জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ দ্বিতীয় জানাজা শেষে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সম্মানিত পীর আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ নাছেরুল হক চিশতি। মিরসরাই জাতীয়তাবাদী ফোরামের সংযুক্ত আরব আমিরাত শাখার আহবায়ক কমিটি গঠন, আহবায়ক নুর উদ্দিন; সদস্য সচিব নুরের নবী চৌধুরী মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ঝিনাইগাতীতে মসজিদ কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধের জেরে প্রাণ গেল বিএনপি নেতা সালেহ আহমেদের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনায় জাতীয় ঐক্য গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ইসলামপুরে মসজিদে ইউপি নির্বাচনে ভোট চায়লেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রতন হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ তিনজন লক্ষ্মীপুর থেকে গ্রেফতার মোংলা বন্দর ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলে গড়ে উঠবে নতুন অর্থনৈতিক হাব: নৌপরিবহনমন্ত্রী কালিগঞ্জে মসজিদের জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ, পাঁচ মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন জাবিপ্রবিতে ৫ নিয়োগ, স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন পবিপ্রবি ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালের উদ্যোগে মাধবপাশায় বিনামূল্যে ভেটেরিনারি ক্যাম্প ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত কয়রায় এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহবায়ক এ্যাড. আবুবকর সম্পাদক নাসরুল্লাহ বিপ্লব-সংহতি দিবসে বিএনপির শোভাযাত্রা, নেতৃত্বে তারেক রহমান রাজনৈতিক মদদ ছাড়া মাদক সিন্ডিকেট চালানো অসম্ভব: ইশরাক কটিয়াদীতে জামাত নেতা মেজর(অব:) আখতারুজামান রঞ্জণকে গনসংবর্ধনা প্রদান কুলিয়ারচরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২ ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধন লোহাগাড়ার দক্ষিণ শুকছড়ী দরবার শরীফের সম্মানিত পীর সৈয়দ মুহাম্মদ নাছেরুল হক চিশতি'র ইন্তেকাল, শোকের ছায়া দিনাজপুরে ১০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ লিমা হত্যা: স্বামী গ্রেপ্তার

গোয়ালন্দে প্রতিরোধ যুদ্ধ ও গনহত্যা দিবস পালিত, অর্থাভাবে থেমে আছে ভাস্কর্য নির্মান কাজ

