আশাশুনি উপজেলা সদর বাজার ও মরিচ্চাপ ব্রীজ নদী ভাঙ্গনে হুমকীগ্রস্থ হওয়ায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম তাজকিয়া।বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর ১২ টার দিকে তিনি ভাঙ্গনস্থল পরিদর্শন করেন ও এক সপ্তাহের মধ্যে বাঁধ রক্ষার কাজ করার আশ্বাস প্রদান করেন।
এ সময় পাউবো'র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নাজমুল হক, এসডিই রাশেদুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমির আবু মুসা তারিকুজ্জামান তুষার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মশিউর হুদা তুহিন, বাজার কমিটির সেক্রেটারী এবিএম আলমগীর পিন্টু, জামায়াত নেতা মাওঃ রুহুল কুদ্দুস, বাজার কমিটির কোষাধ্যক্ষ আহসান উল্লাহ, দপ্তর সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও আশাশুনি প্রেসক্লাবের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনকালে পাউবো'র নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম তাসকিয়া সাংবাদিকদের জানান, জাতীয় সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস রবিউল বাশার মহোদয়ের নিকট থেকে ভয়াবহ ভাঙ্গনের বিষয়ে অবহিত হয়ে সরজমিনে পরিদর্শনে এসেছি। তিনি বলেন, মরিচ্চাপ নদী খনন করা হয়েছে। নদীর গভীরতা কম থাকায় স্রোতের টানে বাজার সংলগ্ন নদী ভাঙ্গন প্রকট আকার ধারন করেছে। আগামী ১সপ্তাহর মধ্যে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা হিসেবে বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং কাজ শুরু হবে। উপস্থিত সূধীজনের দাবীর মুখে তিনি বলেন, স্থায়ী ভাঙ্গন রোধে কার্যকরী ব্যবস্থা হিসেবে সিসি ব্লক কাজের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হবে। প্রস্তাব পাশ হওয়া সাপেক্ষে ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে বলে তিনি আশ্বাস প্রদান করেন।
প্রসঙ্গতঃ মরিচ্চাপ নদী খননের পর সদর বাজার ও মরিচ্চাপ নদীর উপর নির্মিত মরিচ্চাপ ব্রীজ এলাকা ভয়াবহ নদী ভাঙ্গন পূর্বের থেকে প্রকট আকার ধারণ করেছে। ফলে বাজার ও ব্রীজ হুমকির সম্মুখিন হয়ে পড়েছে। বাজারের অসংখ্য দোকানপাট, সরকারি বেসরকারি অফিস, বসতবাড়ী যে কোন মুহূর্তে মরিচ্চাপ নদী গর্ভে বিলীন হতে পারে। ইতোমধ্যে, ব্রীজ সংলগ্ন একটি পাকা বসত বাড়ী নদী গর্ভে চলে গেছে। উপস্থিত ব্যক্তিবর্গ জানান, দ্রুত বাজার রক্ষা, ব্রীজ ও ব্রীজের উত্তর পার্শ্বে চাপড়া-মাদ্রা গ্রামের ভাঙ্গনও প্রকট আকার ধারন করেছে। মাদ্রা গ্রামের সামনে ভাঙ্গনও দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ওই গ্রামের বাড়ী ঘর নদী গর্ভে চলে যাবে। দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে পাউবো'র উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভূক্তভোগী এলাকাবাসি।