ঢাকা উত্তর সিটিতে আসিফ মাহমুদ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা ভ্রাতৃত্বের বন্ধন অটুট রাখতে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের বার্ষিক নৈশভোজ অনুষ্ঠিত মোবাইল অ্যাপ ভিত্তিক ভয়ংকর জুয়া খেলায় আসক্ত বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ পৈতৃক ভিটা নিয়ে সালিশ, অর্থ লেনদেনের অভিযোগ ঘরছাড়া শিশুর পা কেটে নামানো হয় ভিক্ষাবৃত্তিতে, ৭ মাস পর বাবার বুকে ফিরল রায়হান গোল্ড মেডেল পেলেন শাহেদুল আলম ও ফাহমিদা ফয়সাল আয়েশা, সংবর্ধনা ৭৩ কৃতী শিক্ষার্থীকে শ্রীমঙ্গলে বায়তুল আমান মাদ্রাসায় ফলাফল প্রকাশ ও অভিভাবক সমাবেশ, মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বৃত্তির ঘোষণা ১৯ সেপ্টেম্বর 'ঢাকা টু রংপুর' লংমার্চ' সফল করতে পীরগাছা উপজেলা জামায়াতের প্রস্তুতিমূলক সভা গারাংগিয়া সড়ক রক্ষায় সাহসী সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম, ভারী যান ও দখলদারির বিরুদ্ধে প্রশাসনে আবেদন ‎​বহুলীতে আলোচনার তুঙ্গে জেলা বিএনপির উপদেষ্টা এস এম রঞ্জু: পাল্টে যাচ্ছে মাঠের হিসাব বানিয়াচংয়ে নারীদের গোসলের ছবি তোলা নিয়ে সংঘর্ষ : আহত অর্ধশতাধিক পানি সম্পদ মন্ত্রী হিসাবে আমিই প্রথম ভোলাকে রক্ষার করার চেষ্টা করেছি স্পিকার মেজর হাফিজ আশাশুনির নাকতাড়া কমিউনিটি ক্লিনিক ভবনের নাজুক অবস্থায় জীবন শংসয় বাঘায় দু'টি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও তাজা গুলিসহ এক নারী আটক শ্যামনগর ভয়েস অব সিটিজেন্স কমিটির অর্ধ-বার্ষিক সভা লাখাইয়ে মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে ৯০পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার। ১০ দিনেও খোঁজ মেলেনি ফোরকানের ‎যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন অর্ধেকে জাতীয় গ্রিডে বড় ধরনের সংকটের শঙ্কা ‎ প্রাণবৈচিত্র্য সমৃদ্ধ কৃষি খামার গড়ে তুলেছেন উপকূলের চন্দনা রানী সাতক্ষীরা বিচার বিভাগের সমস্যা দ্রুতই সমাধান হবে: আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান

মোবাইল অ্যাপ ভিত্তিক ভয়ংকর জুয়া খেলায় আসক্ত বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ

মোবাইল ফোনে অ্যাপ ভিত্তিক ভয়ংকর জুয়া খেলায় আসক্ত হয়ে পড়ছে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ  । এই মোবাইলে গেম কেন্দ্রিক জুয়া খেলার প্রবণতাও বাড়ছে।

মোবাইলে চলছে জুয়া ধংসের পথে যুব সমাজ

 মোবাইলে মোবাইলে চলছে জমজমাট লুডু জুয়া। এতে করে বিপথগামীর পথে ছাত্র ও যুবসমাজ। বিভিন্ন সূত্রে খোঁজখবর এবং সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামগন্জে বাজার এলাকাসহ উপজেলার বিভিন্ন ছোট-বড় দোকানে, বা গোপন কোনো ঘরে,রাতের আধারে রাস্তার পাশে বসে চলছে এসব জুয়া। সচেতন নাগরিকরা মনে করছে ছাত্র ও যুবসমাজ নষ্টের পথে যাচ্ছে।

