বগুড়ার আদমদীঘিতে মরিয়ম বেগম (৩৮) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (১৩ মার্চ) বেলা সাড়ে ১২ টায় উপজেলার জিনইর গ্রামে স্বামী ফেরদৌস প্রামানিকের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে স্বামী তার লাশ ফেলে পালিয়েছে। পুলিশ খবর পেয়ে দুপুর ৩টায় মৃত মরিয়ম বেগমের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায় ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আদমদীঘি উপজেলার জিনইর গ্রামের ইসমাইল প্রামানিকের ছেলে ফেরদৌস প্রামানিকের সাথে প্রায় ৩০ বছর আগে নওগাঁর রানীনগর উপজেলার বিশিয়া গ্রামের মৃত জামাল সরদারের মেয়ের মরিয়ম বেগমের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই মেয়ে ও একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। গত কয়েক বছর আগে ফেরদৌস প্রামানিক প্রবাসে যায়। প্রবাসে থাকা কালিন ফেরদৌস প্রায় আড়াই বছর পূর্বে আদমদীঘির কোমারপুর গ্রামের রহিউদ্দীনের মেয়েকে দ্বিতীয় বিয়ে করে। বিষয়টি জানার পর কে প্রথম স্ত্রী মরিয়ম বেগমের সাথে স্বামী ফেরদৌসের মধ্যে চলে পারিবারিক কলহ। প্রায় দুইমাস আগে ফেরদৌস প্রামানিক বাড়ি আসে। এরপর থেকে তাদের সংসারের নানা বিষয় নিয়ে ১ম স্ত্রীর মরিয়মের মধ্যে প্রায় ঝগড়া ও মনমানিল্য চলে আসছিল। এ নিয়ে গ্রামে কয়েক দফায় সালিশ বৈঠক হয়। গতকাল শুক্রবার সকালে ফেরদৌস প্রামানিক তার ১ম স্ত্রী মরিয়ম বেগমকে মানসিক নির্যাতন করে। ওইদিন বেলা সাড়ে ১২টায় তাদের মাটির ঘরের দ্বিতলায় তালার তীরের সাথে গলায় দড়ির ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধু মরিয়ম বেগমের লাশ দেখে প্রতিবেশিরা থানা পুলিশে খবর দেন। ঘটনার পর থেকে ওই গৃহবধুর স্বামী ফেরদৌস প্রামানিক গা ঢাকা দেয় বলে গ্রামবাসি জানান। নিহতের ভাই মহিদুল ইসলাম জানান, আমার বোন মরিয়ম বেগমকে কৌশলে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ আতাউর রহমান জানান, মৃত্যু ঘটনাটি রহস্যজনক হওয়ায় লাশ উদ্ধার করে মর্র্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে। ময়না তদন্তের রির্পোট পাওয়া গেলে মৃত্যুর সঠিক কারন জানা যাবে।
৭ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ৩৫ মিনিট আগে
৭ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে
৮ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে