ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কাউলীবেড়া ইউনিয়ন ঐতিহ্যবাহী কাউলীবেড়া বাজার সংলগ্ন সড়কে সামান্য বৃষ্টি নামলেই হাটু পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।এতে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।পথচারীদের ভোগান্তি পৌঁছায় চরমে।স্হানীয়দের অভিযোগ এবাজারে পানি নিষ্কাশনের জন্য নালা ব্যবস্হা না থাকায় বৃষ্টি হলেই রাস্তায় জমে যায় পানি।গতকাল শনিবার (২৬ মে) সকালে সামান্য বৃষ্টি হওয়ার রাস্তায় পানি জমে যায়।এদিকে ভারী বর্ষণে পোহাতে হয় সীমাহীন দুর্ভোগ।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,কাউলীবেড়া বাজারে রাস্তায় জলাবদ্ধতার কারণে চলাচলের বেগ পেতে হচ্ছে ইজিবাইক, মোটরসাইকেল, ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা চালকদের।সড়কে বৃষ্টির পানি জমে রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
স্হানীয়দের অভিযোগ, একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি আর কাঁদা জমে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।বাজারে পানি নিষ্কাশনের জন্য নালা ব্যবস্হা না থাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। সড়কের এমন অবস্থার স্কুল গামী ছাত্র -ছাত্রীদের বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে।সঠিকভাবে নালা ব্যবস্হা করা হলে বাজারে ক্রেতা,ব্যবসায়ী ও পথচারীরা এ ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে।কাউলীবেড়া বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফয়েজ চোকদার বলেন,অল্প বৃষ্টি হলেই এ রাস্তায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে কর্দমাক্ত হয়ে যায়। যানবাহন ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।একারণে বাজারের ব্যবসায়ীদের বেচা-কেনা কম গিয়ে লোকসানে পড়তে হয়। আমরা চাই রাস্তার পানি নিষ্কাশনের জন্য সুয়ারেজ লাইন করা হোক।
অটোভ্যান চালক রিয়াজুল ফকির বলেন,জলাবদ্ধতার কারণে রাস্তার পরিস্থিতি খুবই বাজে রুপ ধারণ করে।এসময় অটোভ্যান চালাতে সমস্যায় পড়তে হয়।পানিতে পড়ে দুর্ঘটনার শঙ্কায় থাকি।
মোটরসাইকেল চালক রাসেল বিশ্বাস বলেন,পানির মধ্য দিয়ে মোটরসাইকেল চালানোর সময় রাস্তার অবস্থা বুঝা যায় না।ফলে দুর্ঘটনার আশংকা থাকে।আমাদের চাওয়া বাজার কমিটি ও আশেপাশের দোকান মালিকগণ পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে জনসাধারণের দুর্ভোগ কমানোর।
এব্যাপারে কাউলীবেড়া বাজার বনিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ মাতুব্বরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমরা কয়েক দোকান দার মিলে ছাব্বিশ হাজার টাকা খরচ করে সড়কের পানি জমে থাকা যায়গায় একটি চৌবাচ্চা বানিয়ে মানিকের দোকান ঘরের নীচ দিয়ে ড্রেইন করে মোটা পাইপের মাধ্যমে পানি নামনোর ব্যবস্হা করেছিলাম।কিছুদিন পানি ভালো ভাবেই নিষ্কাশন হতেছিলো।কেবা কাহারা একটি ইটের আধলা ডুকিয়ে দিলে পাইপ দিয়ে পানি যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়।এখন বিকল্প রাস্তা হচ্ছে রাস্তার পাশ দিয়ে ড্রেনেজ লাইন নির্মাণ করা অথবা রাস্তার নীচু জায়গায় কার্পেটিং উঠিয়ে উচু করা।এছাড়া আর কোন উপায় নেই।
এবিষয়ে কাউলীবেড়া ইউনিয়ন পরিষদের চার নং ওয়ার্ডের মেম্বার সাজেদুল হক সারে বেপারীর মোবাইল ফোনে বার বার কল দিয়েও পাওয়া যায় নি।মোবাইল নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে কাউলীবেড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রেজাউল হাসনাত দুদু মিয়া দৈনিক স্বাধীনতার কণ্ঠ পত্রিকাকে বলেন,সড়কে পানি জমে থাকার বিষয়টি সত্যিই জনদুর্ভোগ।আমি নিজেও দেখেছি সামান্য বৃষ্টি হলেই হাটু পানি জমে যায়।যানবাহন ও পথচারীরা বিপাকে পড়ছেন।যেহেতু বর্ষা মৌসুম চলে আসছে আমি এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে অবহিত করে সমাধানের পথ বের করতে চেষ্টা করবো।
৩ দিন ১১ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
৬৩ দিন ৪ ঘন্টা ৯ মিনিট আগে
১৪১ দিন ১৬ ঘন্টা ২৭ মিনিট আগে
১৪২ দিন ১৮ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
১৪৮ দিন ৫ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
১৬৫ দিন ৩ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
১৬৫ দিন ৩ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
১৬৮ দিন ১৪ ঘন্টা ৪ মিনিট আগে