এসব জুয়াকে এখনই বন্ধ না করলে যুবসমাজ বিপথগামী হবে। মোবাইলে জুয়া বন্ধে জনসচেতনা বাড়াতে হবে। সবাই যার যার জায়গা থেকে এটার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা বলেন,  বিভিন্ন দোকানে বসে মোবাইলে লুডু খেলার নামে জুয়া খেলা চলে। এটা বন্ধে প্রশাসন ও স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের সহযোগিতা কামনা করেন স্থানীয় ব্যক্তিরা। তারা আরো বলেন, এখানে জুয়া খেললেও এদের শনাক্ত করা কঠিন। এটা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একার পক্ষে নির্মূল করা সম্ভব নয়। তবে সচেতনতা বাড়াতে হবে। বেশি বেশি এর কুফল নিয়ে প্রচার করতে হবে। তাহলে মানুষ নিজ থেকেই এসব থেকে সরে আসবে।

এছাড়া, গ্রাম-গঞ্জের বিভিন্ন দোকান, লোক সমাগম কম এমন স্থানের গ্রামাঞ্চলের  নিরিবিলি জায়গায় ৩ থেকে ৪ জন একসঙ্গে বসে মোবাইল ফোনে এই জুয়া খেলছে। এমনকি বিভিন্ন বাসা-বাড়িতেও স্কুলপড়ুয়া কিশোর-তরুণরা এই জুয়া খেলায় জড়িয়ে পড়ছে। এতে প্রতিটি গেমে খেলোয়াড়রা কমপক্ষে ৫০ থেকে ৫০০ টাকা বাজি ধরছে। সারাদিনের বিভিন্ন সময়ে এ খেলা চলতেই থাকে। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবারগুলো। জুয়ার টাকা জোগাড় করতে বিপথগামী হয়ে পড়ছে তরুণ এবং কিশোরা।মোবাইলে এই জুয়ার টাকা জোগাড় করতে নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে তারা।

তবে অভিভাবকরা বলেন- যে এ্যাপস এর মাধ্যমে এই জুয়া খেলা বন্ধ করা উচিত। কেননা এ খেলা নিয়েই মারা-মারিসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হয়। অনতিবিলম্বে এটা বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দরকার।

এরাকার বেশ কয়েকজন তরুনের অভিভাবকেরা বলেন- এই জুয়া খেলায় উঠতি বয়সের তরুণরা বেশি ঝুঁকছে। তরুণরা ছাড়াও বিভিন্ন বয়সের লোকজন এ খেলার সাথে জড়িত। অতি দ্রুত এ খেলা বন্ধ করার জন্য তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

মোবাইলে লুডু খেলা এখন জুয়ায় পরিণত হয়েছে

এক সময় যে লুডু র্বোড ছিল কাগজের তৈরি এখন তা মোবাইলে অ‍্যাপের মাধ্যমে পাওয়া যায়। এখন মোবাইলের মাধ্যমে চলছে  ডিজিটাল জুয়া। স্মার্টফোনে লুডু কিং নামে একটি অ‍্যাপ ইনস্টল করে সর্বোচ্চ চার জন মিলে এ খেলা খেলতে পারেন।

এ খেলার ধরন রয়েছে দু প্রকার।একটি অনলাইনের মাধ্যমে অপরটি একটি মোবাইলে একসঙ্গে বসে খেলা।তবে অনলাইন ছাড়া একসঙ্গে চারজনের খেলার প্রবণতা বেশি দেখা গেছে।চারজন মিলে খেললে একেকটি গেম শেষ হতে সময় লাগে প্রায় ৩০,মিনিট প্রতি গেইমে বাজি ধরা হয়।১০০-৫০০টাকা কোনো কোনো ক্ষেত্রে টাকার পরিমাণ আরও বেশি হয়।এছাড়া খেলা নিয়ে কথা কাটাকাটির ছলে ঝগড়া ও মারামারি পর্যন্ত হয়ে যায়। তা দেখে এখন বড়রাও এই খেলায় আসক্ত হয়ে পড়েছে।

 এমত অবস্থায় এই লুডুর মাধ্যমে জুয়া খেলা যদি বন্ধ করা না হয় তাহলে সমাজের বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে। ,এই মোবাইল লুডু জোয়া খেলা এখন চুরি ডাকাতি ও সামাজিক বিভিন্ন অপকর্মের প্রধান হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 নেশা ও মোবাইল অ্যাপ ভিত্তিক ভংয়কর জুয়ায় আসক্ত স্কুল-কলেজ  পড়ুয়া ছাত্ররা

 অভিভাবকদের তার আদরের সন্তানের প্রতি সচেতনতা ও দায়িত্ব আরে বেশি বেশি বাড়ানো খুবেই প্রয়োজন।প্রযুক্তির সাথে তালমিলিয়ে  আপনার সন্তানকে মোবাইল কিনে দিয়েছেন, ব্যস, সেদিন থেকে সে বই-পুস্তক ফেলে মোবাইল নিয়েই পড়ে থাকে!!

