শেরপুরে জাতীয় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত। কাদের-নাসিমদের অর্ধেক সম্পদ জুলাই শহীদদের দেয়ার নির্দেশ আদালতের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত : ডা. জাহেদ কুলিয়ারচরে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণে ৩ একর জমি অধিগ্রহণের নোটিশ দক্ষিণ চরবংশীতে আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক শেখের গোডাউনসহ তিন সারের দোকানে তল্লাশি শ্যামনগরে সড়ক দুর্ঘটনায় এক ব্যক্তি নিহত সিনেমা থেকে রাজনীতি: বন্দবিলার ইউপি চেয়ারম্যান সবদুল হোসেন খানের ব্যতিক্রমী পথচলা ওবায়দুল কাদের-আরাফাতসহ ৭ শীর্ষ নেতার রায় আজ দুই পরাশক্তির বিপক্ষে বাংলাদেশ নারী উদ্যোক্তাদের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে শামা ওবায়েদকে চীন সফরের আমন্ত্রণ প্রবাসীদের জরুরি নির্দেশনা দিল ওমানের বাংলাদেশ দূতাবাস বানিয়াচংয়ে দু পক্ষের সংঘর্ষ: নিহত ১ কুতুবদিয়ায় বইছে নির্বাচনী আমেজ চাঁদের পাশে জ্বলজ্বলে তারা, সন্ধ্যার আকাশে অপূর্ব মায়াবী দৃশ্য। একটি পা হারানো অবস্থায় বাবার বুকে ফিরল রায়হান, বাঁচতে চায় মানুষের ভালোবাসায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আগুন বহুলীতে পরিবর্তনের অঙ্গীকারে সোচ্চার জনগণ: সবার মুখে এস এম রঞ্জুর নাম নবারুণ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতি কমেছে? হাতিয়ায় ফের ২১ শিক্ষার্থী শ্রেণি কক্ষে অসুস্থ হয়ে পরে ‎বাগেরহাটের শরণখোলায় বলেশ্বর নদে বিশাল কুমিরের উপস্থিতি, স্থানীয় মৎস্যজীবীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক

সিনেমা থেকে রাজনীতি: বন্দবিলার ইউপি চেয়ারম্যান সবদুল হোসেন খানের ব্যতিক্রমী পথচলা

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নের পাঠান পাইকপাড়া গ্রামের সন্তান সবদুল হোসেন খান। জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও বন্দবিলা ইউপির টানা দুইবারের নির্বাচিত এই চেয়ারম্যানের জীবন যেন এক নাটকীয় সিনেমার গল্প।

প্রয়াত আব্দুল কাদের খানের পাঁচ সন্তানের মধ্যে সেজ সন্তান সবদুল হোসেন খানের রাজনীতিতে হাতেখড়ি নব্বইয়ের দশকে। তৎকালীন যশোর সরকারি এমএম কলেজে পড়াকালীন সময় থেকেই তিনি জড়িয়ে পড়েন বামধারার ছাত্র রাজনীতিতে। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে ঢাকায় স্নাতক অধ্যয়নকালে তাঁর জীবনে আসে এক নতুন মোড়।

তৎকালীন বাঙলা সিনেমার সোনালী সময়ে ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’ নামের একটি চলচ্চিত্রে মূল চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান তিনি। মাথাভর্তি ঝাঁকড়া চুল আর ঢিলেঢালা পোশাকে তারুণ্যে উদ্ভাসিত সবদুলকে নিয়ে সে সময় নিজ এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হলেও নানা জটিলতায় শেষ পর্যন্ত সিনেমাটি আর আলোর মুখ দেখেনি।

সিনেমার রুপালী জগতের রঙিন স্বপ্ন পেছনে ফেলে ২০০৩ সালে নিজ এলাকায় ফিরে আসেন সবদুল। এরপর পুরোদমে মনোনিবেশ করেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনীতি ও জনসেবায়। তবে তাঁর জনপ্রতিনিধি হওয়ার পথটি মোটেও মসৃণ ছিল না। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান পদে পর পর দুইবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হলেও তিনি দমে যাননি।

অবশেষে ২০১৬ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আসে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। পাঁচবারের সাবেক চেয়ারম্যানকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো বন্দবিলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সবদুল হোসেন খান। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ইউপি নির্বাচনেও নিজ দল ওয়ার্কার্স পার্টির ‘হাতুড়ি’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকে পরাজিত করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান হিসেবে নিজের অবস্থান শক্ত করেন।

চিত্রনায়ক হওয়ার অপূর্ণ স্বপ্ন থেকে শুরু করে রাজপথের ঘাত-প্রতিঘাত পার করে সফল জনপ্রতিনিধি হয়ে ওঠার এই দীর্ঘ পথচলা বন্দবিলার স্থানীয় রাজনীতিতে এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী অধ্যায় হয়ে রয়েছে। টানা দু'বারের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও জয়লাভ করে হ্যাটট্রিক করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।


আরও খবর