প্রতিদিন পরিমাণমতো পানি করার উপকারিতা অনেক সেকথা নতুন করে না বললেও চলে। তবে সেই পানি ঠান্ডা না হয়ে গরম হলে উপকার মিলবে বেশি। খাওয়ার পরপর ঠান্ডা পানির পরিবর্তে হালকা গরম পানি খাওয়া পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। ঠান্ডা পানির কারণে সাধারণত যে যে সমস্যাগুলো হয়ে থাকে সেগুলো গরম পানি খেলে একেবারেই হয় না। সেইসঙ্গে হজম ক্ষমতারও উন্নতি ঘটে। ফলে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার কোনো সুযোগই পায় না।
পিরিয়ডের সময়ে মেনস্ট্রয়াল ক্র্যাম্পের প্রকোপ কমাতে গরম পানির কোনো বিকল্প হয় না। এই সময় গরম পানি পান করা শুরু করলে অ্যাবডোমিনাল মাসলের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে ব্যথা কমতে সময় লাগে না।
খুশকির প্রকোপ কমাতে গরম পানি বেশ কার্যকরী। সারাদিন ধরে গরম পানি পান করলে নানা কারণে স্কাল্পের হারিয়ে যাওয়া আর্দ্রতা ফিরে আসে। ফলে খুশকি দ্রুত কমে।
সারাদিন ধরে অল্প অল্প করে গরম পানি খেতে থাকলে একদিকে যেমন শরীরে পানির ঘাটতি দূর হয়, তেমনি শরীরের ভিতরে নানা পরিবর্তন হতে শুরু করে, যার প্রভাবে শুষ্ক ত্বকের সমস্যা তো দূর হয়ই, সেইসঙ্গে ত্বকে প্রবাহের মাত্রা বাড়তে শুরু করায় স্কিন টোনের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না।
গরম পানি স্কিন সেলের ক্ষত সারিয়ে ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। সেই সঙ্গে ত্বক টান টান হয়ে ওঠে এবং বলিরেখাও হ্রাস পায়। ফলে বয়সের কোনো ছাপই ত্বকের উপর পরতে পারে না।
গরম পানি খাওয়া শুরু করলে প্রতিটি হেয়ার সেলের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে হেয়ার ফলের মাত্রা তো কমেই, সেইসঙ্গে চুলের সৌন্দর্য বাড়ে চোখে পরার মতো।
গরম পানি খাওয়া মাত্র শরীরের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে। ফলে ঘাম হতে শুরু হয়। আর ঘামের মাধ্য়মে টক্সিন বেরিয়ে যেতে শুরু করে। এতে করে শরীর সহজেই বিষমুক্ত হয়।
অতিরিক্ত ওজনের কারণে চিন্তায় রয়েছেন? তাহলে আজ থেকেই গরম পানি খাওয়া শুরু করুন। ফল পাবেন একেবারে হাতে নাতে। গরম পানি খেলে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে। ফলে শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার সুযোগই থাকে না।
১২ দিন ১৮ ঘন্টা ৪৩ মিনিট আগে
১৬ দিন ৭ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
১৯ দিন ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট আগে
২২ দিন ৭ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
৩৪ দিন ১৯ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
৪৪ দিন ১০ ঘন্টা ২৭ মিনিট আগে
৪৮ দিন ২২ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৬০ দিন ১৫ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে