গোয়ালন্দে পদ্মায় ৫২টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার, আগুনে ধ্বংস শ্রীমঙ্গলে রিসোর্টে গোপনে গেস্টের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করা সেই মেঘমালতি এখন বেলাশেষে রিসোর্ট সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে নিয়ে আলাদা অনুসন্ধান নয় : বাংলাদেশ ব্যাংক সার্ককে আরও গতিশীল ও কার্যকর করার পক্ষে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ শিয়াল ঠেকাতে জিআই তারে বিদ্যুৎ সঞ্চালন, সেই ফাঁদেই প্রাণ গেল খামারির লাখাইয়ে টানা বৃষ্টির কারনে উর্দুমুখী সবজি বাজার, ক্রেতাদের মাথায় হাত। মার্শাল আর্ট ক্লাব কাপে শ্রীমঙ্গলের দুই শিক্ষার্থীর সাফল্য শাবিপ্রবিতে নটর ডেম কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ফ্রেশার্স ওয়েলকাম অ্যান্ড অ্যালামনাই মিট অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে কবরস্থানে গাছে ঝুলন্ত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার ফেরি থেকে পদ্মায় ঝাঁপ দেওয়া নারী ৪ ঘণ্টা পর জীবিত উদ্ধার রামপালে  খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্প এলাকা চীনের পরিদর্শন বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি উপকূলের শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক ম্যানগ্রোভ দিবস উৎযাপন আদমদীঘিতে ৫৮ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার - ১ তুরস্ক সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান কোচ নিয়োগ পরীক্ষায় ফেল, ফের বিজ্ঞপ্তি বিসিবির দেশের শৃঙ্খলা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর অবদান গুরুত্বপূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী পীরগাছায় নতুন জামে মসজিদে প্রথম জামাতে নামাজ আদায়ের উদ্বোধন বরিশাল: জন্মদিনে বেসরকারি কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ২৫% ছাড় ঘোষণা-- ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন তাপস ক্ষেপণাস্ত্র সঙ্কটের শঙ্কায় ইরানে মার্কিন হামলা বন্ধ

সড়কের দোষ খুঁজি, কিন্তু চালকের অপরাধ এড়াই কেন?

মুন্সি শাহাব উদ্দীন, চট্টগ্রাম 

সড়ক দুর্ঘটনায় দায় কার? সড়কের, নাকি বেপরোয়া চালকের? প্রশ্নটা এখন আর তর্কের বিষয় নয়, বরং বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়ে এক নির্মম উত্তর খোঁজার বিষয় হয়ে গেছে।

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করার দাবি বহুদিনের। জনসাধারণ বারবার রাস্তায় নেমে সেই দাবি জানালেও প্রতিশ্রুতি আর আশ্বাসের চৌকাঠ পেরিয়ে বাস্তবতায় পৌঁছায়নি তা আজও। অবকাঠামোর এই দুর্বলতা যেমন একটি বড় সমস্যা, তেমনি তার চেয়েও ভয়ংকর বাস্তবতা হলো রাস্তা থাকলেও যদি চালকের হাতে নিয়ন্ত্রণ না থাকে, তবে সেই রাস্তা আসলে মৃত্যু-ফাঁদ ছাড়া আর কিছু নয়।

আজকাল সড়কে গাড়ি মানেই যেন প্রতিযোগিতা। কে কত দ্রুত মৃত্যু পৌঁছে দিতে পারে তার এক নীরব প্রতিযোগিতা। অতিরিক্ত গতি, ওভারটেকের অসুস্থ প্রতিযোগিতা, আর বেপরোয়া চালনার ফলে প্রতিদিন ঝরছে প্রাণ। কখনো পথচারী চাপা পড়ছে, কখনো ছোট যানবাহনকে পিষে দিচ্ছে ভারী বাস-ট্রাক। যাত্রীরা উঠছে গন্তব্যে পৌঁছানোর আশায়, আর নেমে যাচ্ছে নিথর দেহ হয়ে, কিংবা অনেকেই আর নামতেই পারছে না।

কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া লোহাগাড়ার চুনতিতে দুই মারশা পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষের মতো দুর্ঘটনা যেন এই অব্যবস্থারই ভয়াবহ ফল। কত পরিবার এক নিমিষে নিঃস্ব হয়ে গেল, কত স্বপ্ন থেমে গেল মাঝপথে তার হিসাব কে দেবে? ক্ষতিপূরণ কি সেই হারানো প্রাণ ফিরিয়ে দিতে পারে?

আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেক সময় শোনা যায় চালকদের একাংশ নাকি মাদকাসক্ত অবস্থাতেও স্টিয়ারিং হাতে বসে যান। যদি এই অভিযোগের সামান্য সত্যতাও থেকে থাকে, তবে সেটি শুধু আইন লঙ্ঘন নয়, সরাসরি হত্যার লাইসেন্স নিয়ে রাস্তায় নামার নামান্তর।

তাই প্রশ্নটা আজ স্পষ্ট, দোষ কি শুধুই সড়কের? নাকি সেই হাতগুলোর, যারা স্টিয়ারিং ঘুরিয়ে নিয়ন্ত্রণের বদলে মৃত্যুকে ডেকে আনে? অবকাঠামো উন্নয়ন জরুরি, কিন্তু তার চেয়েও জরুরি চালকের শৃঙ্খলা, কঠোর আইন প্রয়োগ, এবং দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।

কারণ রাস্তা যতই উন্নত হোক, যদি চালকের মনোভাব বেপরোয়া থাকে, তাহলে সে রাস্তা উন্নয়নের নয়, বরং শোকের মিছিলের নাম হয়ে উঠবে।


Tag
আরও খবর