গোয়ালন্দে প্রতিরোধ যুদ্ধ ও গনহত্যা দিবস পালিত, অর্থাভাবে থেমে আছে ভাস্কর্য নির্মান কাজ আজ ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার গোয়ালন্দ প্রতিরোধ যুদ্ধ ও গণহত্যা দিবস। মুক্তিকামী জনতা এই দিন প্রিয় গোয়ালন্দকে রক্ষা করতে যার যা ছিল তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলায় ঝাঁপিয়ে পড়েন। দিবসটি যথাযথ মর্যাদার সাথে পালন করেছেন এলাকাবাসী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭১ সালের ২১ এপ্রিল ভোরে মানিকগঞ্জের আরিচাঘাট থেকে একটি গানবোট ও একটি কে-টাইপ ফেরি বোঝাই করে পাকবাহিনী প্রথম এসে নামে পদ্মাপারের গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর কামারডাঙ্গি এলাকায়। সেখান থেকে পাক বাহিনী বাহাদুরপুর এলাকায় এগিয়ে এলে স্থানীয় জনতার সহায়তায় ইপিআর, আনসার ও মুক্তিবাহিনী হালকা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের প্রতিরোধ সৃষ্টি করে। এ সময় হানাদারদের বুলেটে প্রথম শহিদ হন আনসার কমান্ডার ফকির মহিউদ্দিন। এছাড়া শহিদ হন হাবিল শেখ ও ছবেদ আলী মণ্ডল নামে আরও দুই ব্যক্তি এবং গুলিবিদ্ধ হন অনেকে। তবে পাক বাহিনীর ভারি অস্ত্র-সস্ত্রের সামনে প্রতিরোধ যুদ্ধ দীর্ঘ সময় স্থায়ী হয়নি। এরপর পাকবাহিনী ঘাটে নেমে পার্শ্ববর্তী বালিয়াডাঙা গ্রামে ঢুকে নিরীহ গ্রামবাসীর ঘরবাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। সেখানে হানাদারদের বুলেটে শহিদ হন ওই গ্রামের স্বাধীনতাকামী অনেক নিরীহ নারী-পুরুষ। গনহত্যার শিকার নারী-পুরুষরা হলেন ছবেদ আলী, হাবিল মন্ডল, কবি তোফাজ্জল হোসেন, জিন্দার আলী মৃধা, নায়েব আলী বেপারী, মতিয়ার রহমান, জয়নদ্দিন ফকির, কাদের মোল্লা, হামেদ শেখ, কানাই শেখ, ফুলবরু বেগম, মোলায়েম সরদার, বরুজান বিবি, আমজাদ হোসেন, মাধব বৈরাগী, আহাম্মদ আলী মন্ডল, খোদেজা বেগম, করিম মোল্যা, আমোদ শেখ, কুরবান শেখ, মোকসেদ শেখ, নিশিকান্ত রায়, মাছেম শেখ, ধলাবরু বেগম, আলেয়া খাতুন, বাহেজ পাগলাসহ নাম না জানা আরো অনেকে। বালিয়াডাঙ্গা গ্রামে গনহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালানো শেষে পাক বাহিনী গোয়ালন্দ বাজারে প্রবেশ করে আগুন দিয়ে বাজারের দোকানপাট পুড়িয়ে দেয়। পুড়িয়ে দেয় আনছারদের ক্লাব ঘরটিও। এভাবে আনছার ক্লাবটি পুড়িয়ে দেয়ায় আনছারদের সমস্ত ডকুমেন্টস ধ্বংস হয়ে যায়। পাশাপাশি তাদের কমান্ডার ফকির মহিউদ্দিন শহীদ হয়ে যাওয়ায় পরবর্তীতে আনছার বাহিনীর অনেক প্রতিরোধ যোদ্ধা পরবর্তীতে তথ্য প্রমানের অভাবে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে পারেননি। এদিকে বিগত বছরগুলোর মতো এবারও ২১ এপ্রিল প্রতিরোধ যুদ্ধ ও গনহত্যা দিবসটি জাতীয় পতাকা উত্তোলন, দোয়া ও আলোচনা সভার মাধ্যমে পালন করেছেন এলাকাবাসী। বাহাদুরপুর গ্রামে ২১ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ৭ অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন অনুষ্ঠানের আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার জুয়েল বাহাদুর। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন প্রতিরোধ যুদ্ধের যোদ্ধা, সরকারী গোয়ালন্দ কামরুল ইসলাম কলেজের সাবেক  অধ্যক্ষ খোন্দকার আব্দুল মুহিত, গোয়ালন্দ পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল কাশেম মন্ডল, অবসরপ্রাপ্ত পিটিআই ইন্সট্রাক্টর মফিজুল ইসলাম তানসেন, উজানচর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও  গোয়ালন্দ মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর্য পরিষদের সদস্য সেলিম খান সলিম, সদস্য জিয়াউল হক বাবলু,  অবসরপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা বাবলু বেপারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, গনহত্যার শিকার শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও এলাকাবাসী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনটি করেন শেখ নাজিম উদ্দিন রাসেল। অনুষ্ঠানের সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধ ভাস্কর্য পরিষদের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার জুয়েল বাহাদুর বলেন, ২১ এপ্রিলের ইতিহাসকে বাঁচিয়ে রাখতে তারা পারিবারিকভাবে প্রতিরোধযুদ্ধ এলাকায় জমি দান করেছেন। কয়েক বছর আগে রাজবাড়ী জেলা পরিষদের অর্থায়নে এখানে একটি ভাস্কর্য নির্মানের কিছুটা কাজ করা হয়। কিন্তু নতুন করে অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় ভাস্কর্যটির অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না। আমি এ বিষয়ে স্হানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।
আরও খবর
6aee49fddeb18-071126034325.webp
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

৮ ঘন্টা ১৯ মিনিট আগে