আটকের ৬ ঘণ্টা পর মুচলেকা নিয়ে সাবেক ইউপি মেম্বারকে ছেড়ে দিল এসআই পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শ্রীমঙ্গলে ছাত্রশিবিরের বৃক্ষ রোপণ ও চারা বিতরণ ত্রিমুখী সংঘর্ষে আহত ৮ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গবেষণা কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শেরপুরের ধোবারচর জাগরণী কিশোরী সংলাপ কেন্দ্রের র‍্যালি, আলোচনা সভা ও বৃক্ষচারা বিতরণ বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে শেরপুরের ডোবারচর জুঁই মহিলা সমবায় সমিতির উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ গলাচিপায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী-শ্বশুরবাড়ির চারজনের বিরুদ্ধে মামলা ‘তুরস্কের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ’ লাখাইয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী। গলাচিপায় বজ্রাঘাতে কৃষকের মৃত্যু সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ রংপুরে এইচবিসি ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ঝিনাইগাতীর দুপুরিয়ায় র‍্যালি ও বৃক্ষচারা বিতরণ শেরপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষচারা বিতরণ বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নালিতাবাড়ীর রূপনারায়ণকুড়া ইউনিয়নে বর্ণাঢ্য আয়োজন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে কারিতাসের আয়োজনে ঝিনাইগাতীতে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও নাটক প্রদর্শনী ঝিনাইগাতীতে কারিতাসের আয়োজনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন ‎বিষ, প্লাস্টিক ও শিল্পবর্জ্যের আগ্রাসনে অস্তিত্ব সংকটে সুন্দরবন: বিপন্ন জীববৈচিত্র্য শ্রীবরদীতে জুলুঙ্গা রজনীগন্ধা সংলাপ ফোরামে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন

প্রতিদিন ঘি খেলে কী হয়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক - রিপোর্টার

প্রকাশের সময়: 27-01-2026 08:44:57 am

ঘি আমাদের খাবারের স্বাদ বাড়ায় এবং কিছুটা পুষ্টিগুণও থাকে। তবে ঘি মূলত স্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ, তাই প্রতিদিন বেশি খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আবার পুষ্টিবিদদের মতে অনেক কারণেই শরীর-স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও ঘি উপকারী। নিয়মিত ঘি খাওয়ার প্রভাবগুলো নিম্নরূপ :


১. ওজন বৃদ্ধি : ঘিতে ক্যালরি অনেক থাকে। নিয়মিত বেশি পরিমাণে ঘি খেলে শরীরে অতিরিক্ত ক্যালরি জমে এবং ওজন বেড়ে যায়। ওজন বৃদ্ধি বিভিন্ন জটিলতার—for example, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, জয়েন্ট সমস্যা—কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।


২. কোলেস্টেরল বৃদ্ধি : ঘিতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকে। দীর্ঘদিন ঘি খাওয়ার ফলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে পারে। অতিরিক্ত কোলেস্টেরল হৃৎপিণ্ডের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এটি আর্টারিতে প্ল্যাক জমে হৃদরোগ বা স্ট্রোকের সম্ভাবনা বাড়াতে পারে।


৩. হৃদরোগ ও কার্ডিওভাস্কুলার সমস্যা : ঘিতে থাকা স্যাচুরেটেড ফ্যাট সরাসরি কার্ডিওভাস্কুলার সিস্টেমকে প্রভাবিত করে। নিয়মিত বেশি খেলে হার্টের অন্যান্য অসুখ—যেমন অ্যারিথমিয়া, অ্যাঞ্জিনা—ও হতে পারে।


৪. পুষ্টিগুণ : সীমিত পরিমাণে ঘি খেলে কিছু পুষ্টিগুণও পাওয়া যায়। এতে ভিটামিন A, D, E এবং K থাকে, যা চোখ, হাড় ও রক্তনালীর জন্য সহায়ক।


৫. পরামর্শ : রোজ ঘি খাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়, তবে দৈনিক পরিমাণ সীমিত রাখা উচিত—সাধারণত ১–২ চা চামচ প্রতি দিন। তেল, ঘি ও অন্যান্য স্যাচুরেটেড ফ্যাটের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রেখে খাবার পরিকল্পনা করা স্বাস্থ্যকর।

আরও খবর