গরীব ,অসহায় থেক শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের ভবিষ্যত নিরাপত্তার স্বার্থে গঞ্চিত আমানত ফেরত না দিয়ে আত্মসাত করার অভিযোগে দিনাজপুর পাঁচবাড়ি মোকলেছুর রহমান মহাবিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ও বেসরকারি সংস্থা বাংলাদেশ সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট একাডেমী (বিএসডিএ)এর নির্বাহী পরিচালক ড.মোঃ আব্দুস সালামকে আটক করে আদালতে প্রেরন করেছে পুলিশ।
গত ১৮মে ২৪ ফারজানা রিমা নামে এক ভুক্তভোগীর দায়েরকৃত মামলায় গতকাল (২৬মে)তাকে আটক করা হয় ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরিদ হোসেন ।
স্বরে জমিনে খোঁজ নিয়ে একাধিক ভুক্তভোগীর সাথে কথা বলে বিভিন্ন দপ্তরে দায়েরকৃত অভিযোগসুত্রে জানা যায় উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপক ও বিএসডিএ'র নির্বাহী পরিচালক মোঃ আব্দুস সালামের খপ্পরে পড়ে অনেক অসহায় মানুষ,অনেক পরিবার আজ সর্বস্বান্ত ও ধ্বংস হতে বসেছে ।
দিনাজপুর শহরের পুলহাট বড়পুল এলাকার মোঃ আজাহার আলীর মেয়ে ফারজানা রীমার দায়েরকৃত মামলাসুত্রে জানা যায় গত ২২সালের ৩১মে সকালে ঈদগাহ আবাসিক এলাকায়' বিএসডিএ' এর প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে তার স্বামী ,মা ও বোনের উপস্থিতিতে বিএসডিএ'র ঘূর্ণায়মান ঋনদান তহবিলে ১০লক্ষ টাকা দুই বছরের জন্য গঞ্চিত রাখে। জমা রাখার এক বছর পেরিয়ে হঠাৎ নগদ টাকার প্রয়োজন হলে ২৩সালের সেপ্টেম্বরে টাকা ফেরতের জন্য আবেদন করলে বিএসডিএ নির্বাহী পরিচালক মুনাফাতো দুরের কথা মুল টাকা ফেরত দিতে বিভিন্ন ধরনের তালবাহানা করে এবং দিনের পর দিন সময় ক্ষেপন করতে থাকে।একই ভাবে গত ২৪সালের ২০এপ্রিল অনেক সাক্ষীর উপস্থিতিতে পুনরায় তার জমায়েত ১০লক্ষ টাকা ফেরত চাইতে গেলে টাকা দিতে অস্বীকার করে এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখায় । ফারজানা রীমার মতো ফারজনা ইয়াসমিন, মোছা জাহানারা বেগম ,ফারজানা ববি সহ আরো অসংখ্য নারী পুরুষের সঞ্জয়,মাসিক ডিপিএস ,এককালীন আমানত সহ কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতারনা করে আসছে। তার এই কাজে প্রত্যক্ষ মদদ যুগিয়েছে তার স্ত্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সৈয়দা সাবিনা তাবাসুম।তার বিরুদ্ধেও ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীরা। মানুষের কষ্টার্জিত জমানো অর্থ ফেরত পেতে আইনের সুদৃষ্টি কামনা করেন একাধিক ভুক্তভোগী ।