প্রায় গ্রামের মোড়ে বইয়ের বদলে  মোবাইলে গ্রুপ গেমিংয়ের মাধ্যমে জুয়া খেলা চলছে। তথ্য নিয়ে জানা যায়,বিশেষ করে  হাই স্কুল/কলেজ  পড়ুয়া ছাত্ররা  স্কুল/কলেজ ছুটি শেষে তারা  বিভিন্ন জায়গায় দোকানে গিয়ে নেশায় আসক্ত হচ্ছে।  দেখা যাই স্মার্ট ফোন হাতে অনলাইন জুয়া ও ক্যারামবোড খেলায় ব্যস্ত ,অনলাইন এ্যাপ ভিত্তিক জুয়া খেলা প্রায় শতকরা ৫০% ছাত্রদের স্মার্ট ফোনের দিকে তাকালে দেখা যায় এ্যাপ ইনষ্টল করা আছে মোবাইলে।

গত কিছুদিন আগে  দিন আগে  কিছু ছাত্রীদের হাতে সিগারেট ছবি ভাইরাল হয়েছে।

আপনি অভিভাবক হয়তো মনে করছেন আপনার  ছেলে/মেয়ে নেশা /জুয়া কি বোঝে না অনেক ভালো কিন্তু সেই ছোট্ট ছেলে মেয়েটা নেশায় আসক্ত হয়ে গেছে।

কিশোর বয়সে তাদের  লাগাম টেনে ধরতে না পারলে অভিভাবক হিসাবে সারাজীবন আপনাকে পস্তাতে হবে।

কিশোর বয়সে তারা একে একে সকল কে একএে করে স্কুল ছুটি ও প্রাইভেট কোচিং শেষে বিভিন্ন ফাঁকা জায়গায় গিয়ে নেশা ও মোবাইলে জুয়ার আসক্ত হচ্ছে।

কিশোর বয়সে স্কুল/কলেজ পড়ুয়া ছাত্ররা যখন নেশার টাকা জোগাতে পারবে না।তখন তারা কিশোর গ্যাং শহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িয়ে যাবে।তাই এখনেই সময় আপনার অনেক আদরের সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মিশে কি করছে,স্কুল ছুটি ও প্রাইভেট কোচিং শেষ হওয়ার সাথে সাথে বাসায় যাচ্ছে কি না।এই বিষয় গুলো নিয়ে বেশি বেশি সচেতনতা বাড়াতে হবে।শুধু শিক্ষকের উপর ভরসা রাখলে হবে না।সন্তান টা আপনার আপনার সন্তান নেশায় আসক্ত হবে।সারাজীবন ক্ষতিটা আপনার হবে।

সিগারেট ও  তরুণ শিক্ষার্থী 

স্কুল/কলেজে যারা পড়ে তারা আমার-আপনার ভাই। অনেকের ছেলে। স্থানীয়রা সবাই একে-অপরকে নাম পরিচয়ে না চিনলেও মুখ পরিচয়ে হলেও চিনি। 

সিগারেট বিড়ি খাবেই স্বাভাবিক।  এটা মানুষের অভ্যাসগত অভাব। তাই বলে একটা ক্লাস ৮ /৯  এবং কলেজ পড়ুয়া ছাত্ররা প্রতিনিয়ত চায়ের দোকানের পিছনে বসে সিগারেট খাবে এটা বেমানান। 

ক্লাস ৮ বা ৯ এর স্টুডেন্টের বয়সই বা কতো?? ১২-১৫ বছর। এ বয়সটা স্কিল ডেভলপের। দুঃখজনক হলেও এটাই সত্যি যে এই নেশা বিপদজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে তরুণদের সিগারেট খাওয়া। এর থেকে মুক্তির জন্য দরকার তাদের সাথে কথা বলা। কাউন্সিলিং করা। বিশেষ করে সে সব দোকানদারদের বুঝানো। 



Tag
আরও খবর