সুন্দরগঞ্জে বই পাচারের ঘটনায় মামলার বাদীতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সুন্দরগঞ্জের সাধারণ জনগন।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে রাতের আঁধারে বই পাচারের ঘটনায় মাধ্যমিক কর্মকর্তা নিজেই বাদী হয়ে মামলা করার ঘটনায় জনমনে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
এদিকে জনগণের সন্দেহের তীর বইছে ঐ শিক্ষা কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন মন্ডলের দিকে।তারা ধারনা করছেন নিজেকে বাঁচাতে শিক্ষা কর্মকর্তা নিজেই বাদি হয়ে মামলা করেছে।
এর আগেও একটি প্রতিষ্ঠান থেকে বই বিক্রির ঘটনায় মামলার বাদী ছিলেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। জনতার হাতে ধরা পরা সেই ঘটনা স্বাক্ষ্য - প্রমাণ, বাদীর জন্যই খারিজ হয়ে যায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেছেন,একজন অফিস সহায়ক কখনো একাই এ কাজ ঘটাতে পারে না। বই পাচারের সঙ্গে মাধ্যমিক কর্মকর্তা নিজেই জড়িত থাকতে পারেন।অনেকে বলছে মাধ্যমিক কর্মকর্তার যোগসাজসে একাজ করা হয়েছে।
সাংবাদিক জয়ন্ত সাহা যতনের ফেসবুক পোস্টে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক বিরুপ মন্তব্য করেছে,হুবহু তা তুলে ধরা হলোঃ-শিক্ষা অফিসে মাজেদ কর্মচারী মাত্র এর পিছনে অবশ্যই গডফাদার ও শিক্ষা অফিসের দালাল চক্র আছে আমার বিশ্বাস। এদের ধরতে পারলে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস অনেকটাই দুর্নীতি মুক্ত হবে এবং সাধারন শিক্ষকদের মনের কষ্ট দুর হবে। অপর দু'জন শিক্ষক লিখেছেন অনুমোদনহীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও বই পাচার হচ্ছে। সন্ধ্যা হতে হতে নতুন বই পুরাতন হবে নাতো?
সচেতন মহল ও সুন্দরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বুলু বলেন, এর আগেও শিবরাম স্কুল এন্ড কলেজে বই বিক্রির ঘটনার মামলায় এই মাধ্যমিক কর্মকর্তা নিজে বাদি হয়েছিল পরবর্তীতে সাক্ষী প্রমাণে গিয়ে মামলাটি টিকেনি তা খারিজ হয়েছে,আমি চাই এর পুনরাবৃত্তি যেন না হয় এর সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধী বের হোক।
এদিকে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আহসানুল করিম চাঁদ বলেন এরকম ঘটনা সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে,একজন অফিস সহায়ক কখনো একাই একাজ করতে পারে না।আমার জানামতে মাজেদুর রহমান একজন সহজ সরল লোক।এঘটনায় মাধ্যমিক কর্মকর্তা নিজেই জড়িত আছে। এর দায় তিনি এড়াতে পারেন না।
এদিকে মাজেদুর রহমানের প্রতিবেশীরা জানান, আমাদের জানামতে তিনি একজন ভালো ব্যক্তি তিনি একাজ করতে পারে না, এঘটনায় অন্য কেউ জড়িত থাকতে পারে।
উল্লেখ গত রোববার গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে বিপুল পরিমাণ সরকারি বই মিনি পিকাপে করে পাঁচারকালে সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু সংলগ্ন এলাকায় ড্রাইভার এবং হেলপার শ্যামলকে আটক করে সিরাজগঞ্জ বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানা পুলিশ। পরে আটককৃতদের দেওয়া তথ্য মতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহায়ক মাজেদুর রহমানকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয় সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ। রাতভর বইয়ের হিসাব মিলানোর সময় মাজেদুর বই পাচারের কথা স্বীকার করলে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
পরে এঘটনায় মাধ্যমিক কর্মকর্তা নিজে বাদী হয়ে অফিস সহায়ক মাজেদুর রহমান সহ ৩জনের নামে থানায় মামলা দায়ের করেন।
১৮ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
১ দিন ৭ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
৩ দিন ১৫ মিনিট আগে
৫ দিন ৮ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
৭ দিন ৭ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
২৬ দিন ২১ ঘন্টা ৩৫ মিনিট আগে
৩১ দিন ১ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
৩৯ দিন ৪৬ মিনিট আগে