টাঙ্গাইলের মধুপুরের আউশনারা ইউনিয়নের বোকার বাইদ এএইচবি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের সাংস্কৃতিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। লাল মাটির আনারসের প্রথম গ্রাম ইদিলপুরের পাশে মনোরম পরিবেশে গড়ে উঠা নারী শিক্ষার একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তাদের সারা বছর পড়াশোনার পাশাপাশি প্রতি বছর হয়ে থাকে বার্ষিক সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের মেধা মনন বিকাশের জন্য করা হয় এ কারা হয় এ কার্যক্রম। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ জানুয়ারি বুধবার বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সকাল থেকেই চলে তাদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। দলীয় একক ও দলীয় নৃত্য। চলে দেশীয় হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন লোকজ সংস্কৃতির গান। গ্রাম বাংলা গান পরিবেশন সাথে নৃত্য যেন শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে অনেকটা এগিয়ে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি এম রতন হায়দার।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আউশনার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজাহার আলী, মধুপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম আজাদ, কমিটির দাতা সদস্য আব্দুল মালেক আকন্দ , প্রধান শিক্ষক সালমা আফরোজ, ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল করিম,সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম বাচ্চু, দাতা সদস্য আলী আকবর, টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি নর্থ টাঙ্গাইল এর সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক এর সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক হাবিবুর রহমান ও যুগ্ম সম্পাদক লিয়াকত হোসেন জনী প্রমুখ।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী শিক্ষক অভিভাবক ছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যালয়ের সভাপতি এম রতন হায়দার বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা নাচ গান উপন্যাস পড়া শিক্ষা সফরসহ বিভিন্ন কার্যক্রম করা হয়ে থাকে । এতে পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে কাজে লাগবে। এ জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রতি বছর বার্ষিক খেলাধুলা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও শিক্ষা সফরের আয়োজন করে থাকে। আগামীতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সালমা আফরোজ বলেন, এ বিদ্যালয়ে পড়াশোনার মান ভালো। শিক্ষকদের আন্তরিকতার সাথে পাঠদানের ফলে রেজাল্ট ভালো হয়ে থাকে। নারী শিক্ষার পাহাড়িয়া এলাকার এক মাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে। প্রতি বছর বার্ষিক সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম করা হয়। এ বছর তারই ধারাবাহিকতায় এ বছর বার্ষিক সহপাঠ্যক্রমিক করা হচ্ছে।
৪ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে
৬ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
৬ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে