সততা,নিষ্ঠা আর সফলতার অনন্য দৃষ্টান্ত প্রতিভু ব্যক্তিত্বের অধিকারী অরবিন্দু শিশু হাসপাতাল এর কোষাধ্যক্ষ,দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক,বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি,দিনাজপুর গুলশান মার্কেট এর সভাপতি,দিনাজপুর জেলা দোকান মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক,আলফালাহ্ জামে মসজিদের সভাপতি এবং পরিবার পরিকল্পনা,রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি,দিনাজপুর ইনস্টিটিউট,কোতয়ালি ফাউন্ডেশন ও শান্তি নিকেতন(বৃদ্ধাশ্রম)এর আজীবন সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হাজী মোঃ জহির শাহ্ এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ও বিভিন্ন সোসাল মিডিয়ায় দেয়া স্ট্যাটাস সম্পূর্ন মিথ্যে ও ভীত্তিহীন বলে জানিয়েছেন অরবিন্দু শিশু হাসপাতাল কতৃপক্ষ।৬ জুলাই সাংবাদিকদের দেয়া এক সাক্ষাতকারে অরবিন্দু শিশু হাসপাতাল দিনাজপুর এর কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ শামীম কবীর ও সহ সভাপতি রঞ্জিত কুমার সিংহ বলেন কোষাধ্যক্ষ জহির শাহ্ এর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই এবং কেউ অভিযোগও দায়ের করেনি।সে সেচ্ছায় তার কোষাধ্যক্ষ পদ থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন,তাই তাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। যারা তার এই অব্যাহতি দেওয়াটাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে বিভিন্ন সোসাল মিডিয়ায় স্ট্যাটাস দিচ্ছে তারা না বুঝেই চিলে কান নিয়ে গেছে কানের দিকে না তাকিয়ে চিলের পেছনে ছুটছে।প্রতিষ্ঠানের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করতেই কতিপয় স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি মিথ্যে অপপ্রচার চালিয়ে সামাজিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে মাত্র।দিনাজপুরে অরবিন্দু শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দীর্ঘ ৩৬বছর সে অরিবিন্দু শিশু হাসপাতালের সাথে জড়িত।তার এই দীর্ঘদিনের চলার পথে অদ্যাবদি প্রতিষ্ঠানের কোন স্টাফ বা একজন ব্যক্তিও তার বিরুদ্ধে কোন বিরুপ মন্তব্য বা অভিযোগ করেনি বা আমরাও কখনো শুনিনি।কিন্তু আমাদের প্রতিষ্টানের নিয়োগকৃত কোন স্টাফ ব্যতীত বহিরাগত কেউ এসে একজনের বিরুদ্ধে মিথ্যে অপবাদ বা অভিযোগ করবে এটা কতটা গ্রহনযোগ্য বা সত্যতা বহন করে?উল্লেখিত যে অরবিন্দু শিশু হাসপাতালের ডেন্টাল বিভাগের সহকারী নার্স (তবে প্রতিষ্ঠান কতৃক নিয়োগকৃত নয়)সমাজের একজন বিষিষ্ট ব্যক্তি অত্র প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের কোষাধ্যক্ষ মোঃ জহির শাহ্ এর বিরুদ্ধে একটি কুপ্রবৃত্তি মনোভাবের উদ্ভব ঘটিয়েছিল মাত্র।যার বাস্তবে কোন সত্যতাই পাওয়া যায়নি বলে একাধিক বিশ্বস্ত সুত্র ও প্রতিষ্ঠান কতৃপক্ষের মাধ্যমে জানা যায়
৪ দিন ৬ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
১৬ দিন ১৮ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
২০ দিন ১৫ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
৩৫ দিন ১৪ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে
৩৬ দিন ২১ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
৩৮ দিন ১৮ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
৩৯ দিন ১৭ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৪৪ দিন ১০ ঘন্টা ২০ মিনিট আগে