রিপোর্টার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোর-৪ (অভয়নগর, বাঘারপাড়া ও বসুন্দিয়া) আসনে রাজনৈতিক সমীকরণ এখন নতুন মোড় নিয়েছে। ঋণখেলাপির দায়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া বিএনপির প্রভাবশালী নেতা ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য টিএস আইয়ুব এখন নির্বাচন কমিশনে (ইসি) তার প্রার্থিতা পুনরুদ্ধারের লড়াই চালাচ্ছেন।গত ২ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় যশোরের রিটার্নিং কর্মকর্তা টিএস আইয়ুবের প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করেন। মূলত ঢাকা ব্যাংকের পক্ষ থেকে আসা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে ঋণখেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তবে এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে গত বুধবার নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন এই বিএনপি নেতা।আপিল আবেদন জমা দেওয়ার পর আত্মবিশ্বাসী টিএস আইয়ুব জানান, যে ঋণ সংক্রান্ত কারণে তার প্রার্থিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, সেটি তিনি ইতোমধ্যে আইনগতভাবে মিটিয়ে ফেলেছেন। তিনি বলেন:ব্যাংক ঋণের যে অজুহাতে মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল, সেই সমস্যা এখন আর নেই। আমি আশাবাদী, ১২ জানুয়ারির শুনানিতে ন্যায়বিচার পাব এবং ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে লড়াইয়ে ফিরব।"
যশোর-৪ আসনে বর্তমানে বিএনপি কিছুটা অস্বস্তিতে রয়েছে।ভোটার তথ্যে অসংগতির কারণে আইয়ুবের ছেলে ফারহান সাজিদের আবেদনও টেকেনি।জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে দলীয় ফরম যথাযথভাবে জমা না দেওয়ায়।বর্তমানে এই আসনে বিএনপির পক্ষে বৈধ প্রার্থী হিসেবে টিকে আছেন কেবল মতিয়ার রহমান ফারাজী।নির্বাচন কমিশনের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, টিএস আইয়ুবের ভাগ্যে কী আছে তা জানা যাবে আগামী ১২ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি শেষে ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় এবং ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। সব ঠিক থাকলে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই জাতীয় নির্বাচন।যশোরের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, টিএস আইয়ুব প্রার্থিতা ফিরে পেলে এই আসনে নির্বাচনের সমীকরণ আরও জমজমাট হয়ে উঠবে।
১০ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
১ দিন ২০ মিনিট আগে
১ দিন ৩৮ মিনিট আগে
১ দিন ১১ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
১ দিন ১২ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে
১ দিন ২১ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
১ দিন ২২ ঘন্টা ২ মিনিট আগে
২ দিন ২৩ মিনিট আগে