মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে দেশের ভুক্তভোগী ও নির্যাতিত মানুষের নেতা সম্বোধন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেছেন, আখতারুজ্জামান এখন শুধু জামায়াতে ইসলামীর নেতা নন; তিনি দেশের ভুক্তভোগী ও নির্যাতিত মানুষের নেতা হয়ে উঠেছেন।
রোববার (০৪ অক্টোবর) ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জনসচেতনতা সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনগণ এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
শফিকুর রহমান বলেন, বিমানবন্দরের দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ করায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, দুইবারের সাবেক সংসদ সদস্য আখতারুজ্জামানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আখতারুজ্জামান বিমানবন্দরের দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ করেছেন। ওমরাহ শেষে দেশে ফেরার পর লাগেজ পাওয়ার জন্য আখতারুজ্জামানকে তিন ঘণ্টারও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ওমরাহ শেষে ফেরার সময় আখতারুজ্জামান ও তার সঙ্গীরা সঙ্গে করে জমজমের পানি নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু পরে তাদের হাতে অন্যদের পরিত্যক্ত কিছু জমজমের পানি ধরিয়ে দেয়া হয়। এ বিষয়ে প্রথমে তাদের জানানো হয়, কনটেইনার মদিনায় রয়ে গেছে এবং সেটি আপলোড করা হয়নি। পরে খোঁজ নিয়ে বলা হয়, কনটেইনার বিমানবন্দরে এসেছে, তবে ভুলক্রমে বেল্টে দেয়া হয়নি।
এসব ঘটনার জন্য দায়ী কারা, এমন প্রশ্ন তুলেন জামায়াত আমীর। তিনি বলেন, আখতারুজ্জামানের মতো একজন পরিচিত নাগরিকের সঙ্গেই যদি এমন ঘটনা ঘটে। তাহলে বিমানবন্দরের সাধারণ যাত্রীদের কী পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, একই সময়ে জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন সংসদ সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বিমানবন্দরে এসেছিলেন। তাদের সঙ্গেও অশোভন আচরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো সদয় ব্যবহার করা হয়নি।
আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে করা মামলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে যে মামলা করা হয়েছে, তা মিথ্যা মামলা। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, আখতারুজ্জামান একজনকে শারীরিকভাবে নাজেহাল করেছেন। আখতারুজ্জামান কারও গায়ে হাত তোলেননি।
বিমানবন্দর সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকার কথা উল্লেখ করে জামায়াত আমীর বলেন, আদালতে আইনজীবী আখতারুজ্জামান কাকে মেরেছেন, তার প্রমাণ দেখাতে বলেছেন। কিন্তু তখন বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট এলাকায় কোনো ক্যামেরা ছিল না।
২ দিন ১৫ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
৩ দিন ২২ ঘন্টা ৪৩ মিনিট আগে
৬ দিন ১৬ ঘন্টা ১ মিনিট আগে
৭ দিন ১৭ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে
৭ দিন ১৭ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে
৯ দিন ৪১ মিনিট আগে
১১ দিন ১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে