গত২৫আগষ্ট দিনাজপুর কোতয়ালি থানায় জুয়েলের দায়েরকৃত অভিযোগ ও প্রতিনিধিকে দেয়া তার তথ্যানুসারে জানা যায় সদরের রানিগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত ভাই ভাই কন্সট্রাকশন ফার্মের স্বত্বাধিকারী মোঃ সাজ্জাদ এর ফার্মে সাইড ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত।সাইডের কাজের জন্য কন্সট্রাকশন ফার্মের স্বত্বাধিকারী মোঃ সাজ্জাদ মা ব্রিক্সে গিয়ে ইটের অর্ডার করে।সেই মোতাবেক আলম ইট প্রদানের নিমিত্তে ভাইভাই কন্সট্রাকশন ফার্মের রেজিস্টার খাতায় সাক্ষর করে ১লক্ষ টাকা গ্রহন করে।টাকা দেওয়ার পর থেকেই বেরিয়ে আসে মা ইট ভাটার স্বত্বাধিকারী আলমের প্রতারনার আসল চেহেরা।ইট দিবো দিচ্ছি,সকাল না বিকাল,বিকাল না সকাল এইভাবে দিনের পর দিন সময় ক্ষেপন করতে থাকে।মা ইট ভাটার স্বত্বাধিকারী ইট প্রদানে ব্যর্থ হলে ভাই ভাই কন্সট্রাকশন ফার্মের নির্দেশে তার সাইড ম্যানেজার মোঃ জুয়েল ইসলাম মা ব্রিক্সে গিয়ে ইট চাইলে আবারও বিভিন্ন তালবাহানা করতে থাকে।এভাবে দিনের পর দিন ইট না দেয়ায় ইট ভাটার স্বত্বাধিকারী আলমের সাথে জুয়েলের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আলমের নির্দেশে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওত পেতে থাকা অত্র ইউনিয়নের সুব্রা গ্রামের মৃত আবুল হোসেন মাষ্টারের ছেলে মোঃ পান্না,নশিপুর এলাকার মৃত নাজির হোসেনের ছেলে মোঃ নাজমুল,মহাদেবপুর এলাকার মোঃ জর্জিজ আলীর ছেলে মোঃফারুকসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৪থেকে ৫জন সহোযোগিদের নিয়ে জুয়েলকে স্লো পয়জন দিয়ে মেরে ফেলার উদ্দেশ্য চারিদিক থেকে ঘিরে ধরে কিল ঘুসি এবং গাছের ডাল দিয়ে এলোপাথারিভাবে মেরে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কালশিরা ফেলে দেয়। জুয়েল মাটিতে পরে গেলে আলম নির্দেশ দেয় তাকে স্লো পয়জন দিয়ে দাও যেন সে আর মাথা তুলে দাড়াতে না পারে।এই কথা অনুযায়ী সহোযোগিদের মধ্যে কানাঘুষা শুরু করলে আমি ভয়ে জীবন রক্ষার্থে সুযোগ বুঝে দৌড়ে পালিয়ে গিয়ে প্রানে রক্ষা পায়।পরে পরিবারের লোকজন জানতে পারলে তার বড় ভাই রুবেল ঘটনাস্থলে আসলে সন্ত্রাসীরা তার ভাইকেও মারধর করে কাপড় চোপড় ছিড়ে ফেলে এবং তার পকেটে থাকা টাকা ছিনেয়ে নেয়। এদিকে জুয়েল প্রান রক্ষার্তে পালিয়ে যাবার এক পর্যায়ে ৫শগজ দুরে ইলিয়াস এর নার্সারীতে গিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।পরে স্থানীয়দের সহোযোগিতায় তার পরিবারকে জানানো হলে পরিবারের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।একাধিক সুত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা যায় "মা ব্রিক্স"এর স্বত্বাধিকারী মোঃআলমগীর ওরফে আলম একাধিক ব্যাক্তির কাছ থেকে ইট দেয়ার কথা বলে অগ্রিম টাকা নিয়ে ইট না দিয়ে তাদের সাথেও একইভাবে দিনের পর দিন প্রতারনা করে চলছে। ইট ভাটার এররকম একজন প্রতারক ব্যক্তি সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের কাছ থেকে ইট দেবার কথা বলে টাকা নিয়ে ইট না দিয়ে প্রতারনার পাশাপাশি সন্ত্রাসী কায়দায় ভয়ভীতি ও মারধর করে নিজের অপরাধকে অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে নিজের দায় এড়ানোর যে কৌশল অবলম্বন করছে তা অচিরেই প্রতিহত করতে তার বিরুদ্ধে দ্রতু আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানান ভুক্তভোগী পরিবার ও ব্যবসায়ি।