জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গবেষণা কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শেরপুরের ধোবারচর জাগরণী কিশোরী সংলাপ কেন্দ্রের র‍্যালি, আলোচনা সভা ও বৃক্ষচারা বিতরণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শেরপুরের ডোবারচর জুঁই মহিলা সমবায় সমিতির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ গলাচিপায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী-শ্বশুরবাড়ির চারজনের বিরুদ্ধে মামলা ‘তুরস্কের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ’ লাখাইয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী। গলাচিপায় বজ্রাঘাতে কৃষকের মৃত্যু সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ রংপুরে এইচবিসি ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ঝিনাইগাতীর দুপুরিয়ায় র‍্যালি ও বৃক্ষচারা বিতরণ শেরপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষচারা বিতরণ বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নালিতাবাড়ীর রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়নে বর্ণাঢ্য আয়োজন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে কারিতাসের আয়োজনে ঝিনাইগাতীতে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও নাটক প্রদর্শনী ঝিনাইগাতীতে কারিতাসের আয়োজনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন ‎বিষ, প্লাস্টিক ও শিল্পবর্জ্যের আগ্রাসনে অস্তিত্ব সংকটে সুন্দরবন: বিপন্ন জীববৈচিত্র্য শ্রীবরদীতে জুলুঙ্গা রজনীগন্ধা সংলাপ ফোরামে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন শ্রীবরদীর বগুলাকান্দি আলোর দিশা সংলাপে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন ঝিনাইগাতীর নলকুড়ায় কারিতাসের আয়োজনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন শেরপুরের কাকিলাকুড়ায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন

‎মোংলায় বিজয় দিবস উপলক্ষে উন্মুক্ত রাখা হলো তিনটি যুদ্ধজাহাজ

ছবি সংগৃহীত

মোংলা প্রতিনিধিঃ


‎মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে মোংলা বন্দরে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের তিনটি যুদ্ধজাহাজ। এই জাহাজগুলো দর্শনার্থীদের জন্য সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খোলা থাকে, যেখানে তারা সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নৌসেনাদের জীবনের সঙ্গে পরিচিত হতে পারে।


‎কোস্টগার্ডের সদর দপ্তর সংলগ্ন জেটিতে উন্মুক্ত রাখা হয়েছে বিসিজিএস কামরুজ্জামান ও বিসিজিএস তৌহিদ। অন্যদিকে, নৌবাহিনীর দ্বীগরাজ ঘাটে দর্শনার্থীদের জন্য রাখা হয়েছে বানৌজা আবু বক্কর। প্রতিটি জাহাজকে বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে বিজয় দিবসের মর্যাদা অনুযায়ী, যাতে দেশপ্রেম এবং জাতীয় ঐতিহ্যের অনুভূতি আরও উজ্জ্বলভাবে ফুটে ওঠে।


‎দুপুরে বিভিন্ন বয়সের এবং পেশার হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হয়ে এই যুদ্ধজাহাজগুলো ঘুরে দেখেন। নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের কর্মকর্তারা দর্শনার্থীদেরকে জাহাজের কর্মকাণ্ড, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং সামরিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। দর্শনার্থীরা সুযোগ পেয়ে নৌসেনাদের প্রশিক্ষণ, জাহাজ পরিচালনা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত হন।


‎এই আয়োজন কেবল ইতিহাস ও প্রযুক্তি সম্পর্কে জানার সুযোগ নয়, বরং এটি দেশের সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্ব এবং নৌসেনাদের দায়িত্ববোধের প্রতি জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধি করে। ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলমান এই উন্মুক্ত প্রদর্শনীতে প্রতিটি আগন্তুক বাংলাদেশি বিজয় দিবসের আনন্দ ও গর্ব অনুভব করতে পারেন।

আরও খবর