জাগরণের আহ্বান- সজিব হোসেন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ লাখ চোখের ছানি অপারেশন ও ১ কোটি চশমা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুবিপ্রবির দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও তৃতীয় ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন পটুয়াখালীর বড়বাইশদিয়া আব্দুল হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোঃ জুলহাস মিয়া বছরে ৩৬ লাখ টাকা বেতন-ভাতা, ১৪ শিক্ষকেও পাস করাতে পারেনি ৬ শিক্ষার্থীকে! মানুষের জন্য মানুষ ঝিনাইগাতীতে এসআইএল-এর আয়োজনে শাকসবজি চাষের বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন ও বিভিন্ন প্রকার শাকসবজির বীজ বিতরণ বাগরা মদিনাতুল উলূম ইসলামিয়া মাদ্রাসার ১৮তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত অনুসন্ধানী সাংবাদিক এহসানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের জরুরি সভা, বিবৃতি ও কর্মসূচির ডাক সুন্দরবন, বঙ্গোপসাগর ও মোংলা বন্দর ঘিরে অর্থনীতির নতুন দিগন্তঃবাস্তবায়নে কতদূর বাংলাদেশ? বিএনপি নেতা সাজলের আকস্মিক মৃত্যুতে এমপি কয়ছর আহমদ সহ বিভিন্ন মহলের শোক ঝিনাইগাতীর গারো পাহাড়ের বনাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে উত্তোলন করা ১৫০ সিএফটি পাথর জব্দ লোহাগাড়ায় স্কুলশিক্ষক অপহরণ, দুই ঘন্টার মধ্যে উদ্ধার, আটক ২ লোহাগাড়ায় স্কুলশিক্ষক অপহরণ, ৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার; গ্রেপ্তার ২ পবিপ্রবিতে বৃহত্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় ছাত্র ফোরামের নতুন কমিটি ঘোষণা শ্রীমঙ্গলে দুই দফা অভিযান: ২৬ হাজার ঘনফুট অবৈধ বালু জব্দ দিনাজপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থীতা‌‌ নির্ধারণে ফাজিলপুর ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন তরুণদের ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক বগুড়ার আদমদীঘিতে মাদক কারবারি গ্রেফতার

২০৩০ সালের মধ্যে ১০ লাখ চোখের ছানি অপারেশন ও ১ কোটি চশমা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 03-11-2026 05:16:18 pm

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত বলেছেন, দেশের নাগরিকদের অন্ধত্ব ও দৃষ্টিত্রুটি দূর করতে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ লাখ চোখের ছানি অপারেশন ও মানসম্মত দৃষ্টিসেবার আওতায় ১ কোটি চশমা বিতরণের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। একই সময়ে জাতীয় রেফারেল সুবিধার মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি মানুষকে চক্ষু স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনা হবে।


মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিশ্ব চক্ষু স্বাস্থ্য সম্মেলনে দেয়া এক ভিডিও বক্তব্যে বর্তমান সরকারের এ প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। সম্মেলনে তাঁর ধারণকৃত ভিডিও বক্তব্যটি প্রচারিত হয়।


স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের যৌথ উদ্যোগে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা সরকারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে চক্ষু স্বাস্থ্যের এই বৈশ্বিক সম্মেলন। এই সম্মেলনের সহ আয়োজক হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ।


স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব ও দৃষ্টিহীনতা কেবল একটি মানবিক বিপর্যয়ই নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের অর্থনীতির ওপরও এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, জাতীয় উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নাগরিক সম্ভাবনা বাস্তবায়নের জন্য চোখের সুস্থ দৃষ্টি অপরিহার্য।


সম্মেলনে বাংলাদেশের অবস্থান ও পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার চোখের স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে জাতীয় অঙ্গীকার ঘোষণা করেছে। এর অংশ হিসেবে ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদে জাতীয় চক্ষু স্বাস্থ্য কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।


পরিকল্পনার বিস্তারিত উল্লেখ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের ২ কোটি মানুষকে সম্প্রসারিত রেফারেল সুবিধার মাধ্যমে চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা হবে। এছাড়া দৃষ্টিত্রুটি দূর করতে এক কোটি চশমা বিতরণ এবং একই সময়ে ১০ লাখ মানুষের চোখের ছানি অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ।


ভিডিও বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত আরও বলেন, প্রত্যেক নাগরিকের চোখ পরীক্ষা এবং প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্বমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলাই আমাদের জাতীয় অঙ্গীকার। জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে আমরা অন্ধত্ব ও দৃষ্টিত্রুটি প্রতিরোধ, সচেতনতা তৈরি এবং এর বিস্তার রোধে কাজ চালিয়ে যাব।


নাগরিকদের সার্বজনীন চোখের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে বলেও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।


সম্মেলনের সাফল্য কামনা করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে সবার জন্য স্পষ্ট দৃষ্টি বা ‘ক্লিয়ার ভিশন’ নিশ্চিতের এই বৈশ্বিক প্রচেষ্টা মানব ইতিহাসে একটি অনন্য মাইলফলক হয়ে থাকবে।

আরও খবর