বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ এমপি বলেছেন,যিনি এতিমের টাকার লোভ সামলাতে পারেনা জনগণের টাকা মেরে খায় তার কথা শুনে জনগণ যাবে আন্দোলন করতে? যাবে বাংলার জনমানুষের নেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে? এ আন্দোলন সফল হয় নাই। শেখ হাসিনা এখন প্রধানমন্ত্রী আর বেগম খালেদা জিয়া আন্দোলন করতে করতে এখন কারাগারে।
এদেশে আর কাউকে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না, এ দেশের মানুষ উন্নয়ন চায় কোনো দূর্বৃত্তায়ন চায় না। বিদেশীদের কাছে ধর্না দিয়ে কোনো লাভ হবে না। অযথা স্বপ্ন দেখবেন না, ২০২৯ সালের পর ভেবে দেখেন ক্ষমতায় যাওয়া যায় কিনা শনিবার ( বিকালে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার লাঙ্গলবাঁধ হাইস্কুল মাঠে আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে আয়োজিত এ জনসভায় শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি, ঝিনাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হাই, রাজবাড়ী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জিল্লুল হাকিম, মাগুরা- ১ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড সাইফুজ্জামান শিখর, কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম আলতাফ জর্জ, মাগুরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আফম আবদুল ফাত্তাহ, মাগুরা জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু নাসির বাবলু,শৈলকুপা উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল হাকিম আহমেদ, মাগুরার পৌর মেয়র খুরশিদ হায়দার টুটুল, শৈলকুপা পৌর মেয়র আলহাজ্ব কাজী আশরাফুল আজম ৮নং ধলহরাচন্দ্র ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান বিশ্বাস প্রমুখ ।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও নাকোল ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ হুমাউনুর রশিদ মুহিতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদেও মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি কামরুল লায়লা জলি, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ শরিফুল ইসলাম, শ্রীপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মিয়া মাহমুদুল গনি শাহিন, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ শাহীন, এ্যাড. শাখারুল ইসলাম শাকিল, পঙ্কজ সাহা, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি স্বর্নালী জোয়ারদার রিয়াসহ মাগুরা, ঝিনাইদহ ও রাজবাড়ী জেলার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিসহ আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
মাহবুব উল আলম হানিফ আরও বলেন,২০১২ সালে যখন যুদ্ধ অপরাধি জামাত ইসলামের বিচার শুরু হল মানবতা বিরোধী জামাতে ইসলামীর সেই বিচারে যখন অপরাধী সাব্যস্ত হলো, যুদ্ধ অপরাধের দায়ী অভিযুক্ত ওই মতিউর রহমান নিজামী, আলী হাসান মুজাহিদ , কসাই কাদের মোল্লার বিচারের রায় হল ফাঁসি হলো তখন বিএনপি এবং জামাত মিলে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করলো। বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন মনে নেই আপনাদের এই সরকারের এবার পতনের আন্দোলন এক দফা আন্দোলন ঘোষিত হলো। সাংবাদিক জিজ্ঞেস করেছিলেন কবে থেকে চূড়ান্ত আন্দোলন হবে, বলেছিলেন ঈদের পরে আন্দোলন চূড়ান্ত হবে। ২০১২ সাল থেকে আজকে ২০২৩ সাল বহু ঈদ চলে গেছে বহু আন্দোলন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ দেখেছে। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকার আছে এখনো। বিএনপি'র আন্দোলন ব্যর্থতায় পর্যভুষিত হয়েছে।
প্রতিদিন মির্জা ফখরুল বা বিএনপির নেতারা বিদেশী দূতাবাসে আসে দৌড়াচ্ছেন , বিদেশি দূতাবাসে ধর্না দিচ্ছে। মনে হচ্ছে যেন বিদেশি রায় ওনাকে ক্ষমতায় নিয়ে আসে বসাবেন। আমরা বলেছি এদেশের ক্ষমতার মালিক জনগণ। জনগণই হচ্ছে আওয়ামী লীগের মূল শক্তি। জনগণ যতদিন শেখ হাসিনার পাশে আছে কোন শক্তি নেই শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার। বিদেশি প্রভুরা এরা আপনাকে ক্ষমতায় বসাতে পারবেনা। ষড়যন্ত্র করে লাফালাফি করতে পারেন কিন্তু তাতে কোন ফল হবে না।
এর আগে তিনি মাগুরার-ওয়াপদা মোড়-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক সড়ক ও লাঙ্গলবাঁধ-পাংশা ব্রিজের নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন।
২ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে
৩ দিন ৯ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
৩ দিন ১০ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
৮ দিন ১০ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে
৮ দিন ১২ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
১১ দিন ৪ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
১৩ দিন ১৩ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে