ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আছে ২নং উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ ইসলামপুরের নোয়ারপাড়া ইউনিয়নে বিএনপির ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলন অনুষ্ঠিত উলিপুরে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সার ধাক্কায় মুদি ব্যবসায়ীর মৃত্যু শ্যামনগর উপজেলা নাগরিক কমিটির ত্রৈমাসিক সভা সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযানে জিম্মিদশা থেকে ৬ জেলে উদ্ধার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ নভেম্বর মোংলা-বাগেরহাটে আসছেন আশাশুনি নওয়াপাড়ায় নদী খননের মাটি অবাধে বিক্রি ★হুমকিতে বাঁধ ও সরকারি সড়ক শেরপুরে পাঁচ দিনব্যাপী বইমেলার উদ্বোধন, থাকছে ১০টি স্টল পীরগাছায় ইউএনওর সঙ্গে নৃ-গোষ্ঠী নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেরপুরে নারীদের অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন আয়োজনের প্রস্তুতিমূলক সভা জাগরণের আহ্বান- সজিব হোসেন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ লাখ চোখের ছানি অপারেশন ও ১ কোটি চশমা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুবিপ্রবির দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও তৃতীয় ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন পটুয়াখালীর বড়বাইশদিয়া আব্দুল হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোঃ জুলহাস মিয়া বছরে ৩৬ লাখ টাকা বেতন-ভাতা, ১৪ শিক্ষকেও পাস করাতে পারেনি ৬ শিক্ষার্থীকে! মানুষের জন্য মানুষ ঝিনাইগাতীতে এসআইএল-এর আয়োজনে শাকসবজি চাষের বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন ও বিভিন্ন প্রকার শাকসবজির বীজ বিতরণ বাগরা মদিনাতুল উলূম ইসলামিয়া মাদ্রাসার ১৮তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত অনুসন্ধানী সাংবাদিক এহসানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের জরুরি সভা, বিবৃতি ও কর্মসূচির ডাক

চিঠি

আমি আপনাকে এখন আর লিখি না,

কেন লিখি না? এ প্রশ্ন করলে

 লিখতে লিখতে দিস্তা কাগজের 

কয়েক পাতা ফুরিয়ে যাবে তবুও শেষ হবে না। 

যাকে লিখতে গেলে,

 বি র হে র আ গু নে পু ড় তে হয়, 

অজস্র শব্দমালারা 

কথার ফুলঝুরিতে ঠাই পায় না, 

যাকে ভাবতে গেলে

 অজস্র হাহাকার চেপে

 অবাধ্য চোখের পানি টলমলিয়ে উপচে পড়ে,

তাকে নিয়ে কেন লিখব?


"কেমন আছেন- ভালো আছির" মতো,

 ছোটোখাটো প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করে না আজকাল। অবশ্য আপনি কখনও 

জানতে চাননি আমি কেমন আছি? 

মানুষ কীভাবে এতটা নি ষ্ঠু র হয়?

 দিন ফুরোয়, 

মানুষের খারাপ লাগা 

ভালো লাগাতে পরিণত হয়,

 আবার খারাপ লাগা পরিণত হয় ভালো লাগায়। 

সময় তো বড্ড অদ্ভুত! 

কখন যে কী করে বলা দায়। 

এই তো আমিও বেশ আছি!

আপনাকে নিয়ে লেখা 

বহু এলোমেলো চিঠি পড়ে আছে মনের ডাকবাক্সে। অথচ ভুল করেও,

আপনাকে সে চিঠি দেওয়ার সাধ্যি আমার নেই,

মনের দূরত্ব বুঝি একেই বলে? 

কেন এমন হয় বলুনতো?

 মনের খেরোখাতায় এভাবে কালিমা

 লে প্টে থাকার কথা ছিলো বুঝি?

আপনাকে নিয়ে আজকাল আমি লিখি না। লিখবোই-বা কেন?

 অমাবস্যার ঘুটঘুটে রাতের মতো যে চলে গিয়েছে তাকে চন্দ্রবিলাসে ডাকার অধিকার আছে বুঝি? 

যে দূরে চলে যায়,

 তাকে নিয়ে অত আদিখ্যেতা করার মানুষ আমি না, তবুও 

অবাধ্য মন মাঝে মাঝে এলোমেলো হয়ে যায়। কী-বোর্ডের কয়েকটা শব্দ জুড়ে,

 আপনি চলে আসেন মনের অজান্তে।

 এবড়ো-খেবড়ো হাতের লেখায়,

 আপনি ঠাই পান ডায়েরির এক কোণে।

 কী অদ্ভুত না বলেন!

 পৃথিবীর কোনো এক প্রান্তে

 এক মানব আপনার বিরহে পুড়ে ছাড়খাড় হয়,

অথচ

 আপনি তা জানেন-ই না।

 আমি জানি আপনাকে ভোলার সাধ্যি নেই।

 যত ভুলতে চাই 

মনজুড়ে যেন ততই আপনি চলে আসেন।

হাহাকারের মাঝে যে মানুষটার উপস্থিতি

 তাকে আজন্মকালের জন্য ভুলতে চাই,

কিন্তু পারি না। 

অনুভূতিরা এত অবাধ্য কেন বলতে পারেন?

আমি ভাবতাম আমাদের দূরত্ব হয়তো,

কোনো একদিন দূর হবে। 

সেই পরিচিত পিচঢালা রাস্তায় মনের দূ র ত্ব,

 পথের  দূ র ত্ব সবকিছুকে দূরে পাঠিয়ে

 আমরা আবার এক হবো। 

কিন্তু 

যে দূর ত্বে র সমীকরণ অমীমাংসিত,

তা বুঝি এত সহজে ঘোচানো যায়? 

কথা লুকানো যায়, 

নিজেকে আড়ালে রাখা যায়, 

ভালোবাসা অপ্রকাশিত রাখা যায়,

 কিন্তু,,,,, অনুভূতি?

 অনুভূতিদের কীভাবে আটকে রাখি বলুন তো?

যদি জানতাম,

এত চেয়েও দূ র ত্ব নামক বস্তুটা

 ছিটকে পড়তে হবে,

 তবে ভুল করেও আপনাকে চাওয়ার দুঃসাহস দেখাতাম না। 

জানেন, 

আমার দ্বারা মস্ত বড় ভুল হয়েছে।

আপনার মত কুৎসিত মনের অধিকারী 

এক মানবীর দিকে চেয়ে।

হ্যাঁ তাই,,,,,

আরও খবর