতাংশ জমির উপর থাকা পোল্ট্রি খামারসহ কয়েকটি স্হাপনা  কিনে বিপাকে পড়েছেন এক নারী।  হামলার ভয়ে তিনি ওই সম্পদের দখলে যেতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। ভুক্তভোগী নারীর নাম ববি বেগম (৪০)। তার স্বামীর নাম আজাদ শেখ। বাড়ি গোয়ালন্দ পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের আড়ৎপট্টি এলাকায়।  ফার্মের বিক্রেতা আমিনুল হক লাবু। তিনি উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের সিদ্দিক কাজী পাড়ার মোঃ কুদ্দুস মিয়ার ছেলে। ১১ শতাংশের ওই জমিটি উপজেলার চর দৌলতদিয়া মৌজার ১ নং ফেরিঘাটের পূর্বে বিএস ২০০ নং দাগের অন্তর্গত।  জানা গেছে, ২০২০ সালের ২৮ অক্টোবর আদালতে এ্যাফিডেভিটের মাধ্যমে ববি বেগম জমিটার উপর তিনটা বসতঘর, ২ টি গরুর খামার ও ১ টি দোকানঘর সহ অন্যান্য স্হাপনাদি ক্রয় করেন।    ববি বেগম অভিযোগ করে বলেন,  আমিনুল হক তার নিকট ওই স্থাপনাগুলো বিক্রি করে ধারদেনার কারনে বিগত তিন বছর ধরে এলাকা ছাড়া রয়েছেন।  এর মধ্যে আমিনুলের বড় ভাই মিজানুর রহমান (বাবুল) ২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল তারিখে আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় তার স্ত্রী মোছাঃ শিল্পী খাতুনের নামে একটি ভুয়া এ্যাফিডেভিট তৈরি করে ওই জমির মালিকানা দাবি করছেন । কিন্তু তার নোটারীতে জমির পরিচয় দেখানো হয়েছে ৪৪ নং মৌজার বাহেরচর দৌলতদিয়া। যেখানে জমির দাগ ও জমির পরিমান উল্লেখ করা নেই। জমির উপর ডেইরি ফার্মের অবস্হানও উল্লেখ নেই। জমির দাতা উল্লেখ করা হয়েছে মিজানুর রহমান (বাবু) নিজে, তার বাবা আঃ কুদ্দুস মিয়া,মা রোকেয়া বেগম ও ছোটভাই আমিনুল হক লাবুর নাম ।  তবে ববি বেগমের দাবি , তাদের ওই কাগজটি সম্পূর্ণ ভুয়া। ববি বেগম আরো জানান, তিনি জমির উপর থাকা স্হাপনাদি দখলে নিতে গেলে তাকে  নানা ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন সহ প্রানে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হচ্ছে।  সরেজমিন আলাপকালে লাবুর বন্ধু  হারুন বলেন, লাবু ১১ শতাংশ জমির উপর থাকা স্হাপনা বিক্রি বাবদ  ববি বেগমের কাছ থেকে আমার মাধ্যমে নগদ ৪ লক্ষ টাকা নেয়। পরবর্তীতে  তার কাছ থেকে আরো ৪ লক্ষ সহ মোট আট লক্ষ টাকা নিয়ে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে ১১ জমির উপর থাকা স্হাপনাদি বিক্রি করে।   প্রতিবেশী রেশমা আক্তার জানান, ওই জমির ঘরের ডওয়া আগে কাঁচা ছিল। পরে লাবু ঘরের ডওয়াগুলো পাকা করে। পরে তারা ভাইয়েরা আলাদা হওয়ার পর লাবু নিজেই গরুর ফার্ম ও মুরগির ফার্ম  করে।  এটা আমরা এলাকার সবাই জানি।  এদিকে লাবুর বড় ভাই মিজানুর রহমান বাবলু দাবি করে বলেন, আমার ছোট ভাই ব্যবসায়ীক লেনদেনে আমার ভায়রা জামালের কাছে ১৫ লক্ষ টাকা দেনা হয়। সে সময় জামালের দায়ের করা একটি মামলায় আমার ছোট ভাই আমিনুল জেলে যায়।  এ অবস্হায় আমার ভায়রা জামাল  দাবি করেন, আমরা যদি ওই জমি ও ঘরবাড়ি তার নামে  লিখে দেই তাহলে তিনি মামলা তুলে নেবেন। তখন আমি, আমার বাবা ও জেলে থাকা ছোট ভাই তিনজনে মিলে  স্ট্যাম্পে সই দিয়ে  তার নামে জমি লিখে দেই। পরবর্তীতে ওই সম্পদ আমার ভায়রা আমার স্ত্রীর নামে লিখে দিয়েছেন।   তিনি আরো বলেন, আমি এনজিও আশা থেকে আড়াই লক্ষ টাকা তুলে দিয়ে আমার ছোট ভাইকে ফার্ম করতে সহায়তা করি। তাহলে এই ফার্ম তার হবে কেন? জমি ও ফার্ম দুটোই আমাদের। তাছাড়া আমি ববি বেগমকে কোন ধরনের হুমকি- ধামকিও দেইনি। আমাদের কাগজপত্রগুলোও সঠিক আছে। এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি রাকিবুল ইসলাম জানান, ববি বেগম  আমার নিকট এসেছিলেন। জমিজমার বিষয় বলে আমি তাকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। তবে হুমকি-ধমকির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরও খবর