মূল্যস্ফীতিতে সাধারণ মানুষ চাপে আছে: অর্থমন্ত্রী নোয়াখালীতে ইয়াবা সেবনের দায়ে দুইজনের কারাদণ্ড সুন্দরবনে কয়লাবাহী জাহাজের ধাক্কায় জেলের মৃত্যু রামপালে রেকর্ড ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন নোয়াখালীতে আবারও কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৪৫ ছেলেকে দেখতে গিয়ে গ্রেপ্তার বাবা, কারাগারে বাপ বেটা দুজনই দেবহাটায় অভিযানে বিপুল উইনকোরেক্সসহ নারী আটক লাখাইয়ে পুলিশ অভিযানে ১৫পিচ ইয়াবা সহ ৬ মামলার আসামী গ্রেপ্তার। শ্রীমঙ্গলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বিরল প্রজাতির সোনালী হনুমানের মৃত্যু লাখাইয়ে সুতাংনদীর স্তূপীকৃত বালু নিয়ে নানা সমস্যা নিরসনে নেই দৃশ্যমান উদ্যোগ। শিক্ষা-গবেষণায় শিল্প সংযোগে জাবিপ্রবির নতুন উদ্যোগ, ৫টি এমওইউ স্বাক্ষর কুলিয়ারচরের ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও আসছে ‘ওপেন ক্রেডিট’ ও ‘সেপ্টেম্বর সেশন’: ইউজিসি সদস্য অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে আটক ১ উলিপুরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্বর্ধনা প্রদান সোনার পাড়া ব্লু-গার্ড দল কর্তৃক পরিবেশ রক্ষায় কার্যকরী উদ্যোগ। সাতক্ষীরায় ছুরিকাঘাতে ১৯ বছরের তরুণ নিহত বাগেরহাটের মোংলার ৩৫ মণ্ডপে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেলেন তা’মীরুল মিল্লাতের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান সায়েম! সুন্দরবন সংলগ্ন নীলডুমুর বাজার দূষণমুক্ত রাখতে ব্যবসায়ীদের মাঝে ডাস্টবিন বিতরণ

৫ কারণে ঘটতে পারে এসি বিস্ফোরণ

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 18-03-2023 04:12:21 am

সংগৃহীত ছবি

শীতকালে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গরমে হঠাৎ করেই বেড়ে যায় এসির ব্যবহার। এই সময়টাতেই সাধারণত এসি বিস্ফোরণের ঘটনা বেশি ঘটে থাকে। 


২০২০ সালের ৪ সেপ্টেম্বর। এদিন এশার নামাজের সময় হঠাৎ বিস্ফোরিত হয় নারায়ণগঞ্জের বায়তুস সালাত জামে মসজিদের কয়েকটি এসি। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ২১ জন মুসল্লি। পরে চিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় আরও ১২ জনের। 


ফায়ার সার্ভিসের তথ্য বলছে, শুধু এটিই নয়, সে বছর এসিতে এমন অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে অন্তত ৩২টি। তার পরের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে এসিতে আগুনের ঘটনা ঘটে ৩৯টি। ২০২২ সালে সেটি আরও বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮টিতে। সবশেষ গেল সপ্তাহে রাজধানীতে ৩টি বিস্ফোরণে প্রাণ গেছে ২৫ জনের। এসব বিস্ফোরণের সঙ্গে এসির সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


কিন্তু কেন বিস্ফোরণ হয় এসি? জানতে গিয়ে উঠে আসে ৫ কারণ। সেগুলো হলো:


১। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে অন্য গ্যাস জমে থাকা

২। এসি নিয়মিত পরিষ্কার ও মেরামত না করা

৩। চাহিদার তুলনায় কম টনের এসি প্রতিস্থাপন

৪। এক গ্যাসের কমপ্রেশারে অন্য প্রজাতির গ্যাস ব্যবহার। 

৫। নিম্নমানের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার।


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিবকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আদিল মোহাম্মদ খান বলেন, এসি নিজেতো বিস্ফোরিত হতে পারে সেটা একটা কারণ। এছাড়া শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে যে কোনোভাবে দাহ্য কোনো গ্যাস প্রবেশ করলে আবদ্ধ পরিবেশের কারণে সেটি বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় না। ফলে অতিরিক্ত মাত্রায় বেড়ে গেলে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে সেই গ্যাস। উদাহারণ হিসেবে বলতে পারি, কোনোভাবে একটি এসি রুমে স্যুয়ারেজের লাইন থেকে যদি গ্যাস জমে যায় তাহলে সেখান থেকে বিস্ফোরণ হয়েও কিন্তু প্রাণ ঝরতে পারে।


তড়িৎকৌশল বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ খান বলেন, এসি নিয়মিত পরিষ্কার না করলে এর ভেতরে ময়লা জমে বাতাস আসার রাস্তা বন্ধ করে দেয়। এ কারণে চাহিদার তুলনায় কম বাতাস সরবরাহ করতে পারে যন্ত্রটি। ফলে অতিরিক্ত চাপে বিস্ফোরণ ঘটে এই যন্ত্রে। বিশেষ করে শীতকালের পরে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর এসিগুলো চালু করা হয়। তখন ভেতরে অনেক লাইন লক হয়ে থাকে। তখন সেটি ছাড়লে চাহিদামতো বাতাস ছাড়তে পারে না এসিটি। যা বিস্ফোরণের কারণ হয়। 


তিনি আরও বলেন, বড় কক্ষে চাহিদার তুলনায় কম ক্ষমতাসম্পন্ন এসি প্রতিস্থাপন করলে অতিরিক্ত চাপে সেটিও বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে। উদাহারণ হিসেবে বলা যায়, ধরুন আপনি ২ টন চাহিদার একটি কক্ষে এক টনের একটি এসি লাগিয়েছেন। সেটি অনেক চেষ্টা করবে রুমটিকে ঠান্ডা করতে কিন্তু পারবে না। তখন এসিটি বিস্ফোরণের পর্যায়ে যেতে পারে। তবে সচেতন থাকলে এটা আগেই বুঝা সম্ভব। 


ফায়ার সার্ভিসের সাবেক পরিচালক (অপারেশন ও মেন্টেনেন্স) মেজর (অব.) এ কে এম শাকিল নেওয়াজ বলেন, আগে এসিতে হাইড্রো ফ্লোরো কার্বন (ফ্যারন) গ্যাস ব্যবহার হতো। কিন্তু এখন পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে এটির ব্যবহার বন্ধ করা হয়েছে। বাজারে এটা তেমন পাওয়াও যায় না। এখন ব্যবহার হয় পিওরন। আমাদের পুরোনো যেসব এসি আছে সেগুলোতে ফ্যারনের সিলিন্ডার দেওয়া। কিন্তু এখন বাজারে ফ্যারন না পাওয়ায় অনেকে ফ্যারনের সিলিন্ডারে পিওরন গ্যাস ভরেন। কিন্তু ওই সিলিন্ডার পিওরনের জন্য উপযুক্ত না। এটাই বিস্ফোরণের বড় কারণ হতে পারে। তাছাড়া রিফিলের সময় দোকানদার কোন গ্যাস দিচ্ছে আমরা সেটা জানিও না। এটাওতো বড় কারণ। 


এখন প্রত্যন্ত গ্রামেও এসি চলছে। চায়না থেকে যে লো ক্যাটাগরির পণ্যগুলো আসছে সেগুলোর মান যাচাই হচ্ছে কি না? প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, উচিত হলো সেগুলোর নির্দেশনা দেখে যথাযথ স্থানে প্রতিস্থাপন করা, প্রয়োজনীয় কানেকশানগুলোও যাচাই বাছাই করে দেওয়া। সুইচটা ঠিক আছে কিনা দেখা।  


নিম্নমানের পণ্য নিয়ন্ত্রণে বাজার কন্ট্রোল করা না গেলে এবং মানদণ্ড নিশ্চিত করা না হলে দুর্ঘটনা এড়ানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


◾ সূত্র-বাংলাভিশন

আরও খবর

6a82d57801c14-170826033344.webp
এয়ারটেল এখন ‘সার্কেল’

৪৭ দিন ১৪ ঘন্টা ৮ মিনিট আগে



6a68d73948e34-280726102217.webp
আইফোন ব্যবহারকারীদের সতর্ক করল অ্যাপল

৬৭ দিন ৭ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে


69f813c0cc28f-040526093424.webp
হোয়াটসঅ্যাপ থেকে করা যাবে মোবাইল রিচার্জ

১৫২ দিন ২০ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে




696381043fa3a-110126045252.webp
ইন্টারনেট প্যাকেজে ৩ গুণ গতি বাড়ানোর ঘোষণা

২৬৫ দিন ১২ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে