সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজিবি ও বিএসএফ এর দুদফা পতাকা বৈঠক শেষে বিএসএফ অবশেষে ফেরত দিল বাংলাদেশী কিশোরের লাস। ভারতীয় সীমান্তে বিএসএফ এর গুলিতে শিক্ষার্থী মিনার মারা যাওয়ার ৪দিন পেরিয়ে যাওয়ায় সন্তানের লাস না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পরেছিল নিহত মিনারের পরিবার।অবশেষে ভারত বাংলাদেশের বিএস এফ ও বিজিবির দুদফা পতাকা বৈঠক শেষে ১২সেপ্টেম্বর বিকালে ভারতীয় সিকিউরিটি ফোর্স(বিএসএফ),বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)কে লাস হস্তান্তর করে।
বিজিবি লাস গ্রহণ করার পর সমস্ত প্রক্রিয়া শেষে মৃতের পরিবারের কাছে লাস হস্তান্তর করে।মিনারের লাস তার বাসায় পৌছার পর তার পরিবারে কান্নার মাতন শুরু হয়ে যায়। অপঘাতে মিনারের মৃত্যুটাকে কেউ মেনে নিতে পারছে না।মিনারের মৃত্যুতে এলাকায় যেন শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
উল্লেখিত গত ৭সেপ্টেম্বর দিনাজপুর সদর উপজেলার ৯নং আশ্করপুর ইউনিয়নের বঞ্চিতপাড়া এলাকার জাহাঙ্গীরহোসেন এর ছেলে খানপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্র মিনার(১৫) তার বন্ধুরাসহ ১০নং কমলপুর ইউনিয়নের দাইনুর ক্যাম্প সংলগ্ন ভারতীয় সীমান্তে আমদানি নিষিদ্ধ দুরার শুটকি পাচারকালে বিএসএফ এর সাথে হাতাহাতির এক পর্যায়ে বিএসএফ এর গুলিতে মিনার নিহত হয়। তবে যেসব চোরাকারবারি গড ফাদারেরা অন্তরালে থেকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে শিক্ষার্থী,কিশোর যুবকদের ভুল পথে চালিত করছে তারা টাকার জোরে বেচেঁ যাচ্ছে কিন্তু অকালে ঝরে যাচ্ছে অনেকের জীবন।চোরাকারবারির গড ফাদারদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে কঠোর হস্তে এদের দমন করার আহবান জানান এলাকাবাসী।