ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি রাজনীতি-আমলাতান্ত্রিক দুষ্টচক্রের হাতে রাষ্ট্রসংস্কার জিম্মি: টিআইবি ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার: দুর্গাপূজার শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী আল-আমিন হোসেনের লেখা কবিতা "মেঘকন্যা" নাগেশ্বরীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানালেন বিএনপি নেতা সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী আজিজুল হক অভয়নগরে পুড়াখালী তা'লিমুল কুরআন মাদ্রাসায় কুরআনের পাখিদের সবক অনুষ্ঠিত সাংবাদিক আলিফ ফকির হত্যার প্রতিবাদে চন্দনাইশে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ গলাচিপায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে দৈনিক কালবেলার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন লাখাইয়ে ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত রোমান মিয়া গ্রেফতার। মোটরসাইকেলের সামনেও বসাতে হবে নম্বরপ্লেট, সময়সীমা ১৫ নভেম্বর সর্বদা পাশে থেকে সহোযোগিতার আশ্বাস এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের শ্যামনগরে উপজেলা অভিযোজন পরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত। লোহাগাড়ায় ব্যবসায়ী অপহরণ, স্বামীকে ফেরত চান স্ত্রী দেবহাটায় শামীম হত্যা মামলায় দুই আসামি আটক শেরপুরে তথ্য অধিকার ও সেবাপ্রাপ্তি বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত মা ইলিশ রক্ষায় পদ্মায় রাতভর যৌথ অভিযান, ১ লাখ ১০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল জব্দ এ আর গ্রুপের উদ্যোগে ১২ কিলোমিটার মর্নিং রান অনুষ্ঠিত কুলিয়ারচরে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় সৎ ভাসুর ও ভাতিজাকে ফাঁসাতে মিথ্যা অভিযোগ দাখিল মহাসপ্তমী: শক্তি, প্রকৃতি ও মানবতার আরাধনা--সচ্চিদানন্দ দে সদয় সারিয়াকান্দিতে পূজামণ্ডপ ও অসচ্ছল মন্দিরে জেলা পরিষদের অনুদান প্রদান

১০ ‘দুর্বল’ ব্যাংক চলবে নিবিড় তত্ত্বাবধানে

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 17-08-2022 04:19:05 pm

ফাইল ছবি

◾ নিউজ ডেস্ক


ব্যাংক খাতের সুরক্ষায় ১০টি দুর্বল ব্যাংককে নিবিড় তত্ত্বাবধানে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যাংকগুলো হচ্ছে--ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, পদ্মা, জনতা, ন্যাশনাল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন, সোনালী, রূপালী, অগ্রণী, বাংলাদেশ কৃষি ও এক্সিম ব্যাংক। খেলাপি ঋণ, আমানতের বিপরীতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি ও মূলধন ঘাটতি বিবেচনায় এই ব্যাংকগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে। 


সম্প্রতি এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ব্যাংক খাতে সুশাসন আনতে ১০টি ব্যাংককে নিবিড় তত্ত্বাবধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে এই দশটি ব্যাংক তিন বছর মেয়াদি চুক্তি করবে। যেখানে ব্যাংকগুলো তাদের আগামী তিন বছরের কর্মপরিকল্পনা জানাবে। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজের অগ্রগতি তদারকি করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।


তবে বিষয়টিকে ‘ভুল সিদ্ধান্ত’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিশ্লেষকরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘শুধু ১০ টি ব্যাংককে নিবিড় তত্ত্বাবধানে রেখে সুশাসন ফিরিয়ে আনা যাবে না। সব ব্যাংকেই তদারকির প্রয়োজন রয়েছে। এসব ব্যাংকে আগে থেকেই পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেওয়া ছিল। কিন্তু তারা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেননি। শুধু ঘোষণা দিলেই হবে না, আর্থিক খাতের সংকট নিরসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে আরও জোরালো ভূমিকা পালন করতে হবে। যেসব আইন আছে, সেগুলো যথাযথভাবে প্রয়োগের কোনো বিকল্প নেই।‘


বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নিবিড় তত্ত্বাবধান শুরু হতে যাওয়া এসব ব্যাংকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে বিদেশি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান। ব্যাংটির বিতরণকৃত মোট ঋণের ৯৯ শতাংশই খেলাপি। টাকার অঙ্কে যা ১ হাজার ৩৬৯ কোটি টাকা। 


এরপরই রয়েছে পদ্মা ব্যাংক (সাবেক ফারমার্স ব্যাংক)। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী চলতি বছরের জুন শেষে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা, যা বিতরণকৃত মোট ঋণের ৬৮ শতাংশ। ব্যাংকটির ঋণ আমানত অনুপাত (এডিআর) ৯৮ শতাংশের ঘরে। কিন্তু আইন অনুয়ায়ী, ব্যাংকের মোট আমানতের শতকরা ৮৭ টাকার বেশি বিনিয়োগ করতে পারে না। এ ছাড়া ব্যাংটির মূলধন ঘাটতি ১০৫ কোটি টাকা।


সরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে, জনতা ব্যাংকের ২৫ ভাগই জুন শেষ খেলাপি হয়ে পড়েছে। টাকার অংকে যা ১৭ হাজার ২৬৩ কোটি টাকা। আর ৬৪০ কোটি টাকা প্রভিশন ঘাটতিতে রয়েছে ব্যাংকটি। মার্চভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৯১৫ কোটি টাকার মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে জনতা ব্যাংক। 


ন্যাশনাল ব্যাংকের মোট খেলাপি ঋণ ৯ হাজার ৩৯৪ কোটি। বিতরণকৃত ঋণের যা ২৩ শতাংশ। ব্যাংকটির প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ ৭ হাজার ১১৬ কোটি টাকা। ব্যাংকটির ঋণ আমানত অনুপাতের হার ৯১ শতাংশ, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত সীমার চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি।


সরকারি মালিকানাধীন বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের বর্তমান খেলাপির পরিমাণ ১ হাজার ৪৩০ কোটি টাকা, যা বিতরণকৃত মোট ঋণের ২১ শতাংশ। ব্যাংকটির মূলধন ঘাটতি ১ হাজার ৭৬৮ কোটি টাকা। 


সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১৮ শতাংশ। টাকার অঙ্কে যা ১২ হাজার ১২৬ কোটি টাকা। ৮২৯ কোটি টাকা মূলধন ঘাটতি রয়েছে ব্যাংকটির।


রূপালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ৬ হাজার ৪৬৬ কোটি, যা বিতরণকৃত মোট ঋণের ১৭ শতাংশ। এ মুহূর্তে ব্যাংকটির ২ হাজার ৯৬২ কোটি টাকা প্রভিশন ঘাটতি এবং ১ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা মূলধন ঘাটতি রয়েছে। অগ্রণী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১০ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকা, যা বিতরণকৃত মোট ঋণের ১৭ শতাংশ। ব্যাংকটির ২ হাজার ৯৭৩ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতি এবং ১ হাজার ৯৬৮ কোটি টাকার মূলধন ঘাটতি রয়েছে। 


পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ২ হাজার ৬২৫ কোটি টাকা। ব্যাংকটির মূলধন ঘাটতি ১২ হাজার ৮৭৭ কোটি টাকা। বেসরকারি খাতের এক্সিম ব্যাংককেও রাখা হয়েছে নিবিড় তত্ত্বাবধানের এ তালিকায়। কারণ ২৭ জানুয়ারি ২০২২ এর তথ্য অনুযায়ী ব্যাংকটির ঋণ আমানত অনুপাতের (এডিআর) হার ৯৭ শতাংশ, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নির্ধারিত সীমার অনেক ওপরে। এ ছাড়া এক্সিম ব্যাংকের বর্তমান খেলাপির পরিমাণ ১ হাজার ৭১০ কোটি টাকা।

আরও খবর




6ac3391cdab47-051026114356.webp
পাঁচ দিনের ব্যবধানে কমলো স্বর্ণের দাম

১১ দিন ২৩ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে