অস্ট্রেলিয়া বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা ইঞ্জিনিয়ার মো. কামাল হোসেনকে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া বিএনপির প্রথম আহ্বায়ক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে। গত ২৭ জুলাই, ২০২৫ অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. বাদশা বুলবুল কর্তৃক প্রকাশিত সভাপতি এ এফ এম তাওহীদুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হায়দার আলী সাক্ষরিত একটি কমিটির মাধ্যমে তার এই দায়িত্ব অনুমোদন করা হয়।
এই ঐতিহাসিক ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের বিএনপি নেতাকর্মীরা। তারা মনে করেন, এটি ওয়েষ্টার্ণ অস্ট্রেলিয়ায় বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামোকে নতুনভাবে উজ্জীবিত করবে।
ইঞ্জিনিয়ার কামাল হোসেন ২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় আগমন করার পর থেকেই প্রবাসে বিএনপির পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, আন্দোলন এবং সংগঠনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। ২০১৯ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন জেলে ছিলেন তার নেতৃত্বে ক্যানবেরা হাইকমিশনের সামনে অনেক প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। প্রবাসে থেকেও তিনি নিজ এলাকার দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন এবং দলের দুর্দিনে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। জেল-গুমের শিকার নেতাকর্মীদের পরিবারকে দিয়েছেন আইনি, আর্থিক ও নৈতিক সহায়তা। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রবাসে বিএনপির কার্যক্রমে নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলীয় নেতারা।
তার রাজনৈতিক পথচলার শুরু ১৯৯১ সালে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে, যেখানে তিনি তৎকালীন জিএস সাইদুর রহমান বাচ্চুর হাত ধরে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হন। পরবর্তীতে তিনি ১৯৯৪-৯৫ শিক্ষাবর্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে শাহ মখদুম হল-এর ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে কাজ করেন। সে সময় তিনি রাবি ছাত্রদলের ততকালীন আহবায়ক তাইফুল ইসলাম টিপুর নেতৃত্বাধীন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলে নিবেদিতভাবে দায়িত্ব পালন করেন।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সুদক্ষ নেতৃত্ব, দলীয় আনুগত্যের প্রতি অবিচল আস্থা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৪ সাল থেকে তিনি অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে ইঞ্জিনিয়ার কামাল হোসেন সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ধলজান গ্রামের এক সম্মানিত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম আব্দুস সামাদ সরকার এবং মাতা লায়লা আঞ্জুয়ারা।
ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে প্রবাসজীবনের রাজনৈতিক পরিসরে তার অভিজ্ঞতা, নেতৃত্বগুণ ও ঐতিহ্য তাঁকে অস্ট্রেলিয়ায় বিএনপির শক্তিশালী এক মুখপাত্রে পরিণত করেছে। দলীয় নেতাকর্মীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, তার নেতৃত্বে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ায় বিএনপি নতুন গতিতে সংগঠিত হবে এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শের ভিত্তি আরও মজবুত হবে।
৮ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে
৯ ঘন্টা ৪৩ মিনিট আগে
১০ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে
১১ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে