ঢাকা থেকে গুরুত্বপূর্ণ মামলার আসামীর ডিএনএ পরীক্ষা শেষে জামালপুর ফেরার পথে টাঙ্গাইলের মধুপুরে দাঁড়ানো ট্রাকের সাথে নোয়া গাড়ির ধাক্কায় নোয়ার যাত্রী পুলিশ কনস্টেবল ও এক আসামীর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে নেয়ার পর মারা গেছেন আরেক পুলিশ কনস্টেবল।
একই ঘটনায় পুলিশের এক সাব ইন্সপেক্টর, আসামী ও নোয়ার চালক গুরুতর আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ২ জন কে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
সোমবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে টাঙ্গাইল-জামালপুর সড়কের মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ী বাসস্ট্যান্ডে এলাকায় এ মর্মান্তিক দুঘর্টনা ঘটেছে। নিহতরা হলেন- পুলিশ কনসেস্টবল নুরুল ইসলাম ও সোহেল মিয়া এবং আসামী লালন (২৪)। পুলিশের সদস্য দুইজন জামালপুরের নারয়ারণপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। নিহত আসামী লালন জামালপুর সদরের গজার আটা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। আহতরা হলেন ওই ফাঁড়ির এসআই আজিজুল ইসলাম, অপর আসামী সদর উপজেলার মধ্য রশিদপুরের শাহজাহানের ছেলে আব্দুল লতিফ মামুন ও নোয়া গাড়াীর চালক সাইফুল ইসলাম। এসআই আজিজুল ও আসামী লতিফ কে গুরুতর অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। চালক সাইফুলকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
মধুপুর থানার ওসি(তদন্ত) মুরাদ হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামালপুরের গুরুতর মামালার দুই আসামী লালন ও লতিফের ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ঢাকায় নেযা হয়। নারায়ণপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই আজিজুলের নেতৃত্বে দুই পুলিশ কনস্টেবল নুরুল ও সোহেল সাথে ছিলেন। নোয়া মাইক্রো নিয়ে ফেরার পথে রাত সাড়ে আটটার
দিকে মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ী বাজার (বাসস্ট্যান্ড) পৌছলে পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাক অতিক্রম কালে বিপরীত দিকে থেকে আসা অপর ট্রাকের চাপে পড়ে দাঁড়ানো ট্রাকের সাথে ধাক্কায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলেই কনস্টেবল নুরুল ও আসামী লালনের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে মধুপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম পৌছে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।