চিলমারীতে "ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে নির্মাণাধীন নদী-বন্দর প্রকল্পে" নিন্মমানের ও খারাপ পাথর ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে বৃহস্পতিবারে নতুন ব্রিজে দক্ষিণ চট্টগ্রামের যাত্রীদের ‘ভাড়া-ভোগান্তি’ বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা পলাশে ছাত্রদল নেতা মাসুম হত্যার প্রধান আসামীসহ গ্রেপ্তার ৫ জন জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে চোর সন্দেহে দুই যুবককে নির্যাতন, নিহত ১ পবিপ্রবিতে ইংলিশ, ক্যারিয়ার ও স্টাডি অ্যাব্রড বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত ‎সুন্দরবনে হরিণ শিকারের মহোৎসব: ৪৫ কেজি মাংসসহ আটক ২ পাচারকারী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ দুর্ভোগ কমাতে মৌতলায় ২০ শয্যার হাসপাতাল চান এলাকাবাসী আরাফাত রহমান কোকোর স্মরণে কৃষ্ণনগরে জমজমাট ফুটবল টুর্নামেন্ট নাগেশ্বরীতে উপজেলা বিএনপির বিশেষ মতবিনিময় সভা: ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকার আহ্বান শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব পরিদর্শন ও ক্লাবের উন্নয়নে ৫০ হাজার টাকার অনুদান দিলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই — প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফর, প্রস্তুতি নিচ্ছে দিল্লি পলাশের ডাঙ্গায় দীর্ঘ দুই বছর পর পুলিশ ক্যাম্পের শুভ উদ্বোধন নন্দীগ্রামে ডা. লিটনের প্রচেষ্টায় স্বাস্থ্যখাত ফিরে পেয়েছে নতুন গতি ইসলামপুর সদর ইউনিয়নে বিএনপি নেতা আবু সাইদের আগাম নির্বাচনী জনসভা আশাশুনির বুধহাটা-পাইথালী সড়কের বেহাল দশা, জনভোগান্তি চরম ‎সুন্দরবনে বন্যপ্রাণী শিকার ও বনজ সম্পদ ধ্বংস হ্রাস: জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বন বিভাগের নিবিড় পর্যবেক্ষণ শ্রীমঙ্গলে চুরি ও মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

৫ কারণে ঘটতে পারে এসি বিস্ফোরণ

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 18-03-2023 04:12:21 am

সংগৃহীত ছবি

শীতকালে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গরমে হঠাৎ করেই বেড়ে যায় এসির ব্যবহার। এই সময়টাতেই সাধারণত এসি বিস্ফোরণের ঘটনা বেশি ঘটে থাকে। 


২০২০ সালের ৪ সেপ্টেম্বর। এদিন এশার নামাজের সময় হঠাৎ বিস্ফোরিত হয় নারায়ণগঞ্জের বায়তুস সালাত জামে মসজিদের কয়েকটি এসি। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান ২১ জন মুসল্লি। পরে চিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় আরও ১২ জনের। 


ফায়ার সার্ভিসের তথ্য বলছে, শুধু এটিই নয়, সে বছর এসিতে এমন অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে অন্তত ৩২টি। তার পরের বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে এসিতে আগুনের ঘটনা ঘটে ৩৯টি। ২০২২ সালে সেটি আরও বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮টিতে। সবশেষ গেল সপ্তাহে রাজধানীতে ৩টি বিস্ফোরণে প্রাণ গেছে ২৫ জনের। এসব বিস্ফোরণের সঙ্গে এসির সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।


কিন্তু কেন বিস্ফোরণ হয় এসি? জানতে গিয়ে উঠে আসে ৫ কারণ। সেগুলো হলো:


১। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে অন্য গ্যাস জমে থাকা

২। এসি নিয়মিত পরিষ্কার ও মেরামত না করা

৩। চাহিদার তুলনায় কম টনের এসি প্রতিস্থাপন

৪। এক গ্যাসের কমপ্রেশারে অন্য প্রজাতির গ্যাস ব্যবহার। 

৫। নিম্নমানের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার।


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিবকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আদিল মোহাম্মদ খান বলেন, এসি নিজেতো বিস্ফোরিত হতে পারে সেটা একটা কারণ। এছাড়া শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে যে কোনোভাবে দাহ্য কোনো গ্যাস প্রবেশ করলে আবদ্ধ পরিবেশের কারণে সেটি বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় না। ফলে অতিরিক্ত মাত্রায় বেড়ে গেলে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে সেই গ্যাস। উদাহারণ হিসেবে বলতে পারি, কোনোভাবে একটি এসি রুমে স্যুয়ারেজের লাইন থেকে যদি গ্যাস জমে যায় তাহলে সেখান থেকে বিস্ফোরণ হয়েও কিন্তু প্রাণ ঝরতে পারে।


তড়িৎকৌশল বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ খান বলেন, এসি নিয়মিত পরিষ্কার না করলে এর ভেতরে ময়লা জমে বাতাস আসার রাস্তা বন্ধ করে দেয়। এ কারণে চাহিদার তুলনায় কম বাতাস সরবরাহ করতে পারে যন্ত্রটি। ফলে অতিরিক্ত চাপে বিস্ফোরণ ঘটে এই যন্ত্রে। বিশেষ করে শীতকালের পরে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর এসিগুলো চালু করা হয়। তখন ভেতরে অনেক লাইন লক হয়ে থাকে। তখন সেটি ছাড়লে চাহিদামতো বাতাস ছাড়তে পারে না এসিটি। যা বিস্ফোরণের কারণ হয়। 


তিনি আরও বলেন, বড় কক্ষে চাহিদার তুলনায় কম ক্ষমতাসম্পন্ন এসি প্রতিস্থাপন করলে অতিরিক্ত চাপে সেটিও বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে। উদাহারণ হিসেবে বলা যায়, ধরুন আপনি ২ টন চাহিদার একটি কক্ষে এক টনের একটি এসি লাগিয়েছেন। সেটি অনেক চেষ্টা করবে রুমটিকে ঠান্ডা করতে কিন্তু পারবে না। তখন এসিটি বিস্ফোরণের পর্যায়ে যেতে পারে। তবে সচেতন থাকলে এটা আগেই বুঝা সম্ভব। 


ফায়ার সার্ভিসের সাবেক পরিচালক (অপারেশন ও মেন্টেনেন্স) মেজর (অব.) এ কে এম শাকিল নেওয়াজ বলেন, আগে এসিতে হাইড্রো ফ্লোরো কার্বন (ফ্যারন) গ্যাস ব্যবহার হতো। কিন্তু এখন পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে এটির ব্যবহার বন্ধ করা হয়েছে। বাজারে এটা তেমন পাওয়াও যায় না। এখন ব্যবহার হয় পিওরন। আমাদের পুরোনো যেসব এসি আছে সেগুলোতে ফ্যারনের সিলিন্ডার দেওয়া। কিন্তু এখন বাজারে ফ্যারন না পাওয়ায় অনেকে ফ্যারনের সিলিন্ডারে পিওরন গ্যাস ভরেন। কিন্তু ওই সিলিন্ডার পিওরনের জন্য উপযুক্ত না। এটাই বিস্ফোরণের বড় কারণ হতে পারে। তাছাড়া রিফিলের সময় দোকানদার কোন গ্যাস দিচ্ছে আমরা সেটা জানিও না। এটাওতো বড় কারণ। 


এখন প্রত্যন্ত গ্রামেও এসি চলছে। চায়না থেকে যে লো ক্যাটাগরির পণ্যগুলো আসছে সেগুলোর মান যাচাই হচ্ছে কি না? প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, উচিত হলো সেগুলোর নির্দেশনা দেখে যথাযথ স্থানে প্রতিস্থাপন করা, প্রয়োজনীয় কানেকশানগুলোও যাচাই বাছাই করে দেওয়া। সুইচটা ঠিক আছে কিনা দেখা।  


নিম্নমানের পণ্য নিয়ন্ত্রণে বাজার কন্ট্রোল করা না গেলে এবং মানদণ্ড নিশ্চিত করা না হলে দুর্ঘটনা এড়ানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


◾ সূত্র-বাংলাভিশন

আরও খবর

6a68d73948e34-280726102217.webp
আইফোন ব্যবহারকারীদের সতর্ক করল অ্যাপল

১৭ দিন ২৩ ঘন্টা ২৭ মিনিট আগে


69f813c0cc28f-040526093424.webp
হোয়াটসঅ্যাপ থেকে করা যাবে মোবাইল রিচার্জ

১০৩ দিন ১২ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে





695b8d3baf5ac-050126040651.webp
গুজব ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে হটলাইন চালু

২২২ দিন ৫ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে