লালপুরে মসজিদের ডিজিটালসাইনবোর্ডে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, আটক ১ ফুলবাড়ী সীমান্তে বিএসএফের রাবার বুলেটে ভারতীয় চোরাকারবারী নিহত আশাশুনির বিছটে খোলপেটুয়া নদীর বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে ১০ গ্রাম প্লাবিত ,হাজার হাজার পিরবার ঘর ছাড়া গাজীপুরে মহুয়া কমিউটার ট্রেনে আগুন ভ্যান চালককে খুন করে পালানোর সময় ডাকাত গ্রেফতার নন্দীগ্রামে দিগন্ত ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত অটোরিকশার সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পাঁচ শিশুসহ আহত-৬ গাইবান্ধায় সাংবাদিকের উপর হামলার প্রতিবাদে হামলাকারীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন। বানারীপাড়ায় গোসল করতে নেমে তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী নিখোঁজ সেনবাগে কর্মরত সাংবাদিকদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ব্যাংককের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭% শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র ঢাকাস্থ ঝিনাইগাতী যুব ফোরামের উন্নয়ন সংলাপ ও ঈদ পুনর্মিলনী আদমদীঘিতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বার্মিজ চাকুসহ আটক ১ মিল্লাত অ্যাসোসিয়েশন কিশোরগঞ্জের ঈদ পূনর্মীলনী অনুষ্ঠিত। লালপুর মসজিদের ডিজিটাল সাইনবোর্ডে জয় বাংলা স্লোগান লেখা ফুচকা খেয়ে অভয়নগরে ২১৩ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ঈদের ছুটিতে সুন্দরবনে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতসহ দেশী-বিদেশী পর্যটকের ভিড় কুতুবদিয়া সমুদ্র সৈকতে ভ্রমণ পিপাসু মানুষের ঈদ আনন্দ-উচ্ছাস উখিয়ায় মাদক কারবারি ইমাম হোসেন আটক

৫ কারণে ঘটতে পারে এসি বিস্ফোরণ

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 18-03-2023 04:12:21 am

সংগৃহীত ছবি

শীতকালে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গরমে হঠাৎ করেই বেড়ে যায় এসির ব্যবহার। এই সময়টাতেই সাধারণত এসি বিস্ফোরণের ঘটনা বেশি ঘটে থাকে। 


২০২০ সালের ৪ সেপ্টেম্বর। এদিন এশার নামাজের সময় হঠাৎ বিস্ফোরিত হয় নারায়ণগঞ্জের বায়তুস সালাত জামে মসজিদের কয়েকটি এসি। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ২১ জন মুসল্লি। পরে চিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় আরও ১২ জনের। 


ফায়ার সার্ভিসের তথ্য বলছে, শুধু এটিই নয়, সে বছর এসিতে এমন অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে অন্তত ৩২টি। তার পরের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে এসিতে আগুনের ঘটনা ঘটে ৩৯টি। ২০২২ সালে সেটি আরও বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮টিতে। সবশেষ গেল সপ্তাহে রাজধানীতে ৩টি বিস্ফোরণে প্রাণ গেছে ২৫ জনের। এসব বিস্ফোরণের সঙ্গে এসির সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


কিন্তু কেন বিস্ফোরণ হয় এসি? জানতে গিয়ে উঠে আসে ৫ কারণ। সেগুলো হলো:


১। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে অন্য গ্যাস জমে থাকা

২। এসি নিয়মিত পরিষ্কার ও মেরামত না করা

৩। চাহিদার তুলনায় কম টনের এসি প্রতিস্থাপন

৪। এক গ্যাসের কমপ্রেশারে অন্য প্রজাতির গ্যাস ব্যবহার। 

৫। নিম্নমানের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার।


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিবকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আদিল মোহাম্মদ খান বলেন, এসি নিজেতো বিস্ফোরিত হতে পারে সেটা একটা কারণ। এছাড়া শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে যে কোনোভাবে দাহ্য কোনো গ্যাস প্রবেশ করলে আবদ্ধ পরিবেশের কারণে সেটি বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় না। ফলে অতিরিক্ত মাত্রায় বেড়ে গেলে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে সেই গ্যাস। উদাহারণ হিসেবে বলতে পারি, কোনোভাবে একটি এসি রুমে স্যুয়ারেজের লাইন থেকে যদি গ্যাস জমে যায় তাহলে সেখান থেকে বিস্ফোরণ হয়েও কিন্তু প্রাণ ঝরতে পারে।


তড়িৎকৌশল বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ খান বলেন, এসি নিয়মিত পরিষ্কার না করলে এর ভেতরে ময়লা জমে বাতাস আসার রাস্তা বন্ধ করে দেয়। এ কারণে চাহিদার তুলনায় কম বাতাস সরবরাহ করতে পারে যন্ত্রটি। ফলে অতিরিক্ত চাপে বিস্ফোরণ ঘটে এই যন্ত্রে। বিশেষ করে শীতকালের পরে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর এসিগুলো চালু করা হয়। তখন ভেতরে অনেক লাইন লক হয়ে থাকে। তখন সেটি ছাড়লে চাহিদামতো বাতাস ছাড়তে পারে না এসিটি। যা বিস্ফোরণের কারণ হয়। 


তিনি আরও বলেন, বড় কক্ষে চাহিদার তুলনায় কম ক্ষমতাসম্পন্ন এসি প্রতিস্থাপন করলে অতিরিক্ত চাপে সেটিও বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে। উদাহারণ হিসেবে বলা যায়, ধরুন আপনি ২ টন চাহিদার একটি কক্ষে এক টনের একটি এসি লাগিয়েছেন। সেটি অনেক চেষ্টা করবে রুমটিকে ঠান্ডা করতে কিন্তু পারবে না। তখন এসিটি বিস্ফোরণের পর্যায়ে যেতে পারে। তবে সচেতন থাকলে এটা আগেই বুঝা সম্ভব। 


ফায়ার সার্ভিসের সাবেক পরিচালক (অপারেশন ও মেন্টেনেন্স) মেজর (অব.) এ কে এম শাকিল নেওয়াজ বলেন, আগে এসিতে হাইড্রো ফ্লোরো কার্বন (ফ্যারন) গ্যাস ব্যবহার হতো। কিন্তু এখন পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে এটির ব্যবহার বন্ধ করা হয়েছে। বাজারে এটা তেমন পাওয়াও যায় না। এখন ব্যবহার হয় পিওরন। আমাদের পুরোনো যেসব এসি আছে সেগুলোতে ফ্যারনের সিলিন্ডার দেওয়া। কিন্তু এখন বাজারে ফ্যারন না পাওয়ায় অনেকে ফ্যারনের সিলিন্ডারে পিওরন গ্যাস ভরেন। কিন্তু ওই সিলিন্ডার পিওরনের জন্য উপযুক্ত না। এটাই বিস্ফোরণের বড় কারণ হতে পারে। তাছাড়া রিফিলের সময় দোকানদার কোন গ্যাস দিচ্ছে আমরা সেটা জানিও না। এটাওতো বড় কারণ। 


এখন প্রত্যন্ত গ্রামেও এসি চলছে। চায়না থেকে যে লো ক্যাটাগরির পণ্যগুলো আসছে সেগুলোর মান যাচাই হচ্ছে কি না? প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, উচিত হলো সেগুলোর নির্দেশনা দেখে যথাযথ স্থানে প্রতিস্থাপন করা, প্রয়োজনীয় কানেকশানগুলোও যাচাই বাছাই করে দেওয়া। সুইচটা ঠিক আছে কিনা দেখা।  


নিম্নমানের পণ্য নিয়ন্ত্রণে বাজার কন্ট্রোল করা না গেলে এবং মানদণ্ড নিশ্চিত করা না হলে দুর্ঘটনা এড়ানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


◾ সূত্র-বাংলাভিশন

আরও খবর
67e772b431b1e-290325101028.webp
কোন ওয়েবসাইট বিপজ্জনক, আগেই জানা যাবে

৫ দিন ১৪ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে





67c25356a9f3a-010325062246.webp
ইউটিউবের নতুন ফিচার, থাকছে যেসব সুবিধা

৩৩ দিন ১৮ ঘন্টা ৯ মিনিট আগে




67a038a44f952-030225093148.webp
এআইচালিত রোবট বাজারে আনছে চীন

৫৯ দিন ২২ ঘন্টা ০ মিনিট আগে